445>||--প্রণাম বিশ্বকবিরে--|| +1-

445/1>||--প্রণাম বিশ্বকবিরে--||

হে বিশ্বকবি,
লহো আমার প্রণাম।
তুমিত মহা সমুদ্র হতেও মহান,
বিজ্ঞান সক্ষম মাপিতে সমুদ্র তল,
তুমিত  বিরাম হীন অতল নাই তল।
কি রূপে তোমারে করিব প্রণাম,
জানানাই চরণ তোমার পাই কোথা।
তবুও সাধ জাগে মনে,
তোমার চরণ স্পর্শ করি বারে,
বিশ্বজোড়া তব পদ যুগল,
আমি কেমনে খুঁজে সেই পদ তল।
তাই দূর হতে করি প্রণাম,
অধমেরে করিও ক্ষমা,
তুমি তোমার মহানুভবতা দিয়ে।
আজ ২৫শে বৈশাখে,
মনের পট ভূমিতে,
কল্পনার নিরিখে,
দেখলাম তোমার শান্তিনিকেতন,
আজও অম্লান তোমার অবদান।
আজো শুনতে পাই তোমার পদ ধ্বনি,
কান পেতে শুনি তমার গুন গুন ধ্বনি।

গিয়ে ছিলাম জোড়াসাঁকোতে
তোমার পৈতৃক গৃহ ভূমিতে,
হেরিটেজের কল্যাণে সেজেছে গৃহ,
তোমার স্মৃতিরে রেখেছে যত্নে।
কিন্তু কোথায় সেই প্রাণ তো আর নাই,
দেখলাম কত পট,আস বাস,মঙ্গল ঘট,
সুসজ্জিত গৃহ কোন,করেছে যতন,
তথাপি পাইনি খুঁজে সেই আগের প্রাণ।

মানুষের আকাঙ্খী মনের তীব্র বেগ,
খরস্রোতা নদীর মতন ধায়।
সমাজ সংসারের প্রগতির গতি,
জীবন নিত্য নুতন পথ খুঁজে নেয়,
যেদিকে তাঁর মন চায়।
কেউ সঠিক পথ খুঁজে পায়,
কেউ দিশাহীন হয়ে পথ হারায়।
নির্জলা নদীর মতন শুকিয়ে যায়।
হে কবি,
আমি পথ হারা এক শুষ্ক জল রেখা,
বহুকাল আগেই গেছি শুকিয়ে পথ হারিয়ে,
এখন শুধুই কাঁকর মিশ্রিত বালুকা ময়।
নালাগে কোন মাঠে, নালাগে পূজায়।
আমি পথহারা এক হতভাগা,
কিছুই নাই আমার জীবন দীপটি ছাড়া।

তাই করি নিবেদন,
করিও ক্ষমা, আজও আমি আপ্লুত,
শয়নে স্বপ্নে বিস্ফারিত নয়নে,
দেখি আর ভাবি তোমার গীতবিতান।
হে বিশ্ব কবি লহ মোর হৃদয়ের প্রণাম।

||--anrc--09/05/2018::--12.45 মধ্যরাত্রি--||
||=================49L=====||

========================

445/2>|| লহো মোর প্রণাম--||

দেখলাম তোমার শান্তিনিকেতন,
আজও অম্লান তোমার অবদান।
আজো শুনতে পাই তোমার পদ ধ্বনি,
কান পেতে শুনি তোমার গুন গুন ধ্বনি।

হে বিশ্বকবি,
তুমি ছিলে জীবন্ত রবি।
আজ ২৫শে বৈশাখে,
মনের পট ভূমিতে,
কল্পনার নিরিখে,
 লহো মোর প্রণাম,
সমগ্র বিশ্ব আজ তোমাকে করে সন্মান।
তুমি তোমার লেখনীতে করেছ বিশ্বজয়,
তোমার প্রশংসা আজ সমগ্র বিশ্বময়।

তোমার চিন্তার ছিলনা কোন অন্ত,
বিশাল সমুদ্র সম অতল অনন্ত।
তুমিতো সমুদ্র হতেও মহান,
তাইতো তুমি পেয়েছ বিশ্ব কবির সন্মান।

বিজ্ঞান মাপিতে সক্ষম সমুদ্রতল,
তুমিতো বিরাম হীন অতল নাই তল।
যেন বিশ্বময় উদ্ভাসিত তোমার কিরণ,
স্বপ্ন চিন্তায় খুঁজি তোমার চরণ।

তবুও সাধ জাগে মনে,
তোমার চরণ স্পর্শ করি বারে,
বিশ্বজোড়া তব পদ যুগল,
আমি কেমনে খুঁজে সেই পদ তল।
তাই দূর হতে করি প্রণাম বার বার,
অধমেরে ক্ষমা করি ও তার ধৃষ্টতার।

গিয়ে ছিলাম জোড়াসাঁকোতে,
তোমার পৈতৃক গৃহ ভূমিতে,
সেজেছে গৃহ হেরিটেজের কল্যাণে,
দেখলাম তোমার স্মৃতিরে রেখেছে যত্নে।
কিন্তু কোথাও সেই প্রাণ তো আর নাই,
দেখলাম কত পট,আস বাস,মঙ্গল ঘট,
সুসজ্জিত গৃহ কোন,করেছে যতন,
তথাপি পাইনি খুঁজে সেই আগের প্রাণ।

মানুষের আকাঙ্খী মনের তীব্র বেগ,
খরস্রোতা নদীর মতন ধায়।
সমাজ সংসারের প্রগতির গতি,
জীবন নিত্য নুতন পথ খুঁজে নেয়,
যেদিকে যার মন চায়।
কেউ সঠিক পথ খুঁজে পায়,
কেউ দিশাহীন হয়ে পথ হারায়,
নির্জলা নদীর মতন শুকিয়ে যায়।
হে কবি,
আমি পথ হারা এক শুষ্ক জল রেখা,
বহুকাল আগেই গেছি শুকিয়ে পথ হারিয়ে,
এখন শুধুই কাঁকর মিশ্রিত বালুকা ময়।
নালাগে কোন মাঠে, নালাগে পূজায়।
আমি পথহারা এক হতভাগা,
কিছুই নাই আমার জীবন দীপটি ছাড়া।

তাই করি নিবেদন,
করিও ক্ষমা, আজও আমি আপ্লুত,
শয়নে স্বপ্নে বিস্ফারিত নয়নে,
দেখি আর ভাবি তোমার গীতবিতান।
হে বিশ্ব কবি লহ মোর হৃদয়ের প্রণাম।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
  19/05/2025::রাত্রি 10:30মি।
   ২৫শে বৈশাখ ১৪৩২ শুক্রবার
||=====================||
===================================
◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆●●●●●●●
24/05/2026:সন্ধ্যা 8:10 মিনিট
 শ্যামবিহার ফেজ 2 এর রবীন্দ্র  নজরুল স্মরণে, নিজের লেখাটি পাঠ করলাম।

      || কবি প্রণাম ||
         <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

হে বিশ্ব কবি:---
দেখলাম তোমার শান্তিনিকেতন,
আজও অম্লান তোমার অবদান।
আজো শুনতে পাই তোমার পদ ধ্বনি,
কান পেতে শুনি তোমার গানের ধ্বনি।

হে বিশ্বকবি,
তুমি ছিলে জীবন্ত রবি।
 বৈশাখের দিনে
মনের পট ভূমিতে,
কল্পনার নিরিখে,
 লহো মোর প্রণাম,
সমগ্র বিশ্ব আজ তোমাকে করে সন্মান।
তুমি তোমার লেখনীতে করেছ বিশ্বজয়,
তোমার প্রশংসা আজ সমগ্র বিশ্বময়।

তোমার চিন্তার ছিলনা কোন অন্ত,
বিশাল সমুদ্র সম অতল অনন্ত।
তুমিতো সমুদ্র হতেও মহান,
তাইতো তুমি পেয়েছ বিশ্ব কবির সন্মান।

বিজ্ঞান মাপিতে সক্ষম সমুদ্রতল,
তুমিতো বিরাম হীন অতল নাই তল।
যেন বিশ্বময় উদ্ভাসিত তোমার কিরণ,
স্বপ্ন চিন্তায় খুঁজি তোমার চরণ।

তবুও সাধ জাগে মনে,
তোমার চরণ স্পর্শ করি বারে,
বিশ্বজোড়া তব পদ যুগল,
আমি কেমনে খুঁজে সেই পদ তল।
তাই দূর হতে করি প্রণাম বার বার,
অধমেরে করিও ক্ষমা, 
ক্ষমা করিও আমার এ-হেন ধৃষ্টতার।

গিয়ে ছিলাম জোড়াসাঁকোতে,
তোমার পৈতৃক গৃহ ভূমিতে,
সেজেছে গৃহ হেরিটেজের কল্যাণে,
দেখলাম তোমার স্মৃতিরে রেখেছে যত্নে।
কিন্তু কোথাও সেই প্রাণ তো আর নাই,
দেখলাম কত পট,আস বাস,মঙ্গল ঘট,
সুসজ্জিত গৃহ কোন,করেছে যতন,
তথাপি পাইনি খুঁজে সেই আগের প্রাণ।

মানুষের কাঙ্খীত মনের তীব্র বেগ,
খরস্রোতা নদীর মতন ধায়।
সমাজ সংসারের প্রগতির গতি,
জীবন নিত্য নুতন পথ খুঁজে নেয়,
যেদিকে যার মন চায়।
কেউ সঠিক পথ খুঁজে পায়,
কেউ দিশাহীন হয়ে পথ হারায়,
নির্জলা নদীর মতন শুকিয়ে যায়।

হে কবি আমার একান্ত নিবেদন,
করিও ক্ষমা, 
আজও আমি আপ্লুত,
শয়নে স্বপ্নে বিস্ফারিত নয়নে,
দেখি আর ভাবি তোমার গীতবিতান।
হে বিশ্ব কবি লহ মোর হৃদয়ের প্রণাম।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> 
|=====================||








Comments

Popular posts from this blog

422>||--লেখনী বা পেন্না::---||

419>||--গুরু শিষ্য কথন-+সম্মান ও ভক্তি

433>||--অন্ধকার ও নগ্নতা--||