497>||--আমের কথা--||---(1---4)

497>||--আমের কথা--|
        2)||-आम -||
         3)।। আম আমাদের ভারতের ফল ।।
          4)||--আমের কথা--|| (একটু নুতন করে)

============================

497>||--আমের কথা--||--

||--আমের কথা--||

খাবে লিচু যেতে হবে চন্দন নগর, হুগলি,
শাহী লিচু পাবেন মজফরপুরে।
শাহী লিচু একটিতেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়।
আহা যেন রসগোল্লা রাজভোগ ও লজ্জাপায়।
এবারে আসল কথায় আসি।
ফলের রাজা আম।
কত যে নাম, কত বাহার।
মালদহ ও মুর্শীদাবাদী আম, ভোলা কি যায়
তাদের নাম, ও স্বাদের বাহার।
কিন্তু ভাই প্রাণ মন ভরে আম খেতেহলে
যেতে হবে বাংলাদেশের পশ্চিম প্রান্তে
চাঁপাই নবাবগঞ্জে( আগে মালদার ই অংশ ছিল
এখন পূর্ব বাংলার অন্তর্গত)
চাঁপাই নবাবগঞ্জ কে "আমের দেশ" ও বলা হয়।
মনেহয় সারা পৃথিবীর আম গাছ এখানেই আছে।
চারিদিকে শুধুই আম গাছ।
আম গাছের মাঝেই মানুষের বসতবাড়ী,
দোকান পাট, কারখানা।
মনেহবে সারা বিশ্বের সকল আম গাছ ই
এখানে আছে।
এবারে বলি কিছু আমের নাম।
যেগুলি আমি দেখেছি।
তবে সবগুলি খাওয়া হয়নি।
কারন সকল আম এক সময় পাকেনা।
এক এক রকমের আমের পাকার সময় আলাদা।
সেই কারনেই সকল আমের স্বাদ জোটেনি
ভাগ্যে।
তবে দেখেছি বহু রকমের আম ।
জতো গুলি নাম মনে আছে সেগুলিই
জানাতে চাই।
আগে বলি বিখ্যাত তিনটি নাম
1>হাঁড়ি ভাঙ্গা।
2>কোহিতুর।
3>আলফানসো।
হাঁড়ি ভাঙ্গা ও কোহিতুর এদের পরিচয় মূল্য দিয়ে করা বৃথা।
একবার খেলে জীবন ভর মনে থাকবে এদের স্বাদ।
এবারে বলি আরো কিছু আমের নাম ।---
বেনারসী লেংড়া,আর চৌসা,
মজফর পুরের  দশেরী,
মালদার হিমসাগর আর ফজলি,
আর আছে বাদশাহী ।
নানা আমের বাহার।মালদহ ও মুর্শিদাবাদ-এ
নবাবী ভোগের নাই অন্ত।
বাগানে বাগানে আমের রকমারি ভোগ।
রানী ভোগ,বাদশা ভোগ,নবাব ভোগ।
খাস মহল ভোগ,বাহির ভোগ,
তোরণ ভোগ,বারণ ভোগ।
বেগম ভোগ, বেগম খাস, মজলিস খাস।
ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসা,
অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী,
কালীভোগ, কাঁচামিঠা,
আলফানসো, বারোমাসি, তোতাপূরী,
কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপালখাস,কেন্ট, সূর্যপূরী, হাপুস,
পাহুতান, ত্রিফলা, হাড়িভাঙ্গা, ছাতাপরা,
গুঠলি, লখনা, আদাইরা, কলাবতী ইত্যাদি।
আরো আছে বলি তবে ।
মোহন বাশি, কুমড়া জালি, ভাদ্রি,
আমরু পালী মল্লিকা,নারিকেল ফাঁকি,
সবেদা গুটি,বারি আম -১, বারি আম-২,
আরো কিছু আম দেখেছি ও খেয়েছি
কিন্তু নাম মনে নাই।
কারন ওরা এমন ভাষায় নাম বললো যে সেই নাম গুলি উচ্চার করা ই মুশকিল।
এইতো সেদিন হুগলিতে এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে ওদের একটি আম গাছে আম দেখে
ভীষণ অবাক হলাম । এমন সুন্দর আম আগে কখনো দেখিনি ।কি অপূর্ব তার রং।
দেখলেই মনে হবে কাশ্মীরি আপেল।
তবে এখন মনে হচ্ছে, জতো আম আমি
দেখেছি, তার থেকেও বহু আম আমি
দেখি নি।
জীবনে ভুলব না আমের বাহারি নাম,রং,
স্বাদ, অপরূপ গন্ধ।
আর ভুলব না সেই আমের ঝুড়ির চেহারা।
বিশাল বিশাল ঝুড়ি ।
কোনটায় খড় বিছানো,
কোনটায় কাগজ,
কোনটায় তুষ।
কোনটায় কাঠের গুঁড়ো।
কোনটায় মসৃণ তুলোর ওপরে অতি আদরে জত্নে সাজান আম।
সকল ঝুড়ি কিন্তু আম পাতা দিয়ে ঢাকা।
       <--©--●অনাথ●--->
        【--anrc-29/06/2018--】
        【12:44:20 am===】
============================

2)||-आम -||


इस मौसम में खना हैं आम और लीची।
असली लीची हैं तो महफरपुर का शाही लीची।
और आम खाना हैं तो जानिए आम के नाम
कोहितुर,इस आम का एक पीस का मूल्य बर्तमान बाजार में ₹1000/- से ₹1200/- रुपिया एक पीस। उसके बाद,
हांडी भंगा ₹900/- से ₹1000/- रुपिया एक पीस।
तीसरा में हैं अल्फांसो जिस के मूल्य ₹ 2500/- रुपिया केजी।
इसके बाद सारे आम ₹40/- से ₹ 80/- रुपिया के जी।
बेनारस के लेंग्रा, चौसा,
बंगाल का दसहरी,हिम् सागर,फजली, बादशाही,
रानी भोग, बादशा भोग,नवाब भोग, खासमहल भोग,वाहिरभोग,तोरण भोग, बारण भोग,
बेगम भोग, बेगम खास, मजलिश खास, फजली,
लेंगरा, गोपाल भोग, ख़िरसा, अरुण, आम्रपाली, मल्लिका, आम्रपाली मल्लिका,सुबर्न रेखा, मिचिरी दाना, नीलांबरी, काली भोग, कांचा मीठा,
बारमसि,तोता पूरी,काराबऊब,केउई साउ,
गोपाल खास,केंट,सुरसज पूरी,हापुस,पहुतान,
त्रिफ़ला, छाताभांगा, छातापरा,गुलाटी, लखना,
आदाइरा,कलाबती,मोहन बाशी, कुमारा जाली,
भादरी, नारिकेल फांकी, शबेदा गुटी, बारी आम १,
बारी आम २।
और भी कुछ आम देखा जिसका नाम मालूम नेही।
उस दिन कमलेश के श्वशुराल में उनके एक आम पेर में एक आम देखा जिसका रंग एकदम आपेएल जैसा ।मगर उस आमका नाम मालूम नेही।
आम का इतना भेराइटी बंगाल के मालदह, मुर्शिदाबाद,एबं बंगला देश के चापाई नबाब गंज में मिलते हैं।
"चापाई नबाब गंज" को तो आम के देश भी कहते हैं। यहां चारो ओर सिर्फ आम बगीचा ही नजर आते हैं।
<--©--●अनाथ●--1950-->
【--anrc--29/06/-2018--】
【02:44:54===】
==============

3)।। আম আমাদের ভারতের ফল ।।


আনন্দ বাজার পত্রিকা
১৬ জানুয়ারি ২০২০ ::-সম্পাদক সমীপেষু:

আম আমাদেরই

‘আমও কিন্তু বহিরাগত’ (৮-১) শীর্ষক পত্রে লেখক আমকে জন্মসূত্রে বিদেশি বলে দাবি করেছেন। কিন্তু আম যে এই উপমহাদেশেরই ফল, তা ইতিহাসের বিখ্যাত পর্যটকগণ: ফা-হিয়েন, হিউয়েন ৎসাং, ইবন বতুতা, ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ে— প্রত্যেকেই স্বীকার করেছেন।

তবে আম চাষকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার দাবিদার পর্তুগিজ ও স্পেনীয় বণিক সমাজ। ষোড়শ শতাব্দীতে পর্তুগিজরা গোয়া থেকে আফ্রিকায় আম নিয়ে যায়। ১৭০০ সালে স্পেনীয়রা নিয়ে যায় ব্রাজিল ও ফিলিপিন্সে। এর পর ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে তারা ফিলিপিন্স থেকে আম নিয়ে যায় মেক্সিকোতে। ১৮২৫ সালে মিশর ভারত থেকে আমের চারা আমদানি করে এবং পরে সেখান থেকে নিয়ে যায় ইজ়রায়েলে।

১৮৩৩ সালে মেক্সিকো থেকে আমের চারা পৌঁছয় ফ্লরিডায়। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা ভারত থেকে আম নিয়ে যান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নানা স্থানে। মালয়েশিয়ায় উৎকৃষ্ট আমের প্রজাতিগুলি গিয়েছে ভারত থেকে প্রায় ষোলো-সতেরোশো বছর আগে।

ব্রাজিল হয়ে ১৭৪০ সালে আম পৌঁছয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ে। ফিলিপিন্স হয়ে ১৮৬৫ সালে মোলাস্কাস পৌঁছয়। তার বেশ কয়েক বছর আগেই মোটামুটি অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে আম পৌঁছেছিল ইয়েমেনে। এ তালিকা ইচ্ছে করলেই আরও অনেক বাড়ানো যেতে পারে।

ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে আমের গভীর সম্পর্কই প্রমাণ করে আম স্বদেশজাত একটি ফল। ভারতীয় সাহিত্যে আমকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়েছে, যথা: চূত, মোকান্দ, মদির, সখ, কামাঙ্গ, সরম, মধুদূত, অঙ্গনপ্রিয়, পিকবল্লভ, ইত্যাদি।

কৌটিল্য ও বাৎস্যায়ন আমের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন। বাল্মীকি ও তুলসীদাসের রামায়ণে ও ব্যাসদেবের মহাভারতে গুরুত্ব-সহ আমের বর্ণনা পাওয়া যায়।

মৎস্যপুরাণ ও বায়ুপুরাণে কালো আমের উল্লেখ আছে, যার রসপানে মানুষ অমরত্ব লাভ করে। ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম্’ কাব্যে কালিদাস আমের মঞ্জরীর বর্ণনা দিয়েছেন। ‘মেঘদূত’ কাব্যে তিনি আম্রকুট নামে এক পাহাড়ের বর্ণনা দিয়েছেন।

প্রাচীন সঙ্গীতশাস্ত্রে দু’টি রাগের নামকরণ হয়েছে আমকে ব্যবহার করে: আম-তাকেস্বর ও আম পঞ্চম।

প্রদীপনারায়ণ রায় ;;-শক্তিপুর, মুর্শিদাবাদ
                    "সংগ্রহ"
===========================


4)||--আমের কথা--|| (একটু নুতন করে)
        <---------আদ্যনাথ------->

খেয়েছিলাম লিচু,
সেই চন্দন নগর( হুগলি)গিয়ে,
খেয়েছি মজফরপুরের শাহী লিচু
আহা কি স্বাদ, যেন মধু।
একটিতেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়,
যেন রাজভোগ ও লজ্জাপায়।

গ্রীষ্মের ফল খেয়েই আরাম,
তাই বুঝি ফলের রাজা আম।
কত বাহার আর কত নাম
মালদহ ও মুর্শীদাবাদী আম।
ভোলা কি যায় সেই ফলাহার
তাদের নাম, ও স্বাদের বাহার।

গিয়েছিলাম বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জে, ( আগে মালদারই অংশ ছিল এখন পূর্ব বাংলার অন্তর্গত)।
মন প্রাণভরে আম খেতে।
চাঁপাই নবাবগঞ্জ কেই "আমের দেশ"  বলা হয়।
মনেহয় সারা পৃথিবীর আম চাষ 
এখানেই হয়।

চারিদিকে শুধুই আম গাছ আছে,
মানুষের বসতবাড়ী,দোকান পাট, কারখানা সকলি আম বাগানের মাঝে।
মনেহবে সারা বিশ্বের সকল আম গাছ ই
এখানে আছে।

এবারে কিছু আমের নাম বলি
যেগুলি আমি দেখেছি।
তবে সবগুলি খাওয়া হয়নি,
কারন সব এক সময় পাকেনি।

প্রত্যেক আমের পাকার সময় আলাদা,
সেই কারনেই সকল আমের স্বাদ জোটেনি
ভাগ্যে।
তবে দেখেছি বহু রকমারি আম,
মনে আছে তাই বলি কিছু নাম।

আগে বলি বিখ্যাত সেই তিনটি নাম
1>হাঁড়ি ভাঙ্গা।
2>কোহিতুর।
3>আলফানসো।
হাঁড়ি ভাঙ্গা ও কোহিতুর এদের পরিচয় মূল্য দিয়ে করা বৃথা।
একবার খেলে জীবন ভর মনে থাকবে 
যাবেনা ভোলা।


আরও আছে রকমাটি আমের নাম ।---
বেনারসী লেংড়া,আর চৌসার স্বাদ,
মজফরপুরের  দশেরী যাবেনা বাদ।
মালদার হিমসাগর, ফজলি, বাদশাহী, 

আর সেই নবাবী ভোগ,
বাগানে বাগানে আমের রকমারি ভোগ।
রানী ভোগ,বাদশা ভোগ,নবাব ভোগ।
খাস মহল ভোগ,বাহির ভোগ,
তোরণ ভোগ,বারণ ভোগ,বেগম ভোগ।
বেগম খাস, মজলিস খাস,
এসকল মুর্শিদাবাদি নবাবী খাস।

ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, 
খিরসা, অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ।

কাঁচামিঠা, বারোমাসি, তোতাপূরী, 
কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপালখাস,কেন্ট, সূর্যপূরী, হাপুস,
পাহুতান, ত্রিফলা, হাড়িভাঙ্গা, ছাতাপরা, 
গুঠলি, লখনা, আদাইরা, কলাবতী।

আরো কিছু নাম আছে মনে,
তাদের স্বাদ ভুলি কেমনে।
মোহন বাশি, কুমড়া জালি, ভাদ্রি,
আমরু পালী মল্লিকা,নারিকেল ফাঁকি,
সবেদা গুটি,বারি আম -১, বারি আম-২,
আরো কিছু আম দেখেছি ও খেয়েছি
কিন্তু নাম মনে নাই।
(কারন ওরা এমন ভাষায় নাম বললো যে সেই নাম গুলি উচ্চার করা ই মুশকিল।)

সেদিন হুগলিতে এক বন্ধুর বাড়িতে 
ভীষণ অবাক হয়েছিলাম দেখে,
ওদের একটি আম গাছে আম দেখে।
এমন সুন্দর আম আগে কখনো দেখিনি,
কি অপূর্ব তার রং।
দেখলেই মনে হবে কাশ্মীরি আপেল।

তাইতো মনে হচ্ছে, জতো আম দেখেছি
 আমি,
নিশ্চই তার থেকেও বহু আম দেখিনি আমি।

জীবনে ভুলব না আমের বাহারি নাম,রং,
স্বাদ, অপরূপ গন্ধ।
আর ভুলব না সেই আমের ঝুড়ির চেহারা।
বিশাল বিশাল ঝুড়ি ।
কোনটায়  বিছানো খর,
কোনটায় কাগজ,
কোনটায় তুষ।
কোনটায় কাঠের গুঁড়ো।
কোনটায় মসৃণ তুলোর ওপরে অতি আদরে জত্নে সাজান আম।
সকল ঝুড়ি কিন্তু আম পাতা দিয়ে ঢাকা।
  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
        
============================







Comments

Popular posts from this blog

495>||--পান্তার ঘুম--||

496>||-বঙ্গের প্রকৃতি-||