Posts

Showing posts from May, 2018

470>|| গর্ভ থেকে সমাধি ||-

 470>|| গর্ভ থেকে সমাধি ||                   <--©➽-আদ্যনাথ---> মাতৃ গর্ভে শুরু সমাধিতে অন্ত, নাড়ীর সংযোগ, শুরু থেকে অন্ত। গর্ভে মাতৃনাড়ী জীবনী শক্তি যোগায়, সমাধিতে সুষুন্মা কুন্ডলিকে সহশ্রায়। শ্যামা মা আছেন সর্ব দুয়ারে, ভক্তের ভক্তি মেপে স্থান নির্বাচন করে। মন যতক্ষন লিঙ্গ, গুহ্য, নাভিতে।  অথবা মন যদি থাকে "কামিনী-কাঞ্চনে"  নানান বাধা যোগ সাধনেতে। ষটচক্র সাধনে শক্তি সহস্রারে মিলত হয়, সেই শক্তি যাঁরে কুণ্ডলিনী শক্তি কয়। কুণ্ডলিনী শক্তি সুষুম্না বেয়ে ধীরে, সহস্রারে পৌঁছে গেলে সমাধি বলে। বহু সাধ্য-সাধনায় কুলকুন্ডলিনী জাগে,  ইড়া, পিঙ্গলা আর সুষুম্না নাড়ী সজাগ থাকে। ছয় পদ্ম আছে সুষুম্না নাড়ীতে মূলাধার,স্বাধিষ্ঠান,মণিপুর,  অনাহত, বিশুদ্ধ ও আজ্ঞা, এইগুলি কল্পনার ষট্‌চক্র রূপেতে। জীবন বয়ে চলে দুই নাড়ীর যোগ দিয়ে। শুরু হয় মাতৃনাড়ী দিয়ে, অন্ত সুষুম্না নাড়ী বেয়ে। শুরু মাতৃ ক্রোড়ে,অন্ত ব্রহ্মে মিলনে। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> 01/02/2020 রাত্রি 01:20:22. ===========================

469>||-সত্যের স্বরুপ কি ?-||

469>||-সত্যের স্বরুপ কি ?-|| সত্য কথাটি ছোট, ব্যাখ্যা বড়ই কঠিন। ধর্ম মাত্রেই সত্যে প্রতিষ্ঠিত, সত্যের অধীন। সকল ধর্মই শ্রেষ্ঠ, নিজের জন্য, তথাপি ধর্মে ধর্মে মতভেদ।।                6 কোলাহল কেন? কিন্তু ধর্ম গুরু গণের ধর্ম ব্যাখ্যা, বড়ই লিরালা। যা দেখি যা শুনি সকলি, সত্য নাও হতে পারে। সত্যকে দেখা ও সত্যের কল্পনা, এক নাও হতে পরে। সকল ধর্ম গুরুই বলেন, 'দেখেছি ঈশ্বর', অর্থাৎ দেখেছেন 'সত্য' কে।                 16 সকলেই যদি দেখেথাকেন ঈশ্বর। তবে ধর্মে ধর্মে কেন এত মতান্তর। তাঁরাইত বলেন ঈশ্বর এক অভিন্ন। তাহলে ব্যাখ্যা কেন করেন ভিন্ন ভিন্ন। এক অভিন্ন কে যারাই দেখবেন, সকলের ব্যাখ্যাতে একই বলবেন। এমনি ভাবনায় চলেছি ভেবে, পাইনা কুল কিনারা ভাবনার বেগে।         24 তবেকি গুরুদের ঈশ্বর দর্শন, সেই চার অন্ধের হাতি দর্শন। এমন ভাবনা ভাবতে করে ভয়, ধর্ম নিয়ে ভাবনা যদি ধর্মের কিছু হয়! ধর্ম কর্মের মাপ বেশি বলাও পাপ। পাপের সাজা নড়কে বাস, বলার সাজা সর্বনাশ। ধর্ম নিয়...

468>||-মৃত্যু ই সত্য--||

468>||-মৃত্যু ই সত্য--|| ঈশ্বর সত্য, কিন্তু আছে মতান্তর, জন্মেও আছে অনিশ্চয়তা। মৃত্যুই অবশ্যম্ভাবী এবং সত্য। জন্মিলে মরিতে হইবে, নাই কোন সংশয়, নাই কোন মতান্তর। অতএব মৃত্যু ভিন্ন, কিছু নাই সত্য।।              সকলেই বলে ঈশ্বর সত্য, ঈশ্বর যদি হয় সত্য, তবে কেন এত মতান্তর। সত্য তো সত্য ই, সত্যের হয়না বিকল্প, সত্য কে যেই করুক বর্নন, সকলের বর্ননা হইবে একরূপ। যিনি এক অভিন্ন,তিনি স্থান,কাল,        পাত্রেও থাকিবেন এক অভিন্ন। তবে বিভিন্ন ধর্মের, ঈশ্বর কেন ভিন্ন ভিন্ন। ইশ্বরের নির্দেশ ও কেন ভিন্ন। ধর্ম বলে ঈশ্বর এক ও অভিন্ন। ব্যাখ্যা করেন ভিন্ন ভিন্ন।.              সত্যিই যদি কেউ,দেখে থাকেন ঈশ্বর। তবে তাঁর ঈশ্বর কেন ভিন্ন অন্যের থেকে। ঈশ্বরের নিশ্চয়তা নিয়েও সংশয়। মৃত্যু নিয়ে সকল ধর্মমতই এক, তাতে নাই কোন সংশয়। অতএব মৃত্যুই একমাত্র সত্য। অন্য সকল সংশয় যুক্ত।।          বীজ প্রোথিত হইলেই হয়না অঙ্কুরোদ্গম, সকল সহযোগীতাতেও না হইলেও হইতে পারে অঙ্কুরোদ্গম...

467>||-সুখ-||

467>||-সুখ-|| মানুষের দুঃখে, জীবন ব্যঙ্গ করে। মানুষের সুখে, জীবন মুচকি হাসে। এক মানুষ যখন অন্য মানুষকে হাসায়, জীবন তখন মানুষ কে ধন্যবাদ জানায়। অতএব নিজে হাস, অন্যকেও হাসও, তবেই হবে প্রকৃত সুখী। থাক হাসি খুশি, জীবন হবে ধন্য,সুখী। ||""--©--●অনাথ●---""|| ||-anrc-25/05/2018--|| --------------------------------------------- 

466>||-মৃত্যুকে দেখেছি-||

466>||-মৃত্যুকে দেখেছি-| মৃত্যুকে দেখেছি বারে বারে, দেখেছি তার ভয়ঙ্কর রূপ। দেখেছি তার রোষাগ্নি। দেখেছি তার নির্দয়তা। দেখেছি তার নির্মমতা। দেখেছি তার অদ্ভুত ক্ষমতা। দেখেছি তার জ্বালা ময়ী ব্যস্ততা। দেখেছি তার ভয়ঙ্কর বিভীষিকা।।    8  মৃত্যু নির্দয় বড়, রাখেনা কোন দায়, মৃত্যু দেখায় মৃতের অসহায়তা। মৃতের আর্তনাদের ব্যথা। মৃতের নিস্ফল প্রচেষ্টা।।               12 মৃত্যুরে করিলে ভয়, মৃত্যুর অহঙ্কার তীব্র হয়। মৃত্যুরে আলিঙ্গন,শুভ চেতনা নয়। মৃত্যুরে ভয় মন দুর্বল হয়।।         16 মৃতের প্রতি ব্যঙ্গ, নয় শুভ চেতনার অঙ্গ। মৃতের প্রতি বিদ্রুপ, কষাঘাত স্বরূপ। মৃত্যু থেকে সাবধান শুভ বুদ্ধির স্বরূপ। মৃত্যু থেকে সচেতন শুভ বুদ্ধির লক্ষণ। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা, মূর্খের মনবাঞ্ছা। মৃত্যুর সাথে লড়াই, গর্ধপের বড়াই। মৃত্যুরে ক্ষমতা প্রদর্শন,নিশ্চিত প্রহসন।  মৃত্যুর কাছে আত্মসমর্পণ মূর্খতার লক্ষণ। 24 অতঃ মৃত্যুরে কর জয়। মন থেকে দূর করে ভয় মৃত্যুরে করিতে জয়, কদাচিৎ মৃত্যুরে কোরনা ভয়। মৃত্যুরে করিত...

465>||-মৃত্যুর লীলা-||

465>||-মৃত্যুর লীলা-|| মৃত্যুলোকের অন্ধকারে, সুন্দর কোথা পাবে। সেথায় শুধু হাহাকার, স্পন্দন কোথা পাবে। মৃতের আত্মা ভ্রমে আঁধারে, নুতন সৃষ্টির তরে। অন্ধকরে প্রথিত হয় বীজ, নুতন সৃষ্টির তরে।।                      8 আজ মৃত্যু তোমারে নিয়েছে কোলে, তাইত তুমি  মৃত বলে গণ্য হলে। জন্ম,মৃত্যু উভয় ঘটে অকস্মাৎ, প্রকৃতির খেলা ছলে। প্রকৃতির লীলা জীবের ভবিষৎ, প্রকৃতির লীলা বলে। আজ পৃথিবীর কোলে শুয়ে আছো বেশ, আজও একলা নাই কোন স্পন্দন। সেদিনও ছিলে মায়ের কোলে শুয়ে একলা জন্ম দিনের প্রথম ক্রন্দন।।                  18 জন্ম ক্ষণে তুমি কেঁদেছিলে, মায়ের কোলে শুয়ে, হাত পা ছুড়ে,ছুড়ে। আজ মৃত্যুর ক্ষনে নিঃশব্দে, পৃথিবীর কোলে শুয়ে হাত প্রসারিত করে। সেদিন মা সহ সকলে হেসেছিল,  ছিল হাসি ও শশ্রু, সেদিনের সেই অশ্রু ছিল আনন্দাশ্রু।          আজ যেন কতো শান্তি, চির প্রশান্তি, তোমারে ঘিরিয়া সকলে শান্ত, সকলের চোখে বেদনা ভরা অশ্রু, তোমারে দিতে বিদায় বেদন...

464>||-মৃত্যুর আছে রূপ,রস,গন্ধ-।।

464>||-মৃত্যুর আছে রূপ,রস,গন্ধ-।। কে তুমি মৃত্যুর কোলে, মনেহয় শুয়ে আছো অনন্ত শয্যায়। চলেগেল অমৃতের কোলে,আমাদের ভুলে, লিখেছো তুমি কত কথা মন প্রাণ দিয়ে, সকলি প্রকৃতি ও মানুষ কে নিয়ে।          মৃত্যুকে দেখলে তুমি, তাই চলে গেলে।।      6     জানি আর হবেনা তোমার লেখা।  তোমার কলম,আর বলবেনা কথা। তুমি ছিলে মহান,ছিল অহঙ্কার, কিন্তু আজ তুমিও যাবে সেখানে, যেখানে গেছেন ওই কর্মকার, চর্মকার,কিংবা ঝাড়ুদার। আজ আর যাবেনা চেনা, কোনটি তুমি কোনটি চর্মকার। সকলেই মিলে মিশে একাকার। কোথায় খুঁজবে তোমার অহঙ্কার।।       16 মহা প্রস্থানে ব্রহ্ম লোকে,সকলে সমান। মৃত্যুর পরেও মৃত্যু লোকে সকলে সমান। প্রকৃতির কি অদ্ভুত খেয়াল, প্রাণ বায়ুর বিস্ময়কর খেয়াল।           20 জীবন কত ব্যস্ত,এতটুকু নাই সময় সস্তি, ব্যস্ত জীবন মৃত্যুতে চির শান্তি। মৃত্যুর কাছে পরাজিত জীবন, মৃত্যুই চির সত্য,তুচ্ছ এই জীবন। জীবনে যাকিছু যতটুকু করেছ সঞ্চয়, কত পরিশ্রম করে,অর্থ সঞ্চয়। সুখ ভোগ আনন্দ সকল অর্থ চিন্তা, স...

463>||-মৃত্যু বড়ই শান্ত -।।

463>||-মৃত্যু বড়ই শান্ত -।। মৃত্যু বড়ই নির্দয়, নির্দায়, শান্ত, মৃত্যু বলেনা কথা। মৃত্যুর খেয়ালে মৃত্যু নাচে, জীবনের বক্ষ অভ্যন্তরে। মুহূর্তে উৎপাটিত করে, জীব হতে জীবন।            মৃতকে দেখেছি। মৃত্যুর মুহূর্তেও দেখেছি। আগেও দেখেছি,পরেও দেখেছি। শেষ নিঃশ্বাস টুকুও দেখেছি।.                    কিন্তু মৃত্যু কে দেখিনি। মৃত্যু বড়ই নির্দয়,নির্দায়,শান্ত, মৃত ততোধিক  শীতল,শান্ত। মৃত্যু যখন ডাকে যাহারে, কেউ যায় কেঁদে কেঁদে, কেউ হাসতে হাসতে, কেউ কিছু বুঝবার আগে। কেউ জানেনা সে কবে যাবে।।              যারা আজ তোমাকে, ঠেলে দিচ্ছে নীচে ফেলে। কালেই হয়তো,তারাই তোমাকে, অনেক সাদরে,কাঁধে তুলে নেবে ।            কে জানে কবে,কার হবে শেষ দিন। হতে পার তুমি পালোয়ান,কিম্বা মহান, হয়তো কবি,নয়তো লেখক। লিখেছো তো কতকি কতো কিছু নিয়ে। এই প্রকৃতি রে নিয়ে, মৃত্যুর পরে কি হবে? আর কি লেখা হবে? তোমার লেখা কি বলবে, মৃত্যু কেমন?কি তার রঙ? ...

462>||-মৃত্যু-||

462>||-মৃত্যু-|| মৃত্যু বড়ই নির্দয়, নির্দায়, শান্ত, মৃত্যু বলেনা কথা। মৃত্যুর খেয়ালে মৃত্যু নাচে, জীবনের বক্ষ অভ্যন্তরে। মুহূর্তে উৎপাটিত করে, জীব হতে জীবন।            মৃতকে দেখেছি। মৃত্যুর মুহূর্তেও দেখেছি। আগেও দেখেছি। পরেও দেখেছি। দেখেছি শেষ নিঃশ্বাস টুকুও নিতে দেখেছি।.                    কিন্তু মৃত্যু কে দেখিনি। শুনেছি মৃত্যু বড়ই শান্ত। মৃত ততোধিক শান্ত শীতল। মৃত্যু ডাকে যাকে, কেউ যায় কেঁদে কেঁদে, কেউ হাসতে হাসতে, কেউ কিছু বুঝবার আগে। কেউ জানেনা সে কবে যাবে।।        যারা আজ তোমাকে, ঠেলে দিচ্ছে নীচে ফেলে, কালেই হয়তো, তারাই তোমাকে, অনেক সাদরে, তুলেনেবে কাঁধে।            কে জানে কোনদিন, কার হবে তিরোধান। হতে পার তুমি পালোয়ান, কিম্বা মহান, হয়তো কবি, নয়তো লেখক। লিখেছো তো কতকিছু, কত কিছু নিয়ে। এই প্রকৃতি রে নিয়ে, মৃত্যুর পরে কি হবে? আর কি লেখা হবে? তোমার লেখা কি বলবে, মৃত্যু কেমন? কি তার রঙ, কেমন সুন্দর? নাকি ভয়...

461>||-জীবনের লড়াই-।।

461>||-জীবনের  লড়াই-।। পৃথিবী হয়ে গেছে ছোট, ইলেকট্রনিক্স, ইন্টারনেটের ফাঁদে। বিশ্বব্রহ্মান্ড নেমে এসেছে, হাতের মুঠোয় 4জী,5জী - - -তে, মানুষ ছুটছে পাগল প্রায়, ভাবনার তাড়নায়। বর্তমান সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে, নুতন জিজীবিষাতে।        এহেন উৎপীড়নে, জীবনে চলছে লড়াই। প্রতি পদে চলছে লড়াই। লড়াই,লড়াই,লড়াই, লড়াই করেই বাঁচতে হয়। লড়াই ভিন্ন বাঁচার উপায় নাই। "অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম", জানি চির সত্য।                        বাঁচার জন্য লড়াই, আচার বিচারের লড়াই।      চলছে শিক্ষা নিয়ে লড়াই, পরীক্ষা নিয়ে লড়াই। জাত পাত নিয়ে লড়াই, ভাতের জন্য লড়াই। মন্দির মসজিদ নিয়ে লড়াই, স্বার্থের জন্য লড়াই।.      চাকরির জন্য লড়াই, চিকিৎসার জন্য লড়াই।.            অস্ত্র নিয়ে লড়াই, বস্ত্রের জন্য লড়াই। কত কেরামতির লড়াই, সবার লড়াই শ্রেষ্ঠ লড়াই।        কে বলবে কোনটা সঠিক লড়াই। সঠিক সময়ে সঠিক লড়াই, বাঁচাতে পাড়ে কত জীবন।.  ...

460>||--বাঁচার জন্য লড়াই,--||

460>||--বাঁচার জন্য লড়াই,--|| আজ পৃথিবীটা যেন ছোট হয়ে গেছে। ইলেকট্রনিক্স ও ইন্টারনেটের দৌলতে, বিশ্বব্রহ্মান্ড  হাতের মুঠোয় এসে গেছে। তথাপি মানুষ ছুটছে ভাবনার তাড়নায়, বর্তমান সমাজে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে, নিত্য নুতন আকাশ চুম্বী ভাবনার তাড়নায়। এহেন তাড়নায় জীবনে সতত চলছে লড়াই। প্রতি পদক্ষেপেই চলছে লড়াই। কেউ করে বাঁচার জন্য লড়াই, কেউ করে আচার বিচারের লড়াই।      সকলেই ব্যস্ত সতত চলছে লড়াই, বাঁচতে হলে করতেই হবে লড়াই।.        চলছে শিক্ষা নিয়ে লড়াই, পরীক্ষা নিয়ে লড়াই। কখনো চলে জাত পাত নিয়ে লড়াই, কোথায় আবার ভাতের জন্য লড়াই। মন্দির মসজিদ নিয়ে লড়াই, কোথাও চলছে স্বার্থ নিয়ে লড়াই।.      আবার চাকরির জন্য লড়াই, কোথাও চিকিৎসার জন্য লড়াই।.            অস্ত্রের লড়াই, বস্ত্রের লড়াই। ভন্ড সাধুদের কেরামতির লড়াই। সবার কাছে নিজেরটি শ্রেষ্ঠ লড়াই, কে বলবে কোনটা সঠিক লড়াই। সঠিক সময়ে সঠিক লড়াই বাঁচাতে পাড়ে কত জীবন।.        লড়াই তো সমাজ জীবনের অঙ্গ, সময়ের লড়াই সময়ে,এটাইত সঙ্গত...

459>||-জীবন ভাবনার অধীন-||

459>||-জীবন ভাবনার অধীন-|| ভাবনার অধীন জীবন ধায়, জীবনের বেগ ভাবনার প্রেরণায়। ভাবনা গুলো হলে সুন্দর যথার্থ, জীবন হবে সুন্দর সার্থক যথার্থ। মস্তিষ্কের কর্মকুশলতা ভাবনার অধিক, মস্তিষ্কের কার্য জটিল ততোধিক। নাকারত্মক ভাবনায় জীবন দুর্বিষহ, অন্ধকারকে খুঁজলে অন্ধকারেই হারায়। হেঁসে খেলে আনন্দে কাটালে জীবন, সুন্দর চমৎকার সার্থক হবে জীবন।।    চিন্তায় চিন্তায় কাটালে জীবন, বারন্ত চিন্তায় কুপোকাত হবে জীবন। পরনিন্দা পরচর্চায় কাটালে জীবন, সে জীবন হয় উৎপাতের  জীবন। আলোয় বসে অন্ধকারকে দেখলে, অন্ধকার গভীর গাঢ় দেখায়। অন্ধকারে আলো জ্বেলে দিলে, অন্ধকার দূর হয়ে আলোকিত হয়।.    কেন এতো চিন্তা ভাবনা, জীবন হবে তেমনি যেমনি ভাবনা।        সার্থক চিন্তা যথার্থ পজেটিভ ভাবনা, জীবন আলোকিত করে সুন্দর করে। জীবন যুদ্ধের দৌড় সফলতার জন্য, সফল জীবনের গরিমা শ্রেষ্ঠ অনন্য।।        ||""--©--●অনাথ●---""|| ||-anrc-22/05/2018--|| ||=01:20:12am===24 L=|| ,

458>||-সর্বংসহা ধরিত্রী-||

458>||-সর্বংসহা ধরিত্রী-|| তুমিত সর্বংসহা ধরিত্রী, সর্ব ভূত তোমার উদরে স্থিতি। তুমি জননী রূপে রচাও নব সৃষ্টি, আনন্দিত হৃদয়ে সর্বদা তোমার দৃষ্টি। তোমার করুনার উদরে রোপিত হয় বীজ, বীজের অন্তরে লুক্কায়িত জীবন। তোমার স্নেহে বীজে হয় অংকুরোদ্গম, ফলে ফুলে সুশোভিত হয় ভুবন। আজ যে মানুষ দাপিয়ে চলেছে, তোমার বুকে অহঙ্কারে পদাঘাত করে। একদিন হবে স্তব্ধ তোমারই বুকে, পঞ্চ ভূতে হবে লীন প্রকৃতির সাথে। তুমিই সৃষ্টির কারন, তোমাতেই নাশ, তোমার হৃদয় স্নেহ ভরা করুণা ময়। তুমি সৃষ্টি, স্থিতি, বিনাশের কারণ, অশুভের নাশ,শুভ কে দেও স্বরণ। তুমি সর্বংসহা তুমি,চির নীরব সাক্ষী, সহ্য কর তুমি আমাদের সকল অত্যাচার। শুধু সময়ের অপেক্ষায় তুমি নীরব জানি, তোমার প্রলয় নৃত্যে ধ্বংস হবে অত্যাচারী। ||""--©--●অনাথ●---""|| ||-anrc-19/05/2018--|| ||=03:41:02am===20 L=||

457>||-প্রকৃতি তো অনেক পাল্টে গেছে।+ ( 1 to 5 )

457>1> প্রকৃতি তো অনেক পাল্টে গেছে।           2>কোরোনা কাউকে সেবা, উপকার           3>||-জীবনে চলার পথে,সফলতা পেতে-||           4.>মৃত্যুকে কেন করো ভয় এতো,           5>এইতো আর কয়েকটা দিন মাত্র, =================================== 1> .।।প্রকৃতি তো অনেক পাল্টে গেছে।।- প্রকৃতি তো অনেক পাল্টে গেছে // তাই প্রকৃতির প্রকৃত বসন্ত // আসুক বা না আশুক // মন যেন বসন্ত কে না ভোলে। // মনের বসন্ত ই তো আসল // বসন্ত। // লাগলে মনে বসন্ত্রের হাওয়ার দোল // শুদ্ধ হবে মন দূর হবে মনের সকল // গ্লানি, সকল দুঃখ যাবে দূর। // ।।-©➽---ANRC--01/04/2017-------।। ||==================||  ============================ 2>কোরোনা কাউকে সেবা, উপকার কোরোনা কাউকে সেবা, উপকার, করো নিজের কর্তব্য যা দরকার। কেহ নয় যে পর কেউ নয় আপন, তবুও সকলকেই অতি প্রয়োজন। রাগ,দ্বেষ,অহঙ্কার সর্বদা বলীয়ান, তিনদিগে তিন শত্রু সদা বিদ্যমান। এহেন শত্রুদের বর্জন নিজ কল্যানে, আত্মার আত্ম শুদ্ধি হয় এদের বর্জ্যনে। ||--©➽-ANRC:::08...

456>||--আজকের খবর--||

456>||--আজকের খবর--|| সেকি, জানেন না BBP র খবর। ভাগারের মড়ি উধাও। মর্গের লাশ কিডন্যাপটেড। ল্যাবের স্যাম্পেল সকল, ঘিলু আর লিভার সকল, দিনে দিনে হচ্ছে বেপাত্তা। সব নাকি যাচ্ছে সাপ্লাই হোটেলে বস্থা বস্থা। শকুন, শৃগাল, কুকুর, ভয়ে যায়না ভাগাড়ে। মানুষের ভয়ে ভীত সকলে, কেউ আর যায়না ভাগাড়ে। শকুন কয় শকুনিরে , আমরাইত দেখতে পেতাম সেই বহুদূর থেকে ভাগারের লাশ। এখন মানুষ কিকরে পৌঁছয় আগে। শকুনি কয় আরে এ সকল, গুগুল সার্চের গেরা কল। তাহলে এখন উপায়, আমরা খাব কি? আমরা আজ লুপ্ত প্রায়, ভাগাড়ইত ছিল একমাত্র, যেখানে আমাদের খাবার জুটত। সেই ভাগারও হোল হাত ছাড়া। নাই আর উপায় আমাদের মড়া ছাড়া। ||"'"""'' -----©--●অনাথ●-------""""""'|| |--anrc-----18/05/2018:-----------|| ||=======02:41:52 am======|| (বিঃ দ্রঃ---BBP=ব্যাচেলর অফ ভাগাড় পোর্ট।)

455>||-একটু কথা-||

455>||-একটু কথা-|| কে শুনবে আমার কথা, কার আছে মাথা ব্যথা। তথাপি বলি কিছু কথা, কিছু ভাবনার কথা। কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু মনের কথা। জীবনদিয়ে জীবনকে চেনা জীবনের স্বার্থকতা। আমরা অনেক জানি, তবুও অনেক বেশি না জানি। সময়ে সময়কে না বোঝা জীবনের বাড়ে বোঝা। সময়ে সময়ের মূল্যায়ন, অতি প্রয়োজন। জীবন তো এই একটু খানি, সময়ের মূল্য অনেক খানি। জীবনের সময়কে বুঝতে না পারা, জীবনের প্রত্যক্ষ বিড়ম্বনা। ||""""'" -----©--●অনাথ●-------""""""'|| ||--anrc-----18/05/2018:-----------|| ||=======01:41:52 pm======||

454>||-কে পাগল আর কে ছাগল-++আহাম্মক কাহারে কয়-

454>.||কে পাগল আর কে ছাগল-||           2)||-আহাম্মক কাহারে কয়-|| ============================== 454>.||কে পাগল আর কে ছাগল-||17/04/2017:- কে পাগল আর কে ছাগল, তাতো জানিনা । হয়তো আমি ই পাগল,অথবা পাগল নই, কে বলবে সেকথা ? প্রমান কোথায়? থাক সে কথা । এবারে বলুন যে আপনিকি আমার মতে একমত! অর্থাৎ, 1=যেখানে জখোন, অন্যকে বুঝতে পারা হয় কুশকিল, সেখানে তখন নিজেকেই নিজে সামলে বুঝে নিতে হয়, খুশি মনে। এইটুকু কি আপনি মানেন? আবার যদি বলি-- 2=যে ব্যক্তির রাগ প্রচন্ড, তাঁর ভালোবাসা ও হয় প্রচন্ড, হৃদয়,মন উভয় তাঁর সরল প্রচন্ড। এখন কথা হোল যে আপনি কোনটা মানবেন। 1 নম্বর নাকি 2ননম্বর? নাকি কোনটাই নয়?? আমি কিন্তু দুটোকেই মানি ভীষণ ভাবে। তবে চাই শান্তি। আর ওই শান্তি বজায় রাখতে গিয়ে, এই সময় নিজেকে নিজে সরিয়ে রাখতেই লেখা বন্ধ রাখছি। ||--©➽-ANRC-----17/04/2017:::05:37:12---|| ||============================|| ================================================ 2)||-আহাম্মক কাহারে কয়-||13/04/2017-- to 454 ||-নির্বোধ চেনার কি উপায়।-|| নির্বোধ সেই হয়---14গুণ--যার // 1●- কখন...

453>||-নামের ফেরে-||

453>||-নামের ফেরে-|| নামের ফেরে সবাই ফেরে, নাম নিয়েই ব্যস্ত। যতই দেখ যতই শোন, কতই যেন ব্যস্ত। শহর বাসী সবাই মোরা, নাম কামাতে ব্যস্ত। ঘরে বাইরে সকল স্থানে, নামের ফেরে ব্যস্ত। নামটাই যে চাই আগে ভাগে, নাম ছাড়া বৃথা ধর্ম কর্ম, নাম কামানই আসল কর্ম। কাজ করি যতোটা, চিন্তা বেশি ততোটা। কেউ দিচ্ছে কিনা বাহবা। নামের ফেরে জীবন হল কাল, হোকনা কাল, নামটা হলেই হল। নাম কমাতে জীবন অন্ত, ফন্দি ফিকিরের নাই অন্ত। হলেই হল নামটা হলে, আর সব যাক যাচ্ছে ভোগে। নামের ফেরে ব্যস্ত জীবন, নাম ছাড়া আর কাটবে কেমন। ইষ্ট নাম করি কখন, নিজের নামেই ব্যস্ত। ইষ্টতো সকল বোঝেন, তাঁরইত সকল সৃষ্ট। নামকামাতে ধামে ভ্রমন, ভ্রমন শেষে প্রচার তেমন। ভক্তি শ্রদ্ধা যেমন তেমন, দেখি নামের প্রচার হল কেমন। নাম হলেই সবটা হবে, অহঙ্কারটাও বেড়ে হবে। সকাল সন্ধ্যা হম্বিতম্বি । নামের চাহিদা আকাশ চুম্বী।P এইতো হল নামের ফের, সকল চিন্তার রকমফের। ||""""'" -----©--●অনাথ●-------""""""'|| ||--anrc-----17/05/2018:-----------|| ||=======09:23:40 pm====...

452>|| বেঁচে থাকার লড়াই ||

  452>|| বেঁচে থাকার লড়াই ||                <--©➽-আদ্যনাথ--> বেঁচে থাকার জন্যই লড়াই, এ লড়াই চলছে, চলবে । কে বলতে পারে, কোথায় কবে, কি ভাবে , এই লড়াইয়ের শেষ হবে। এক অন্তহীন যাত্রায় আমরা যাত্রী, এক সাথে সকলে তবুও সঙ্গী হীন,যাত্রী। মনেহয় সকলেই চেনা জানা, কিন্তু মুখ গুলি যেন অজানা অচেনা। মনেহয় কেউ বুঝি কিছু বলতে চায়, কাছে এসেই কেমন যেন হারিয়ে যায়। চিনেও নাচেনার ভাব দেখায়, মনেহয় কিছু খুঁজে বেড়ায়। আসলে বলবার ভাষাইতো খোঁজে, কিছু বলবার ইচ্ছা হয়তোবা থাকে। মনে হয় কিছু বলতে চায়,  বোধহয় মনের কথা খুঁজে বেড়ায়। তাকিয়ে থাকে জানালা দিয়ে, ঐ নীল আকাশের দিগে।  দিন কাটেনা,রাত কাটেনা, পুরণো স্মৃতি গুলি ভুলতে পারিনা। রাতের অন্ধকার ঘিরে ধরে, স্বপ্ন গুলি হাতছানি দিয়ে ডাকে। ভোরের আকাশে সূর্য্য দেখি, প্রাণ ভরে নিঃস্বাস নিয়ে। দিনভর শুয়ে বসে কাটে, বদ্ধ ঘড়ে মন ছট ফট করে। কাছের মানুষ যারা আছে দূরে, সেই মানুষ গুলির জন্য মন কেমনকরে। এই গৃহ বন্ধি তো চলতেই থাকবে, আমাদের বাঁচবার তাগিদে। অনেক কিছুই নুতন করে শিখতে হবে, অনেক কিছুই নুতন করে জানতে হবে।  মনে পড...

451>||-1>Priority=+2>অগ্রাধিকার--||

451>1>||-Priority+=             2>অগ্রাধিকার--|| ============================== 451>1>||-Priority+= 1>অগ্রাধিকারের চাহিদায় থাকে অহঙ্কার, চাইলেই কি পাওয়া যায় অধিকার ? অধিকারের চাহিদা সহজ। অধিকার পাওয়া হয় না সহজ। সৃষ্টির কাল থেকেই অধিকারের লড়াই, প্রাণী মাত্রেই করে অধিকারের বড়াই। দেশে থাকুক যতই অধিকারের আইন, অধিকারের নিমিত্তে সতত চলছে লড়াই। অধিকার,অগ্রাধিকারের অহঙ্কার, সকলি সমাজ বদ্ধ জীবের অলঙ্কার। আমাদের মৌলিক অধিকার  আবার মানবাধিকারের মূলভিত্তি। নাগরিকের নৈতিক দায়দায়িত্ব আবার মৌলিক কর্তব্যের মূলভিত্তি। মানবাধিকার তো জন্মগত অধিকার, আইনি স্বীকৃত হয় মৌলিক অধিকার। বর্তমান সমাজে অর্থের বড় অহঙ্কার, অর্থের মানদন্ডে করি ঐশ্বর্যের বিচার। সকল ঐশ্বর্যের সূত্রপাত ও ভান্ডার মস্তিষ্কে, ঐশ্বর্যের বিচার বুদ্ধিমত্তাতে , অর্থ সম্পত্তিতে নয়। অর্থ সম্পত্তি ক্ষনিকের নিমিত্তে, মস্তিষ্ক প্রসূত ঐশ্বর্য যথার্থ প্রয়োজনের স্বার্থে। ঐশ্বর্য,অর্থ দিয়ে হয়না অগ্রাধিকার প্রাপ্য, অগ্রাধিকারের মান শিক্ষা বুদ্ধিতে গ্রা...

450>||--কালের প্রবাহ--||--

450>||--কালের  প্রবাহ--||- আজ বহুদিন পড়ে, খুঁজে পেলাম হঠাৎ করে। সেই ফেলেআসা মুহূর্ত গুলি, বিশেষ মুহূর্ত গুলি::------ কিছু মনের,কিছু সন্ধি ক্ষণের, কিছু ভেঙ্গে যাওয়া ক্ষণের। কিছু অভিমানের, কিছু আনন্দ উচ্ছ্বসিত ক্ষণের। কিছু অশ্রু জলের, কিছু বেদনা ভরা ক্ষণের।    সেদিন তো অনেক ভাবিয়ে ছিল ধীরে, কিছু স্মৃতির দুয়ারে কড়া নেড়ে। তবুও ভাবনা গুলির হয়নি বিন্যস্ত, দিনগুলি বুঝি ভাবনার জন্যই ছিল ব্যস্ত। দিনরাত শুধুই চিন্তার জাল বুনতো, চিন্তার স্রোত ভাবনার অলিগলি খুজতো। জীবনের সেই বিশেষ ব্যস্ত মুহূর্ত গুলি, একান্ত গোপন সেই মুহুর্ত গুলি। যৌবন তখোনো ছড়ায়নি গন্ধ, প্রেমের ভাবনা ছিল মৃদু মন্দ। প্রেম তখোন খোলেনি দুয়ার, প্রেম ছিল স্বপ্নের সেই রাজকুমার। অনুভব ছিলনা শরীর তত্ত্বে, হঠাৎ খেলা ছলে অজান্তে। কামার্ত যুবতীর খেলা ছলে আলিঙ্গন, ভাসিয়ে দিয়ে গেল মনের অঙ্গন।          নারীর আত্মসমর্পনের সেই মুহূর্তের নির্যাস, যেন সদ্য প্রস্ফুটিত ফুলের অপূর্ব সুবাস। বিহঙ্গ মিলন দেখে ছিলাম কৌতুহলে, কপোত কপোতীর মিলন মুহূর্ত খেলা ছলে। মনেপরে সেই মুহূর্ত...

449>||--অহঙ্কার ও সমাজ--||

449>||--অহঙ্কার ও সমাজ--|| আমাদের অহঙ্কার আমরা জানি, সূর্য চন্দ্রকে দেবতা মানি। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের গ্রহ নক্ষত্রকে জানি, যা জানি তাঁর থেকে বহুগুণ নাই জানি। তবুও করতে ছাড়িনা অহঙ্কার, অহঙ্কারই  যেন আমাদের অলঙ্কার। অহঙ্কারের গভীর গহ্বর, নিত্য নূতনের অধিকার। আমাদের প্রেম ভালোবাসার অধিকার, জানানাই তার প্রতিকার, অধিকার ওই নারী মনের অধিকার। নারী হৃদয় করে ক্রন্দন, জানে ভেঙে চুর চুর হয়ে যেতে সর্বক্ষণ। তবুও বোঝেনা সে তাঁর অধিকার, তাইত নারী ভেঙে যায় বার বার। নারী বোঝেনা তার ঈপ্সা, নারী জানে নারী কে করতে ঈর্ষা। নারী মন বোঝে ভালবাসা, তাঁর মনের গভীরে কত আশা। কিন্তু বোঝেনা তাঁর অধিকার, বুঝতে চায়না কোন প্রতিকার। নারী মন নদীর স্রোতের মতন, বয়ে যায় নীরবে সকল পার ছুঁয়ে। আবার ফেরে জোয়ারের টানে, হৃদয়ে নুতন জলরাশি বয়ে নিয়ে। বারে বারে  ফিরে আসে উত্তাল হয়ে, ভাটায় ফিরে যায় বিষণ্ন মলিন হয়ে। অফুরন্ত স্নেহ বাড়ি লয়ে যাওয়া আসা, নারী মনের অফুরন্ত আপ্লুত ভাল বাসা। নারী মন অতিষয় ব্যস্ত ব্যাকুল সর্বক্ষণ, হৃদয়ে মাতৃ সত্তা পূর্ন প্রেম রাখে অনুক্ষণ। নারী মন কেঁদে ভাসায় নিজের ...

448>||-ঈশ্বরের লীলা--||

448>||-ঈশ্বরের লীলা--|| হে ঈশ্বর তোমার লীলা বোঝাভার। সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয়ে তুমি নিরাকার। কখনো খেলিছো আন মনে। কখনো প্রকৃতিরে লয়ে। কখনো জীবন জীবনের জন্য। কখনো জীবনকে ধ্বংসের জন্য। তুমি শুদ্ধ,নিরাকার,নির্লিপ্ত, তুমি সৃষ্টি ও প্রলয়ে ভয়ঙ্কর উদ্দীপ্ত। তোমার লীলায় সৃষ্টি স্তম্ভিত, তোমার করুণা ধারায় সৃস্টি সম্পৃক্ত। সৃষ্টি সুখের আনন্দে প্রভু, সৃষ্টি সুখে উল্লসিত। খেলিছ, গাইছ, নাচিছ প্রভু, সৃস্টিরে করিছ উচ্ছসিত। তোমার সৃষ্টিতে জগৎ সৃষ্ট, সেথায় প্রকৃতির সম্পৃক্ত মান্য। প্রকৃতিরে করিছ ধন্য প্রভু, তাইতো তুমি জগৎ মাঝারে ধন্য। সৃজন শীলতার জন্য প্রভু, মানব সভ্যতারে করিছ ধন্য। মানব মানবীরে করিছ মোহিত, সৃষ্টির লীলায় মাতিয়েছ। বহুরূপে রচাইছ সৃষ্টি, সৃষ্টিতেই যেন তোমার একান্ত দৃষ্টি। প্রকৃতিরে ভরিছ নানা রঙে, সৃষ্টির নিমিত্তে প্রকৃতিরে রাঙিছ। এই নীল নীলিমায় নিলোৎপল সম, নীলাম্বরে নীলাম্বরী নীলাম্বু সম। উদ্ভাসিছ নীলকান্তের নীলমণি সম, নীলিমায় নীল তুমি নির্লিপ্ত অধ্যারূঢ় যেন। সৃষ্টির নেশায় উন্মত্ত হে উদাসী, উৎসর্জনে অধীর উদীচ্য উদীপ্ত। উদভ্রান্ত প্রাণীকুল উদ্বেলিত উ...

447>||--কৃষ্ণ চিন্তা--||

447>||--কৃষ্ণ চিন্তা--|| ধরাধামে ঈশ্বর পরম শক্তি সত্য, পরব্রহ্ম সদা স্থিত পরকাশে নিত্য। আনন্দময়ীর আনন্দ ব্রহ্মে মিলন, চিন্তানমি, কৃষ্ণ রূপের করে চিন্তন। পরব্রহ্মে রাখো অটুট বিশ্বাস, ধরা মাঝে তিনিই একমাত্র প্রকাশ। তাঁর আলোতেই আলোকিত ত্রিভুবন, তিনিই আলো ও অন্ধকারে চির যৌবন। এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড চিন্তা মনির এজলাস, সর্বদা চিন্তামনিতে রাখ অটুট বিশ্বাস। তিনিই মেটাবেন মনের সকল অভিলাষ, মনের সকল চিন্তা তাঁকে কর প্রকাশ। চিন্তামনি ই যোগাবেন জীবনের চিনি, আমাদের জন্য সদা ব্যস্ত চিন্তামনি। তাই সর্বদা চিন্তামনিতে রাখো বিশ্বাস, তিনিই দেবেন জীবনের আশ্বাস। অনন্ত সাগরে অনন্তনাগের ক্রোড়ে, শ্ৰীকৃষ্ণ বিরাজিছেন নারায়ণ রূপে। অনন্তসাগর জীবের হৃদয়ে রয়, কৃষ্ণ নামের মালা প্রাণ বায়ু বয়। হৃদ স্পন্দনে কৃষ্ণ নামের কম্পন, কৃষ্ণ নামের শোণিত প্রবাহ সর্বক্ষণ। পরা প্রকৃতির কেন্দ্র শ্রীকৃষ্ণ তে নিহিত, সমগ্র বিশ্ব ব্রম্মান্ড শ্রীকৃষ্ণে সমাহিত। নাম, জপ, ধ্যান, সকল যজ্ঞ, তপ, সকল চিন্তা ছেড়ে কৃষ্ণ নাম জপ। কৃষ্ণ নামেই হইবে জীবনের উদ্ধার, কৃষ্ণ নাম জপে হয় সকল প্রতিকার। কৃষ্ণ নামজপ সকলের অধিকা...

446>||||--ভ্যাগ্যাব্যান্ড--||----( 1--3)

446>||--ভ্যাগ্যাব্যান্ড--||-          2)||--ভবঘুরে মন--||          3)||-আমি এক ভবঘুরে-|| ========================== 446||--ভ্যাগ্যাব্যান্ড--||--20/09/2017::------- আরে নানা তোমরা ভ্যাগাবন্ড হবে কেন ? নিজেকে নিজে ভ্যাগাবন্ড বলবে কেন? ভ্যাগ্যাব্যান্ড কাকে বলে,হয় কি করে, এমন তথ্য ক-জন জানে? তবে বলি শোনো--------- ভ্যাগ্যাব্যান্ড তো রাস্থায় ছেড়ে দেওয়া ঘরের পোষা গরু। দুধের প্রয়োজনে ঘরে টেনে আনে, যাবনা খাওয়ায়, আদর করে,গা ঘষে দেয়। দুধ দুইয়ে আবার রাস্তায় ছাড়ে দেয়, বেড়ায় চড়ে। পথে ঘাটে বনে বাদারে আপনমনে। তোমাদের তো সবে চলা শুরু, এই পথ চলতে তো হবেই ভায়া। জখোন হাঁপিয়ে স্বপ্ন দেখতে করবে শুরু, খুঁজবে পথে নিরালায় একটু গাছের ছায়া। জল তেষ্টায় নয় মিনারেল, পথের কল খুঁজে খুঁজে হাঁপাবে কেবল। শেষে নিরুওয়ায় হয়ে পথেই পড়বে বসে, আকাশ পাতাল কতকি ভাববে বসে বসে। এটাইতো ভ্যাগ্যাব্যান্ডের জীবন কথা, জানেনা আনন্দ,সুখ কোথায় ব্যাথা। আসে পাশে পথিকের কত কথা শুনবে, দুই কানও মন দিয়ে শুধুই শুনবে। নিজের অতীতকে মনে মনে গুনবে, সেই দিনগুলি স্বপ্ন মনে মনে আঁকবে। পরিশ্রান্ত দেহে...

445>||--প্রণাম বিশ্বকবিরে--|| +1-

445/1>||--প্রণাম বিশ্বকবিরে--|| হে বিশ্বকবি, লহো আমার প্রণাম। তুমিত মহা সমুদ্র হতেও মহান, বিজ্ঞান সক্ষম মাপিতে সমুদ্র তল, তুমিত  বিরাম হীন অতল নাই তল। কি রূপে তোমারে করিব প্রণাম, জানানাই চরণ তোমার পাই কোথা। তবুও সাধ জাগে মনে, তোমার চরণ স্পর্শ করি বারে, বিশ্বজোড়া তব পদ যুগল, আমি কেমনে খুঁজে সেই পদ তল। তাই দূর হতে করি প্রণাম, অধমেরে করিও ক্ষমা, তুমি তোমার মহানুভবতা দিয়ে। আজ ২৫শে বৈশাখে, মনের পট ভূমিতে, কল্পনার নিরিখে, দেখলাম তোমার শান্তিনিকেতন, আজও অম্লান তোমার অবদান। আজো শুনতে পাই তোমার পদ ধ্বনি, কান পেতে শুনি তমার গুন গুন ধ্বনি। গিয়ে ছিলাম জোড়াসাঁকোতে তোমার পৈতৃক গৃহ ভূমিতে, হেরিটেজের কল্যাণে সেজেছে গৃহ, তোমার স্মৃতিরে রেখেছে যত্নে। কিন্তু কোথায় সেই প্রাণ তো আর নাই, দেখলাম কত পট,আস বাস,মঙ্গল ঘট, সুসজ্জিত গৃহ কোন,করেছে যতন, তথাপি পাইনি খুঁজে সেই আগের প্রাণ। মানুষের আকাঙ্খী মনের তীব্র বেগ, খরস্রোতা নদীর মতন ধায়। সমাজ সংসারের প্রগতির গতি, জীবন নিত্য নুতন পথ খুঁজে নেয়, যেদিকে তাঁর মন চায়। কেউ সঠিক পথ খুঁজে পায়, কেউ দিশাহীন হয়ে পথ হারায়। নির্...

444>||-চিত্তে চৈতন্য-||-

 444>||-চিত্তে চৈতন্য-|| আমিত্ব সকল দ্বন্দ্ব সংঘাতের মূল, আমিত্ব অহেতুক অহঙ্কারের মূল। আমিত্ব অহং সর্বস্ব ভাবে গর্বিত শ্ৰেষ্ঠ, আমিত্ব ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে হতেচায় সর্বশ্রেষ্ঠ। চেতনা চৈতন্যের শুদ্ধাচার, মাতৃ ভক্ত রামপ্রসাদের বিচার। তাঁর সাধনার শুদ্ধ বিচার সমাজ কল্যানে, সমাজবদ্ধ জীব মানুষের মুক্তির কল্যানে। জীব মাত্রেই শিব এমন সুন্দর ভাবনা, পরমহংস রামকৃষ্ণ দেবের সিদ্ধ সাধনা। ঋত শুদ্ধ সাধকের একান্ত প্রচেস্টা, মানুষের শুভচেতনার উন্মেষের চেস্টা। মানুষের কল্যানে দিয়েছেন আত্ম বলিদান, সমাজ উদ্ধারের তরে করেছেন জীবন দান। 'শিবজ্ঞানে জীবসেবা' চৈতন্য বোধের জ্ঞান, এমন সহজ সহৃদয় শিক্ষা করেছেন প্রদান। 'শিব জ্ঞানে জীবসেবা' যুগশ্রেষ্ঠ বিচার, চিত্তে চৈতন্যের উদয় ব্রহ্ম নিরাকার। চিদ্রূপ চিদানন্দ বিরাজিত চিদাকাশে, জ্ঞানচক্ষ্যে  উদ্ভাসিত পূর্ণ ইন্দু পরকাশে। সর্ব ধর্ম শ্রেষ্ঠ বন্দিত জীবের কল্যাণে, ধর্ম মাত্রেই প্রচারিত সত্য মনুষ্য কল্যাণে। প্রত্যেকে করিলে পরের তরে সেবা ধর্ম হয়, সমাজ ও প্রকৃতির কল্যাণ মানুষের ধর্ম হয়। স্বার্থ চিন্তা স্বার্থ লাভ লোভের কারন, কামনা...

443>||- খেয়ে নিন বিরিয়ানি-|

443>||--*||- খেয়ে নিন বিরিয়ানি-||* খেতে চান কি বিরিয়ানি, মুখে মেখে বসুন মুলতানি। আতর হবে সুলতানি, তবেই মজার বিরিয়ানি। বেশি খেলে ভয় নাই, বিরিয়ানিতে নাই কাই। যতো ইচ্ছা ততো খাই, পেট করুক ঢাই ঢাই। বিরিয়ানির গন্ধ, সকলের পছন্দ। গন্ধটি নয় মন্দ, হয় যদি পছন্দ। অবাক করা বিরিয়ানি, আনন্দে খেতেন রাজ রানী। স্বাদের রাজা বিরিয়ানি, শাজাহানের আমদানি। শাজাহানের খাসনামা জানি, জানতেন বিরিয়ানির কার দানি। 101 রকম বিরিয়ানির হয় বিক্রি, স্বাদেও গন্ধে রকমারি হেরা ফেরি। বিরিয়ানি খেয়ে করলে বমন, চোদ্দ পুরুষের হবে নরকে গমন। বিরিয়ানি খেত করলে ঘেন্না, জীবনে  ধরতে পারবেনা পেন্না। জানাউচিত বিরিয়ানির ইতিহাস, ব্যাপারটাকে করবেন না উপহাস, নাসির উদ্দিন খিলজি, খেতেন বিরিয়ানি আর কলজি। পড়েনিও বিরিয়ানির উইকিপিডিয়ে, বিরিয়ানি হয় তৈরি কি কি দিয়ে। শুদ্ধ পশুর লালচে ঘিলুদিয়ে, আজব বিরিয়ানি হয় জমিয়ে। ইতিহাসের দিলাম একটু ছোয়া, পুরো জানতে লাগবে বৎসরসোয়া। ভালো বিরিয়ানিতে ঠোঁটের ছোয়া, আগে মুখে দিয়ে তারপর ছোয়া। অলীক স্বপ্নের মতন বিরিয়ানি, হোটেলের বিভিন্ন কারদানি। বাঙালির প্রিয় রাইস পোল...

442>||--জীবনের কিছু কঠিন সত্য--||--(1to 2 )-

442>||--জীবনের কিছু কঠিন সত্য--||--(1to 2 ) 1>||--জীবনের কিছু কঠিন সত্য--|| 2>||-जिन्देगिकी एक सच--|| ========================== ||--জীবনের কিছু কঠিন সত্য--|| জীবনের কিছু কঠিন সত্য, বিশ্বাস ও অবিশ্বাসে নিহিত। সঙ্গদোষে,ভুল মানুষকে করে বিশ্বাস, জীবনে ভোগ হয় অর্ধাংশ দুঃখ। তদ্রুপ জীবনে অর্বাচীনের মতন, সঠিক মানুষকে করে অবিশ্বাস, জীবনে ভুক্ত হয় শেষ অর্ধাংশ দুঃখ । আমাদের নিত্য ব্যবহার্য আয়না, জীবনে বিশেষ শিক্ষা কি দেয় না? অতি ভঙ্গুর, অতিশয় কমজোর, সদাই দেখি তারে কিন্তু ভাবিনা কি অদ্ভুত তার স্বভাব। সেই আয়না,যে কখনই দেখায় না মিথ্যা, হয়েও কমজোর সত্য প্রকাশে অটল। পশুরাও বোঝে কে তারে ভালবাসে, আমরা বুঝিনা,বুঝেও দেখিনা, কে ভাল আর কে মন্দ বিচার করিনা। নিজের অহঙ্কারে সদাই থাকি মত্ত, একান্ত এই প্রকৃতি তাঁকেও দেই না মাহাত্ম্য। সর্বদা প্রকৃতিরে করে চলেছি ধ্বংস। ||---anrc----04/05/2018-----------|| ||========================|| 2>||-जिन्देगिकी एक सच--|| हमारे सोच एक मामूली, बदल सकते हैं हमारे जिन्देगि। जीबन तो शुख दुख की मिलन खेत्र, बिश्वास, अविश्वास में ...

441>||--পোড়াগঞ্জের হাট--||*D

441>||--পোড়াগঞ্জের হাট--|| আমি নই কবি নই নবী, আমি লিখতে ভালবাসি। কারুর ভাল লাগলে, Fb w'app তে জানতে পারি। তবে যা মনে হয় বা দেখি তাই লিখি, জানিনা ছন্দ জানিনা কাব্য কলা। ভালো নাও লাগতে পারে আমার বলা। সেদিন গিয়ে ছিলাম পোড়াগঞ্জের হাটে, সকাল থেকেই বসেছে হাট। টাটকা সাগ সবজির চলছে বেচা কেনা। হরেক রকম খেলনা পুতুল,ঝিল্লি মিঠাই, সপ্তাহে দুইদিন হাটে জড়ো গ্রামের সবাই। খোশ গল্প হাসি ঠাট্টা, বিড়ির টানে মজেছে সবাই। অনেকেই দেখি নেশায় মত্ত, বাংলা চোলাইর নাই অন্ত। সকল মানুষের খোশ মেজাজ, বেসাতীর বাড়ছে আওয়াজ। বাচ্ছা বুড়ো সকলে বেজায় খুশি, দিন ভর চলছে বেচা কেনা যার যেমন খুশি। যেখানে এখনো গাড়োয়ান গরুর গাড়ী হাকে। আসছেন মোড়ল মশাই গরুর গাড়ী হেকে, গরু চলেছে  ঘাড়ে নিয়ে মোড়লের বোঝা। বিশাল বপু নিয়ে আরামে বসে গদিতে, একজন পাখা নাড়ছেন অতি সাবধানেতে। গাড়োয়ান হাকছে গাড়ী চাবুক দিয়ে পিটিয়ে, ছাড়ছেন হাক ডাক গরুর লেজ মুড়িয়ে। গরু দুটি ছুটছে গরমে হাঁপিয়ে, গরুর গাড়ি ছুটছে রাস্থা কাঁপিয়ে। লোহার চাকা দুটি ক্যাচ ক্যাচ আওয়াজে, সকলেই ভীত সন্ত্রস্থ মোড়লের ভয়েতে। গাড়োয়ানের হাক ডাক চাবুকের ঘাঁ...