Posts

Showing posts from April, 2018

440>||---যাচনা--||*D

440>||---যাচনা--|| অতি ক্ষুদ্র এই দেহ মাঝে, তুমি হে অসীম। তোমার এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড অসীম, তুমি তো অনন্ত সীমাহীন। তোমার এই অসীমের মাঝে, তোমারে বেড়াই খুঁজে। চেতন অবচেতন মনে সর্বক্ষণে, তোমায় খুঁজি মনে মনে, দিবা রাত্র,নিদ্রায়, জাগরণে। নীল নীলিমা ময় এই যে আকাশ, তোমার অসীমতায় প্রকাশ। মৃত্যু, দুঃখ, আনন্দ, উৎসাহ, সকলি অসীমে প্রসারী। খুঁজে মরি, পাড়ি দেবার পথ খুঁজি, যাগ,যজ্ঞ্ মন্ত্র,তন্ত্র যত করি পুঁজি। নামাবলী ধারী,ভস্মাবৃত,ত্রিশূল ধারী। শ্মশানে, মশানে, বনে জঙ্গলে, সকলের নির্দেশ মানি, তোমারে খুঁজেমরি। কিসের মন্ত্র, কিসের তন্ত্র,কিসের যন্ত্র, রক্ত মাংসের এই ক্ষনিকের যন্ত্র। কত ঘি পুড়লো আগুনে, যতনা ঘিয়ের ধোঁয়া, ততোধিক গাঁজার ধোঁয়া, নির্জনে নিরালায়। জপ,তপ, ধ্যানে মগ্ন, আপন খেয়াল খুশিতে, কখনো বিশেষ নির্দেশে। দিগম্বর হয়ে সকল ত্যাগীয়া, পাইনি তোমায় খুঁজিয়া। এই প্রকৃতি মাঝে খুঁজেছি তোমারে প্রাণ মন দিয়ে, দূরে বহু দূরে। জেনেছি বুঝেছি তোমার দুয়ারে, নাই কোন দুঃখ,কষ্ট, নাই জরা, নাই বিচ্ছেদ নাই মরা। জানি তুমি পরাৎপরা, কোনদিন দেবেনা ধরা। মনে প্রানে নিঃসঙ্গ একলা,...

439>>||-চল হোটেলে যাই,--||-

439>||-চল হোটেলে যাই,--|| চল হোটেলে যাই, খাব কষা মাংস আর মালাই, আছে ভাগারের সাপ্লাই, ঢেকুর উঠবে পেল্লাই। চল হোটেলে যাই, খাব চিকেন আর সুপ। মসলা দিয়ে বাসী সুপ এমম খাবারে অনেক সুখ। চল হোটেলে যাই, ভুলে ঘেন্না বালাই, খাব মাংসের রকমারি, চিন্তাকি আছে ভাগারের কারবারি। চল হোটেলে যাই, শনি রবি,হোটেল জম্পেশ, ঘরের অখাদ্য ভেজ, ননভেজ। ঘরের টাটকা থেকে হোটেলের পচা ভাল। তাতে যদি ভাগাড় সাপ্লাই হয়, স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় হয়। চল হোটেলে যাই, পেট পুড়ে ননভেজ খাই। যে আমাদের বাড়াচ্ছে মান সেই ভাগারের করো না বদ নাম। চল হোটেলে যাই, ভাগাড় আছে তাই আমরা আছি। ভাগাড় নাথকলে হোটেলের কি হত, হোটেল না থাকলে বাঙালির কি হত। ||----anrc-------28/04/2018---–----|| ||=======================|| <--©--●অনাথ●---> 【--anrc--2018--】 【-TIME L=】 ========================

438>||-ভাগাড় ভাগাড় ভাগাড়-||

438>||-ভাগাড় ভাগাড় ভাগাড়-|| ভাগাড় ভাগাড় ভাগাড় সেই ভাগারের কারবার। ভাগাড় ছিল থাকবে চিরকাল, ভাগারের কারবার ও চলবে চিরকাল। ঘরের খাবারে নাই রুচি, খাবে হোটেলের পচা বাসী। হোটেলের খাবারে স্বাদ যে বড়, ভাগাড় থেকে করেছে জড়। কুকুর,বেড়াল, সুস্বাদু বড়, মহিষ, বলদে পুষ্টি বড়। বাদর,ছাগল,মিষ্টি বড়। সাপ, ব্যাঙ,ও করে জড়। এমন খাবার পাবে কোথায় ভাগাড়ে সব পাওয়া যায়। পচা বাসী রেজালা খাসী, যেমন চাইবেন ভাগারের বাসী। থাকবেন ভাল, হবেন খুশি। অভাব নাই কোন মাংস, তাইত ভাগাড় প্রশংস। ভাগাড় আছে আসে পাশে পরিবেশন নানান বেশে। ভাগারের মাংসে স্বাদ বড় যেমন খুশি রান্না করে হোটেল করছে বাজি মাত। ভাগাড় ভীষণ দরকারি, হরেক মাংসের কারবারি। ভাগাড় থাকতে চিন্তাকি, হোটেল গুল মন্দ কি। প্ৰণ খুলে কর ভাগারের জয়গান, ভাগাড় আমাদের বাড়ায় মান। ভাগাড় থাকুক নিজের জায়গায়, হোটেল গুলির বাড়ুক কারবার, প্রাণ খুলে খাও যার যেমন দরকার। ||---anrc-------26/04/2018------|| ||====================|| <--©--●অনাথ●---> 【--anrc--2018--】 【-TIME L=】 ========================

437>>.||-ভাগাড়-সুন্দরী করণ-||-

437>.||-ভাগাড়-সুন্দরী করণ-||---01/07/2017::----- চলছে ভাগাড় কে দৃষ্টিনন্দন করার প্রচেষ্টা, // শব্দটি বেশ সুন্দর,হোকনা সংস্কারের প্রচেষ্টা। // শুভপ্রচেষ্টার চিন্তা করাযাবেনা অস্বীকার, // সকল বর্ননা ও ব্যাখ্যা বোধগম্য পরিষ্কার। // শহর থেকে গ্রামের পথের হচ্ছে শোভাবর্ধন, // অলিগলি, নালা নর্দমার হচ্ছে রূপায়ন। // ঝাড়ু হাতে দিল্লি থেকে কলকাতা হচ্চে সচ্ছ, // হাইওয়ে, উড়াল পুল, সব পথ হচ্ছে প্রশস্ত। // কত আন্ডার পাস,ওভার পাস,বাইপাস, // ভূগর্ভ রেল,সার্কুলার রেল,যেন হাইপাস। // রাতের কলকাতা যেন শহর লন্ডন, // অফুরন্ত ইলেক্ট্রিকের পর্যাপ্ত বন্টন। // শহর ও আশেপাশের নর্দমা হলঢাকা, // জল যাক বা নাই যাক হয়েছেতো পাকা। // রাস্থার পাশের দোকান গুলো হোল প্রোশস্থ, // রিকশা ও ঠেলার বাড় বাড়ন্তে পথিক সন্ত্রস্ত। // প্লাস্টিক ও শহরের বর্জ্য তে বন্ধ নালা,নর্দমা, // একটু বর্ষণেই রাস্থা রূপান্তর যেন প্রশস্ত নর্দমা। // আটো, টোটোর সাথে মিলেছে ই রিকশা, // পরিষেবার নামে জুলুমের হরেক নকশা।, // এসকল সচ্ছ ভারতের সুদর্শন প্রত্যাশা, // আমরা বিজ্ঞ,করি তর্ক,বিতর্কের আখড়া। // ঐযে প...

436>||--প্রেম নিবেদন--|--*D

436> ||--প্রেম নিবেদন--|| গোলাপ দিয়ে অভ্যর্থনা উপহার শ্ৰেষ্ঠ, প্রেমের আহবাহনে গোলাপ প্রতীক মাত্র। পূর্ন বিকশিত গোলাপ প্রেমের বিশ্বাস, গোলাপের  গন্ধ সৌরভ প্রেমে আনে বিশ্বাস। গোলাপের সৌরভ ক্ষনিকের তরে, সময়ে যাবে ঝরে। গোলাপ মনে করিয়ে দেয় যৌবন তো ক্ষনিকের তরে, একদিন যৌবন ও যাবে চলে। ক্ষনিকের গোলাপ দর্শন মনকে মাতায়, ক্ষনিকের যৌবন  জীবনে আশ্বাস জাগায়। জীবনের মূল্যবোধ  যৌবনের পরে, গোলাপের  স্নিগ্ধ সৌন্দর্য সুবাস মনে চিরকাল থাকে। গোলাপ শ্রেষ্ঠ উপহার প্রেম নিবেদনের তরে। ||--anrc-----28/04/2018::----- -|| ||======================|| <--©--●অনাথ●---> 【--anrc--2018--】 【-TIME  L=】 ========================

435>||--কামনার প্রেম--||-*D-

435>||--কামনার প্রেম--|| সেই রম্য রচনার মতন সৌখিন, যৌবনের তাড়নায় লালায়িত অস্থির, সদ্যবিকশিত উন্মত্ত যৌবন কামনায় অধীর। তুমিকি প্রতীক নারী রূপে উদ্ভাসিত, নাকি তাড়নার তৃপ্তির নিমিত্তে ক্ষিপ্ত। চাওনি এক মুহূর্তও হারাতে, সদাই প্রচেষ্টা পড়িপূর্ন তৃপ্তি পেতে। এ কি প্রেম,নাকি ভালোবাসার প্রহসন, স্বেচ্ছায় নগ্ন যৌবন তনিমা প্ৰদর্শন। স্বেচ্ছানুবর্তিনী প্রতিটি অঙ্গের প্ৰদর্শন, সকলি মনমোহিনী তন্বঙ্গীর আকর্ষণ। আপদ মস্তক কোথায় কত শিহরন, সকলি সানন্দ কামাতুর বিদুষী বর্নন। সাধ্যাতীত সন্ধান কামুকীর মনের গভীরতা, কামার্ত,কামাসক্ত,কামী মন স্বপ্ন বিহ্বলতা। প্রথম মিলনের সেই উদ্বেলিত উদ্দীপনা, অফুরন্ত কামাগ্নির প্রবল মৈথুন কামনা। প্রেম ভালবাসার পর্যাকুল উদ্দীপনা, সেখানেও ছিল ভোগের আকুল বাসনা। অতিতীব্র অপূর্ব ক্ষুধা কামনার, রাত্রি নিশিতে স্বেচ্ছায় উন্মুক্ত দুয়ার । রাত্রির অন্ধকার যেন কাঙ্ক্ষিত নিষ্ঠা, একান্তে মিটাইতে উন্মত্ত সম্ভোগ তেষ্টা। কুহকিনীর ন্যায় নিশি প্রহরিক আহবান, অতিশয় অসাধ্য সাধন করা প্রত্যাখ্যান। সহাস্য লালিত্ব দেহজ গন্ধ্যে মৈথুন সুখ, রমণ তৃপ্তির লোলুপতায় সদাই উন্ম...

434>||--পথ শিশু--||

434>||--পথ শিশু--|| ( সত্য ঘটনা অবলম্বনে ) একটু ভালোবাসা, জাগায় প্রাণে নুতন আশা। মনে জাগায় নুতন উদ্যম, আপ্লুত হৃদয়ের উচ্ছাস হরদম। একটু ভালোবাসা, ওই একলা পথে বসেথাকা, অনাথ শিশুটির আধ-আধ কথা, হৃদয় ছুঁয়ে , মনে লাগে ব্যথা। আজ আবার কতদিন পরে পথের ধারে, দেখলাম সেই শিশুটিকে বসে আছে। ঠিক যেমনটি আগে দেখেছিলাম, তখন ওকে দেখে অনেক ভেবেছিলাম। সেদিন নিজের কাজের তাড়নায়, ইচ্ছা ছিল কিন্তু,দাঁড়াতে পাইনি সময়। একলা মনে মনে বলেছিলাম অনেক কথা, পথ চলতে, পারিনি ভুলতে শিশুটির ব্যথা। দেখেছিলাম,শিশুটি কিন্তু নির্বিকার, ওর হাতে দিয়েছিলাম একটু খাবার। বিস্ফারিত দুটি নয়নের সেই হাসি, যেন ক্ষণিক স্বর্গীয় সুখের অনুভূতি। এরাকি মানুষের সন্তান! নাকি কোন দেব শিশুর হয়েছে পতন! দুঃখ,কষ্ট,রোগ,জ্বালা,ক্ষোভ নাই কোন, পথের ধারে বসেই স্বর্গীয় সুখযেন। ঋতু গুলি একে একে ছুয়েযায়, ওদের মুখের হাসি অম্লান রয়েযায়। হাতটি বাড়ায় কেউ কিছু দিলে, যেন কত কাঙ্ক্ষিত ঈশ্বরের দান পেল। ওই জীর্ন শীর্ন শরীরে এত শান্ত, কি দারুন সহনশীলতা ও ধর্য অফুরন্ত। যত দেখি বিস্ময়ে অবাক হয়ে থাকি, নিজেই খুঁড়ি নিজ প্রশ্ন আকর ...

433>||--অন্ধকার ও নগ্নতা--||

433>||--অন্ধকার ও নগ্নতা--|| রাত্রির অন্ধকার, নিস্তব্ধতা নগ্নতার। অন্ধকারের আকর্ষণ, তীব্র গোপন প্রেমাকর্ষণ। প্রেম ও মিলনের চাহিদা, অন্ধকারের চাদরে ঢাকা নগ্নতা। স্বাভাবিক স্বাচ্ছন্দ্যের উলঙ্গতা, উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে প্রসন্নতা। উলঙ্গ দুটি শরীর মিশে এক হতে চায়, নগ্ন শরীর দুটি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়ায়। দুটি শরীর একাত্ম বোধের ভাবনায়, বাতাসও যেন মনেহয় অন্তরায়। অন্ধকার চায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়াতে, নর নারী মেতে ওঠে মৌথুন ক্রীড়াতে। ঘর্মসিক্ত দুটি শরীর উত্তপ্ত আগ্নেয়গিরি, চলতে থাকা মৌথুন ক্রীড়ার কারিগরি। প্রেম বন্ধনে ক্রমে বাড়ন্ত নিঃশ্বাস প্রশ্বাস। প্রাপ্ত হয় উভয় মনে মিলন সুখের বিশ্বাস। তাইত প্রেম খোঁজে একটু অন্ধকার, নিরালায় একান্ত মিলনের সুখ বারংবার। সে এক অলীক সপ্নের অনুভূতি, পিপাসিত মনের শিহরণ সহানুভূতি। অন্ধকার আলোর মতই চিরসত্য রূপ, আলোই অন্ধকারকে করে বিদ্রুপ। নগ্নতাও প্রকৃতির এক রূপে স্বীকৃত, আলোয় দৃষ্ট নগ্নতা সমাজে নিন্দিত। উলঙ্গ আচরণ নগ্নতাকে করে বিকৃত, উগ্র উলঙ্গতা চিরকাল সমাজে ঘৃণিত। অন্ধকারের মহত্ত্ব অসীম দিগন্ত বিস্তৃত, নিরালায় গোপনপ্রেম অন্ধকারেই সমাদৃত। মৈথুন,...

432>||-পুরানো বন্ধুর মিলন::-||-

432>||-পুরানো বন্ধুর মিলন::-|| পুরানো বন্ধুর মিলন, মনে আনন্দে নিকেতন। দূর হয় মনের মনিলতা, মনে আনে শুদ্ধতা, প্রশান্তি সপ্নের নীরবতা। সুখসপ্ন মনে বাধে বাসা, দূর হয় সকল নিরাশা। বন্ধু চির সত্য, চির সুন্দর, চির দিনের ভালোবাসা। বন্ধু সুখে দঃখের সাথী, বন্ধু দেয়না ফাঁকি। বন্ধু চিত্ত চেতন সাক্ষি, বন্ধু ই মীনাক্ষী। বন্ধুরে কর আদর, পাবে মনের সমাদর। স্বার্থ বসে চেওনা কিছু, বন্ধুইত সর্বশ্রেষ্ঠ-- তারথেকে অধিক-- পাবার আছে কি কিছু! মানুষ সমীক্ষার ঊর্ধে বিচরণকারী প্রাণী। বন্ধুইত সকল সুখ দুঃখের চির সাথী। ধরামাঝে বন্ধু নাই যার, তার মতন হতভাগা মেলাই ভার। বন্ধু থাকলেও দূরে, তাঁর স্থান হৃদয় জুড়ে। বন্ধুর সাথে প্রবঞ্চনা, জীবনের বিড়ম্বনা। কে দেখেছে ঈশ্বর? বন্ধুইত প্রতিবিম্বত ঈশ্বর। সুদাম দেখেছেন কৃষ্ণ সখাকে, শ্রীকৃষ্ণ দেখেছেন ঈশ্বর রূপে সুদামা কে। ||--anrc-------09/04/2018-----------------|| ||===========================||

431>||--মেইড ফর ইচ আদার--||-

431>||--মেইড ফর ইচ আদার--|| রাতের প্রত্যেকটা নখের আঁচড়ের গভীরতা, সকালে মনে করিয়ে দেয় ভালোবাসার গভীরতা। আঁচড়ে আঁচড়ে জর্জরিত শরীর ভিঁজে যাওয়া, মিলন আষ্টেপৃষ্ঠে ঘিরে এক হয়ে যাওয়া। মুহূর্ত গুলি সর্বাঙ্গে স্বর্গীয় সুখের অনুভূতি, সুষুম্নায় জাগে শিহরণ অতি। দীঘ হয় ইড়া পিঙ্গলায় জীবন বায়ুরচলা, দীর্ঘ করে দুটি জীবনের সহানুভূতির পালা। তখনই মনেহয় দুটি হৃদয়ের জন্ম, বার বার হয়েছে একে অপরের জন্য। সংসার সৃষ্টির নিমিত্তে, দুটি জীবনের প্রেম মিলনের অগ্রে। ফুলের সৌরভে দুটি শরীরের গন্ধ মিলে, সৃষ্টি অনাবিল সৌষ্ঠব সমাদৃত প্রকৃতির কোলে। ভীত সন্ত্রস্ত মনে, কোন কথা না বলেওবলে, দৃষ্টির অগোচরে দুটি হৃদয় কেবল অনুভব করে। ধীরে ধীরে এক আন্তঃসলীলা স্রোতে ভর করে, একে অপরের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে। সে দিন শুরু হোল যে পথ চলা, গাথা হয়ে গেছে, কতো কথার মালা। চলতে থাকে জীবনের চড়াই উতরাইএর পালা,জীবনের পথ চলা, কখনো হৃদয় পায় গতি কখনো জ্বালা। কত জীবন মুখ থুবড়ে পড়ে হয় খান খান, কত মন, সব সয়ে, বয়ে চলে বোঝার জীবন। প্রেমের গারহস্ত জীবনের মধুর আহবান, হৃদয়ের শোণিত প্রবাহে জাগায় কলতান। হৃদয়ে আছে যার প্রেম...

430>||--গাঁজার টানে মজা--||-

430>||--গাঁজার টানে মজা--|| বাঃ গাঁজায় কি মজা, কি মজা। গাঁজা খায় রাজা। খেটে মরে প্রজা। বদ নাম করলেই সাজা। গাঁজা তেই মজা, গাঁজায় ভক্তি, গাঁজায় বাড়ে বুদ্ধি। গাঁজা ঈশ্বর, জানেন জগদীশ্বর। আর জানে নন্দী ভৃঙ্গি ষাঁড়। গাঁজার গন্ধ করে প্রলুব্ধ, সপ্ত সিন্ধু পারে, এক টানেতে যেমন তেমন, দুই টানেতে রাজা সাজা, তিন টানেতে আসল মজা। চার টানেতে মগজ খোলে, পাঁচ টানেতে কাছা খোলে। ছয় টানেতে ত্রিভুবন জয়। সাত টানেতে যম রাজের চেলা, আট টানেতে নাচে ডিং ডাং, নয় টানেটে শিবের চেলা পাক্কা। দশ টানেটে এক্কে বাড়ে অক্কা । গাঁজা মাহত্য যে না জানে, খাবে তিন গাট্টা। গাঁজা শ্রেষ্ঠ,গাঁজা ঈশ্বর, গাঁজায় স্বর্গ লাভ। গাঁজায় ভক্তি বাড়ায় শক্তি, গাঁজায় প্রেম আনন্দের কারন, গাঁজার টানে ইস্ট দর্শন। গাঁজায় ভালোবাসা,জীবনের দর্শণ। গাঁজায় অনীহা শাস্তি যোগ্য, গাঁজায় নিন্দা সর্বনাশের চিন্তা। গাঁজার মাহত্য অতি পবিত্র, অমৃত সমান। গাঁজার মাহত্য বোঝেন সেইজন, যেইজন সেবিছেন ষন্ড। বুঝিলে অতিশয় ভাল, নচেৎ খাইবে অন্ড, নিতান্ত ভন্ড, অতিশয় ভাগ্য গুনে। বাড়ে ধনে জেনে, যে পড়ে যে শোনে যে রাখে ঘরে, সর্ব দিগে ...

429>||--বর্বরতা--||

429>||--বর্বরতা--|| আদিকালে মানুষ ছিল উলঙ্গ, তাকে কাপড় পরিয়ে করা হল সভ্য। পরিধান সভ্যতার এক সোপান মাত্র, আবৃত শরীর সৌন্দর্যের এক অঙ্গ মাত্র। শরীর আবরনে রাখাই সভ্যতার প্রদর্শন, উলঙ্গতা অসভ্য বর্বরতার নিদর্শন। সভ্যতার ক্রম বিকাশ সমাজের অঙ্গ, পরিধানের নিচে সকল শরীর উলঙ্গ। তথাপি কে কেমনে কতটুকু আবৃত, সেটা নিয়ে কেন এত হয় বিবৃত। আসলে উলঙ্গতা নয় বর্বরতা, মনের এক বিকার ব্যাধি এই বর্বরতা। মানুষের শুভ চেতনা ও বুদ্ধিমত্তা, পশু থেকে মানুষ কে করে আলাদা। নুতন প্রজন্মের বাড়ন্ত বিকৃত চিন্তা,অস্থির মন, মস্তিষ্কের অনুর্বর ভাবনার ক্ষণিকের প্রসাধন। মানুষ কেবলএকটি জৈব অস্তিত্ব নয়, মানুষের প্রকৃত সত্বা মনুষ্যত্বে নিহিত রয়। মানুষের মনুষ্যত্বের আধার তাহার সক্ষমতা। বুদ্ধিবৃত্তি শারীরিক এবং মানসিক সক্ষমতা। বর্তমানের fb আর what'sApp এর প্লাবন, যুবসমাজ কে করছে গ্রাস সাস্কৃতিক আগ্রাসন। সমাজে বইছে বিকৃত চিন্তার সুনামি প্রবৃত্তি, বাড়ন্ত হিংসা,কামকলহ,যৌনাচারের দস্যুবৃত্তি। বর্তমান বিশ্বায়নের সাস্কৃতিক আগ্রাসন, ভুলেছি ভাতৃত্বের মহা মিলনের আহবাহন। আমাদের ধর্ম মান্য বিশ্বে শ্ৰেষ্ঠ আ...

428>||মজার ₹1/=টাকা+আমার শেষ লেখা।

428 1> মজার ₹1/=টাকা  2>আমার শেষ লেখা। =================================== 1> .||--মজার ₹1/=টাকা।--||-25/07/2017:::-  আমাদের এক টাকা তে  কেউ হচ্ছেন কোটি পতি।  বিগ বাজার বা অন্য অনেক  নাম করা দোকানে জিনিসের দাম  ₹49/= ₹99/= ₹999/=  কেন রাখে জানেন কি?  মনে করি 500 লোক বিগবাজার থেকে জিনিষ কিনলেন। কেউ কিনলেন ₹99/= টাকার  কেউ ₹999/= টাকার  অর্থাৎ সকলেই এক টাকা করে ছেড়ে দিলেন ।  এক টাকা আর কে নেয়? তাইনা?  থাকলে ।  দোকান দারের লাভ হোল  500 লোক X ₹1/==₹500/=একদিনে  এক বৎসরে 365 X 500=₹1,82,500/=  ভারতে বিগ বাজারের সংখ্যা 1500  তাহলে টোটাল বিগবাজার এক বৎসরের ফালতু যায়  1500 X ₹1,82,500/- =₹273,750,000/-  মোটামুটি ₹27 কোটি টাকা।  এই টাকার কোন ট্যাক্স দিতে হয়না দোকান  দারদের কে কারন এই টাকার বিল হয়না।  বিগ বাজার বা বাটা বা এমন অনেক কোম্পানি  বৎসরে কতো টাকা ফালতু যায় করে তা একটু ভেবে দেখুন।  হিসাব তা ভুল থাকলে জানাবেন।  আর হিসাবটা ঠিক থাকলে একটু সচেতন হবেন।  ||-...

427>||---অভ্যুদয়---|| *D

427>||---অভ্যুদয়---|| সেদিন মনছিল শান্ত, মধ্য রাত্রি প্রায় অতিক্রান্ত। শান্ত ছিল চারিদিক, পরেশনাথ পাহাড়ের পূর্বদিক। বসে একা নিরিবিলি স্থানের আড়ালে। উদাস মনে, এদিকটায় মানুষ জন কেউ আসে না, একটু বেশি জঙ্গল তাই প্রবেশ মানা। 1981র জানুয়ারি মাস, আর বাকি মাত্র এক মাস। শুরু হবেএক ভিন্ন জীবনের আশ্বাস, এই ছন্নছাড়া জীবনে সংসারের ফাঁস। ধরে রাখতে প্রকৃতির শোভা কাগজে, বিকাল থেকেই নিরালা খোঁজার তাগিদে। পরেশনাথ পাহাড়ে শান্ত মনে দাঁড়িয়ে, উপভোগ করছিলাম নির্মল প্রকৃতিরে। মনভরে দেখছিলাম মেঘ মুক্ত আকাশ, কিঅপরূপ সুন্দর এই নির্মল আকাশ। ভাবতে ভাবতেই সন্ধ্যা হল পার, সহসা নেমে এল অন্ধকার। যেন মসৃণ কালো পর্দায় ঢেকে গেল পাহাড়, একটু আগেই অস্ত গেছে চতুর্থীর চাঁদ। শান্ত সুন্দর পরিবেশ এমন, ছেড়ে যেতে চাইলনা মন। হাওয়ায় একটু শীতের স্পর্শ, শীতল বাতাসে আরামের স্পর্শ। চোখ দুটি প্রায় বন্ধ হয়ে আসছিল, মনটাও কেমন যেন আচ্ছন্ন লাগছিল। চতুর্থীর মধ্য রাত্রের অপূর্ব নির্মল আকাশ, কেমন যেন মায়াময় অন্ধকারের প্রকাশ। কবিত নই যে এমন সৌন্দর্যের করবো বর্ণন, তথাপি আজ লাগছে ভাল সেই চিন্তন। হঠাৎএক গম্ভ...

426>||--করিও ক্ষমা--||

426>||--করিও ক্ষমা--|| --করিও ক্ষমা আমারে। হয়তো আমি কারুর--- শান্তি ভঙ্গকারী একজন! হয়তো আমি কারুর--- মনের উদ্বেগের কারন একজন! হয়তো আমি কারুর--- মনের দুঃচিন্তার কারন একজন! হয়তো আমি কারুর--- স্বাধীন চিন্তার বিঘ্নের কারন একজন! হয়তো আমি কারুর--- মনে একমাত্র ঘৃণার কারনএকজন! হয়তো আমি কারুর--- জীবনে বিড়ম্বনার কারন একজন! হয়তো আমি কারুর--- কাছে অবাঞ্ছিত অতি একজন! হয়তো আমি কারুর--- লাঞ্ছনার কারন আমি একজন! হয়তো আমি কারুর--- জীবনের দুঃখের কারন আমি একজন! তাইত আমি চাই ক্ষমা,বার বার, পারত-পক্ষে করিও ক্ষমা আমারে নিজগুনে। আমি অতি অধম তাওজানি নিজে, ক্ষমার অযোগ্য তাও ভাবি মনে। তথাপি বারংবার পর্থনা করি সকলের নিকট, পারলে করিও ক্ষমা আমারে--- নিকৃষ্ট অধমেরে তোমরা নিজ নিজ গুনে। ----অবজ্ঞা করে ভুলে যেও আমারে------- ||--anrc--21/04/2018::--05:59::45:am--|| ||============================||

425>||--শিশুর প্রথম দিনের স্কুল--||

425>||--শিশুর প্রথম দিনের স্কুল--|| নুতন ইস্কুলের নুতন পাঠ শুরু। নুতন জীবনের নুতন পাঠ শুরু। নুতন প্রজন্মের নুতন চিন্তার শুরু। নুতন উদ্যমে নুতন আলোর শুরু। নুতন ভাবনার নুতন ইচ্ছের শুরু। নুতন শক্তির নুতন উচ্ছাস শুরু। নুতন দিগন্তে নুতন সূর্যের উদয় শুরু। নুতন কামনার নুতন আনন্দ শুরু। নুতন প্রভাতের নুতন লালিমার শুরু। নুতন ইচ্ছার নুতন প্রেরণার শুরু। দুরন্ত শিশু দের অফুরন্ত আনন্দের শুরু। এই শিশুদের মাতা পিতার ভাবনার শুরু। সদা ভয় অঘটনের কখন হয় শুরু। মাতা পিতার আনন্দ যেটুক হল শুরু। ততোধিক ভয়ে ভীত এই বুঝি শুরু। শিশুদের উপর অত্যাচারের শুরু। সকলেই ভীত সন্ত্রস্ত শিশুদর জন্য। মাতা পিতার বুক ভয়ে দুরু দুরু। দিগে দিগে বাড়ন্ত শিশু নির্যাতন। সদাভয় কেযানে কোন দস্যু কখন, কিভাবে তাঁর কুড়িটির করে সর্বমাশ। শিশু তো ফুলের মতন সুন্দর, তাকে বাড়তে দিন হে প্রভু, হে ঈশ্বর। ||--anrc------20/04/2018----SV2-------|| ||========================||

424>बहुत खूब बहुत खूब,---++1-

424>बहुत खूब बहुत खूब, 2 .||-बहुत खूब--|| -28/05/2017:::- ================================== 44>बहुत खूब बहुत खूब, बहुत खूब बहुत खूब, जमानके लिए हैं तो खूब। जिंदगी माने वा ना माने पर, हमने तो मानलिया हैं खूब। बहुत खूब बहुत खूब, इयाद आनेसे ही खूब। सच्चाई भी माने वा ना माने पर, हमने तो मानलिया हैं खूब। बहुत खूब बहुत खूब, ख्वाब में आनेसे ही खूब। हकीकत भी माने वा ना माने पर, हमने तो मानलिया हैं खूब। बहुत खूब बहुत खूब, एकेला जिंदगी के लिए तो खूब। परेशानियां आनहि हैं पर हमने तो मानलिया हैं खूब। बहुत खूब बहुत खूब, भटकते हुए जिंदगी के लिऐ तो खूब।* इयाद के थकान तो आनहि हैं पर* हमने तो मानलिया हैं खूब। हमने तो मानलिया हैं खूब, दिन रात इयाद आती हैं खूब। परेशानियां झेलना भी तो हीं पर हमने तो मानलिया हैं खूब। दिलसे कहूँ या प्यारसे* सोचना तो परते हैं खूब। आँशु भरते हैं टपकते नेहि पर* हमने तो मानलिया हैं खूब। था जब वक्त बहुत कुछ करने के सोचा नेहि पूछा नेहि किसीसे खूब।* अभी ढलती ओमरमे इयाद हैं खूब पर* हमने तो मानलिया हैं खूब। जयानि की जोसमे भूले थे...

423>||--সত্য বলছি--||-

423>||--সত্য বলছি--|| জানিনা মানবেন কিনা আমার কথা, তথাপি বলতে চাই দুই চার কথা। মানুষ সত্যতে ভিতু,জানি সেকথা, কিন্তু মিথ্যা অহঙ্কারে আনন্দিত সদা। সত্য যা ভাই সত্যি হয়, সত্যযে অতি কঠিন হয়। কঠোর সত্য মানা কঠিন, সত্যকে মানে কে কখন। সত্যতে রাখতে ভক্তি, মনে চাই অনেক শক্তি। সত্যর জ্বালা নিত্য সত্য, সত্যতে স্থির থাকাটাও কঠিন সত্য। সত্য সত্য সত্য বলছি, সত্যের নেশায় মেতে আছি। সত্যর ঝকমারি রকমারি, হয় তো বলবে বাড়াবাড়ি। কথায় বলি আসল সত্য, সত্যর আবার আসল টা কি! সত্য যে সে সত্যই হয়, সত্য কখনো মিথ্যা নয়। সত্যর ভাবনা নিষ্ঠুর অতি, পাল্টে দেয় যে মনের গতি। সত্য ভাবনার শেষটি সুন্দর, সত্যর চিন্তা ততোধিক সুন্দর। সত্য বলাও বড়ই কঠিন, সত্যকে মেনে নেওয়া ততোধিক কঠিন। শিশু পাঠ্য 'সদা সত্য বলিবে', সদা সত্য পথে চলিবে। বয়স বাড়ার সাথে সত্য গেল দূরে, রাত দিন চলি মিথ্যাকে আশ্রয় করে। সত্য লুপ্ত হয় বয়সের সাথে সাথে, হেরে গেলেই কতনা দোহাই থাকে। সত্যের পথে চলা,সত্য ভাবনা চিন্তা, এগুলি পুস্তকেই আবদ্ধ শিক্ষার পন্থা। সত্যকে মেনে চলা বজ্রকঠিন মানি, সত্য ছাড়া জীবনটাই মিথ্য...

422>||--লেখনী বা পেন্না::---||

422>||--লেখনী বা পেন্না::---|| ( লেখনী মানে যার সাহায্যে লেখা হয় অর্থাৎ কলম। ইংরেজিতে বলাহয় পেন। পেন (pen) শব্দ এসেছে লেটিন শব্দ পেন্না (penna) থেকে, যার মানে হল পাখির পালক। এক কালে পালকের কলম দিয়েই কাগজে লেখা হত। আজ প্রযুক্তির দৌলতে এই কলম বিলুপ্তির পথে।) সেই লেখার কথাই যদি বল, লিখি কি নিজের ইচ্ছায়! মস্তিস্ক লিখে চলে আপন মনে। লেখা তো এক প্রসব যন্ত্রণার লাগভ মাত্র, মনের সাথে প্রকৃতির---- বা আসে পাশে ঘটেজাওয়া ঘটনার সংঙ্গে মৈথুন,রমণে-- মস্তিষ্কে তৈরি হয় প্রেগন্যান্সি, তারপরে সময়ের অপেক্ষা। সময় হলেই সন্তান রূপে লেখা গুলি, আত্ম প্রকাশ করে লেখনীর মাধ্যমে। শোনিত প্রবাহের মতন বেরিয়ে আসে কালি, কাগজে খস খস করে লিখে চলে নিবগুলি। এতে আমার কেরামতি কোথায়? মন আর মস্তিষ্কের কেরামতি সেথায়। আর রাতের পর রাত জেগে কলমগুলি, হাপাতে থাকে দিনে,মাঝে মাঝে কাটা কুটি, আর লিখে চলে নুতন কিছু বুলি। লেখা হলে সুন্দর, লেখক কুড়ায় হাততালি, লেখকের বাড়ে যশ। বেচারা কলম--- যার ঘাড় ধরে চললো কেরামতি, রাত ভর জেগে--- সকাল থেকে বুক পকেটে ঘুরে-- কত কিজে লিখতে হোল, কলম আর লেখকের মাঝে থাকেনা সা...

421>||--একটু খানি চিন্তা--||

421>||--একটু খানি চিন্তা--|| আমার অবাঞ্ছিত,অনাকাঙ্ক্ষিত জীবনে, একমাত্র কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসা। ভালোবাসা যেখানে পাই, সেথায় নিজেরে বিলাই। চিন্তার থাকেনা বালাই, পেলাম কি পেলামনা ঠাঁই। বহুবার দেখেছি,বুঝেছি, আপন হতে পর ভালো, পর হতে জঙ্গল ভালো। এক্ষনে বুঝেছি ভালো, নিজে ভালো তো জগৎ ভালো। নিজের ভালোটুকুই তাই, বিলায়ে দিতে চাই। ওই হতদরিদ্র শিশু গুলির মাঝে, যারা চাইছে জানতে শিখতে নিজে। আভাবের তাড়নায় শিক্ষা গেছে দূরে, শিক্ষার প্রসার হোক তাদের ঘরে ঘরে। আজ আমার এইটুকুই আছে মাত্র চিন্তা, বাকি সব যাক জলাঞ্জলি করিনা চিন্তা। ||---anrc-------04/04/2018::------------|| ||==========================||

420>||--আমার অক্ষমতা--||

420>||--আমার অক্ষমতা--|| আমি জানি, হয়তো অনেকেই আমাকে ঘৃণা করে, আমার একান্ত কাছের মানুষ হতেপারে। যাকে চেয়ে ছিলাম আপন করে, হয়তো সেও আজ আমাকে ঘৃণা করে। কিন্তু তাবলে, আমিও যে তাঁদের করবো ঘৃণা, এমন সময় যে আমার নাই। কারন যাঁরা ভালোবাসে আমাকে, ভালোবাসা দিতে চাই তাদেরকে। ভালোবাসার জন্য সদা ব্যস্ত থাকি, ভালোবাসা ছাড়া জীবনটাই যে ফাঁকি। আমি যে ভালোবাসার কাঙাল, একটু ভালোবাসতেই নিজেকে উজাড় করে দিতে ভালোবাসি। যে আমাকে ভালোবাসে, আমি তাঁদের ভালোবাসতেই মগ্ন থাকি। যে আমাকে ভালোবাসেনা, আমি তাঁকে ফিরেও দেখিনা। হয়তো এটাই আমার দুর্বলতা, হতে পারে এটাই আমার অক্ষমতা। ||----anrc----------03/04/2018-------|| ||========================|| <--©--●অনাথ●---> 【--anrc--2018--】 【-TIME L=】 ========================

419>||--গুরু শিষ্য কথন-+সম্মান ও ভক্তি

419>|||--গুরু শিষ্য কথন-+সম্মান ও ভক্তি 1>||--গুরু শিষ্য কথন--| 2>||--সম্মান ও ভক্তি--|| ======================================= 1>||--গুরু শিষ্য কথন--|| শিষ্য শুধায় গুরুরে বাচিব কেমনে---- গুরু দেখায় দুইটি দৃশ্য সহজে --- একটিতে বড়যাত্রী আনন্দে মাতোয়ারা, অন্যটিতে যমদূতেরা আনন্দে দিশাহারা। ওই দেখ চলেছে বরযাত্রী, সেজে গুঁজে চলেছে বর। সাথে নিয়ে কিছু যাত্রী। বালিকাও তৈরি পতিগৃহের যাত্রী। ঐওদিগে দেখ যম দূতের দল চলেছে, কি দারুন আনন্দ উচ্ছাসে মেতেছে। দেখো দুইটি যাত্রা একই গ্রামের ঘরে, একজন ঘটা করে পৌঁছবে স্বামীর ঘরে। অন্যজন আগেই পৌঁছে গেছে ঘরে, শুধু তাঁর নশ্বর শরীর টি আছে পরে। প্রকৃতির নিয়মে শৃঙ্খলার আকর্ষণে, সকলকেই সময়ে যেতেহবে মরনে। সমাজের নিয়মে সৃষ্টির প্রয়োজনে, স্ত্রীপুরুষের মিলন যাত্রা সৃষ্টির কল্যানে। জীবন, জ্ঞান আহরনের চলিষ্ণু এক সত্ত্বা, নিত্য নুতন জ্ঞান আহরণের সংহিতা। তাই চলতে থাকে জীবনের যাত্রা, প্রত্যেক যাত্রায় থাকে বিশেষ মাত্রা। জন্ম ক্ষণ থেকে শুরু জীবনের যাত্রা, প্রকৃতির নিয়মে পরিবর্তিত হয় যাত্রা। জন্ম,বিবাহ,মৃত্যু, তিনটি শ্রেষ্ঠ ...

418>||-জল জল আর জল--||

418>||-জল জল আর জল--|| জল জল আর জল, আছে তো নানান প্রকারের জল। নাকের জল, চোখের জল, জিভের জল,আরো কত জল। জলের আসল জল বিশুদ্ধ জল, প্রাণী মাত্রেই চাই খাবার জল। শরীরের প্রধান তত্ব ইতো জল, আমাদের শরীর কয়েক ফোঁটা জল। বিজ্ঞান খুঁজে চলেছে জল, চাঁদে, মঙ্গলে, সর্বত্র খুঁজছে জল। যেখানে জল সেখানেই জীবন, এই জল নিয়ে চলছে কত গেরাকল। ঠাকুর দাদা, দাদুরা দেখেছেন নদীতে জল, বাবা, কাকারা দেখেছেন কুয়োর জল। আমরা দেখেছি নলে,টিউবওয়েলে জল, আমাদের সন্তানেরা দেখছে বোতলে জল। ওদের সন্তানেরা দেখবে যেথায় জল, তৃষ্ণা মেটাতে তো লাগবে বিশুদ্ব জল। তাই আজ জলের হাঁ হাঁ কার বাড়ছে, দিনদিন আর্সেনিক বিষের প্রভাব বাড়ছে। এখনো আছে সময় তাই বাঁচাও জল, একটু চেষ্টা করলেই বাঁচান সম্ভব জল। বিজ্ঞান পারবেকি বানাতে বিশুদ্ধ জল, বহু চেষ্টাতেও অসম্ভব বানানো জল। প্রকৃতি কিন্তু অনায়াসে বানায় যে জল, পৃথিবী করে রাখে সঞ্চয় সেই জল। আমরা করে চলেছি অপচয় সেই জল, ধরিত্রীর বুকে সঞ্চিত আছে যে জল। ধরিত্রী নিজের বুকে সযত্নে রাখে যে জল, কারণে অকারণে ধ্বংস করছি সেই জল। জল বাচলেই বাঁচবে অমূল্য জীবন, জলের এভাবেই হয়তো ...

417>||-ঋতু গেছে চুরি--||---W-

417>||-ঋতু গেছে চুরি--|| আমার গ্রাম বাংলার সেই প্রকৃতি, ছয়জন ঋতু ডাকদিত বাড়ে বাড়ে। মাসগুলি আছে পর পর, তবুও তাদের চেনা দুষ্কর। ঋতু গুলি হয়েছে হৃত, তাইত পথ ভুলেছে, পরিবেশ বন রাজি ব্যথায় কুঁকড়ে আছে। আমরাই প্রকৃতির পরিবেশ বিষাক্ত করছি। আমরা মানুষ, শ্রেষ্ঠ জীব বলে করি মান্য, আমাদের শিক্ষা,জ্ঞানের ভান্ডার অগ্র গণ্য। তথাপি আমরা পরিবেশ কে করি অমান্য, শ্রেষ্ঠ বলে নিজেদের করতে চাই প্রতিপন্ন। নিন্দুকেরা করুক নিন্দা আমাদের কিসে ভয়, শৈশব হতে গিলছি পুস্তক আমাদের কিসে ভয়। বিশ্ব ধর্ম সভায় ধর্মে হয়েছি শ্ৰেষ্ঠ, কত নোবেল জিতে হয়েছি শ্রেষ্ঠ। ধর্ম গুরুদের ধর্ম আজ ধর্মের নামে লুটের জন্য ধর্মের নামে শিশু আর নারীদের করছে পন্য। বিশ্ব সেরা মানব জাতি ত্রিভুবন করেছি জয়, জলে আর্সেনিক, বাতাসে বিষে বিষ ময়। বন অরণ্য করছি ধংশ অবহেলার ছলে, বন্য পশুরা আজ ধাইছে গ্রামের পানে। আজ ঋতুর গেছে চুরি,পাখি, কিট, পতঙ্গ লুপ্ত, আবহাওয়ায় বিষ নানান রোগের বার বাড়ন্ত। তথাপি আমরা শ্রেষ্ঠ আমরা সর্ব শ্রেষ্ঠ, পথে ঘাটে বাজারে তর্ক আহমিকায় প্রচেস্ট। <--©--●অনাথ●---> 【--anrc---07/03/2018--】 【-11:08:17==...

416>||--- "এসো হে বসন্ত "---||---W-

417>||--- "এসো হে বসন্ত "---|| ||-এসো হে বসন্ত-|| ষোড়শী হৃদয়ের পরশ, প্রেমের উত্তাল ঢেউ, বাঁধন না মানা অশ্ব ক্ষিপ্ত, বিন্দু বিন্দু ঘাম শরীর উন্মুক্ত। বসন্তের রঙিন গন্ধ, নানাবর্ণে রঞ্জিত অধর ক্লান্ত। পূর্ণিমার স্নিধ আলোতে মাখা, গোলাপের অর্ধ কুসুমের ব্যথা। আনন্দে মুখরিত অলিসম নৃত্য, যুগল প্রেমে ঘনিষ্ঠ আবৃত। হৃদয় মানিলেও মন প্রমাদ গোনে, গোগ্রাসে গিলতে চায় যৌবনকে। আজি লেগেছে বসন্তের হাওয়া, ষোড়শী মনে ফুলের বনে বনে। ফুলের রেনু মাখা মাখি মন, পূর্ণিমার আলোতে সর্বক্ষণ। স্নিগ্ধ আলোর স্পর্শে অফুরন্ত সুখ, এমন মধুর মিলনে স্বর্গীয় সুখ। রঙে রঙে মিলিয়েছে একটু স্পর্শ, আলিঙ্গনের আনন্দ অফুরন্ত প্রেম স্পর্শ। প্রত্যুষে ফুটবে যে গোলাপ, শিশিরের অপেক্ষায় আছে চেয়ে। অর্ধ কুসুমিত শুভ্র যূথিকা কানন, পলাশবৃক্ষে যেন লেগেছে আগুন। ষোড়শীর প্রেমের আহ্বান, সিক্ত বসনে স্পষ্ট অঙ্গ যৌবন। আকুল প্রেম পায়না কোন কুল, উত্তাল প্রেমের আগুনে ভাসে দুকূল। মিলনে ব্যাকুল প্রেমের চুম্বন, নয়ন আকৃষ্ট করে মন প্রাণ। সিক্ত অনাবৃত শরীরে স্পর্শ সুখ, একান্ত মিনলকে করে মধুর। ফুলে ফুলে রঙিন বসন্তের সকাল, মুখরিত আকাশ বাতাস প্রান...

415>||কিছু আবল তাবল লেখা

415>  1 > .||কিছু আবল তাবল লেখা-||-10/05/2017:-   ==============================  1 > .||কিছু আবল তাবল লেখা-||-10/05/2017:-  হাসির কাছে আত্মসমর্পণ। //  সবিতা একটা নীল রঙের শাড়ি পরে,//  মাথায় সুন্দর ফুলের গাজরা //  লাগিয়ে ফটো তুলেছে। //  ওকে সত্যি খুব সুন্দর লাগছিল। //  সেই কারণে লিখলাম---//  ওটা তোমারা দেখে বলবে, //  south Indian styl // আসলে ওটা // South Belghoria styl // With GAJRA at right side // It call 229A styl // Blue bird fly // With sweet smile // So u can say // It is Sabita special styl // Product of // TATA Steel cb of // Mango sp styl. // ওর মুখের মুচকি হাসি, //  অপূর্ব অপূর্ব। // টেনশন মুক্ত মুচকি হাসি // কোথায় পাবে এমন হাসি // হৃদয় খোলা মুক্ত মনেরএমন হাসি। // অনেক বোঝা বয়েছে জীবনে // আজ নাহয় হাসলো একটুহাসি। // রবি ঠাকুরকে জানাই প্রনাম // তাঁর কল্যানে এমন হাসি পেলাম। // জীবনের বহু সন্ধ্যা কেঁদেই করেছে পার। // এক দিনের হাসি টুকুই বহু মূল্য উপহার। // ওটুকুই অশেষ মূল্য আমার কাছে // কিছুই নাথাক এমন হাসি...

414> || প্রকৃতির খেলা ||

 414> ||  প্রকৃতির খেলা ||                    <--©➽--আদ্যনাথ--> সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছাতেই জন্ম আর মৃত্যু সত্য, ধংস আর সৃষ্টি, প্রকৃতির খেলা চলছে নিত্য। কারুর কালে,কারুর অকালে,আসবেই মৃত্যু, শোক তাপ থাকবেই সেটাইত সত্য। মনে  আনন্দ তো থাকবেই সেও নিত্য সত্য, জন্ম মৃত্যু প্রকৃতির খেলা সৃষ্টির নিমিত্তে সত্য। ধরার মাঝে থেমে থাকেনা কোন কার্য, সকলকে করে যেতেই হবে আরাধ্য কার্য। প্রকৃতি হলে সহায় সিদ্ধ হয় কার্য, অপূর্তির কারন বটে মনের অধর্য। শান্ত ধীর, স্থির  একাগ্র মনে,  শক্তির সঞ্চার হয় প্রকৃতির দানে   জন্ম মৃত্যু সেতো প্রকৃতির ইচ্ছা, সৃষ্টিকে সামলে রাখা সেও প্রকৃতির ইচ্ছা। উচিত নয় প্রকৃতিকে উপেক্ষা করা , প্রকৃতি নিজেই শক্তিধর সকল শক্তির বাড়া।   ------<--©➽--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->------ ================================

413>||----সেতু বন্ধ--||-----W---

413> ||--সেতু বন্ধ--|| উৎসব মানেই ভরপুর আনন্দ শিশুদের সাথে আমরাও করি আনন্দ। উৎসব আনন্দের রকমারি পর্ব পালন, বর্ষভর চলতে থাকে উৎসব করে যতন। পালন করলাম উৎসব বড়দিনের, চললো ধুমধাম সান্তা ও যিশু কে নিয়ে। সাথে বর্ষশেষের উৎসব সকলে মিলে, উৎসব নুতন বর্ষ বরণ দিয়ে। উৎসবের রকমফের চলে বর্ষভর, কিন্তু একবারও ভাবি কি ওদের, ওই যে ওরা,অসহায় ওই পথশিশুদের। আর, যারা আছে ওই হোমে, মাদার টেরেসার আদরে কোলে। আমাদের আনন্দ উৎসব চলে, ওদের অশ্রু, জলে ভরে। আমাদের কেক ও নানান ব্যঞ্জন, ওদের বাড়ায় ক্ষুধা বেদনার কারণ। ওই যে ওরা অবহেলিত নিতান্ত পথ শিশু, হয়তো ওদের মধ্যেও আছেন ভবিষ্যতের যীশু। আমরা করি পূজা উৎসব আনন্দ, কত আচার বিচার কতো স্বাচ্ছন্দ। আমরা পারিনা,ওই পথ শিশুদের একটু আনন্দ দিতে, কেন পারিনা আমাদের উৎসব আনন্দে, ওই ওদের একটু ভাগিদার করে নিতে? উৎসব তো সকলের মনের আনন্দ যোগায়, তথাপি ওদের ভুলে যাই অবহেলায়। আমাদের একটু সদিচ্ছা,একটু সদ্ভাবনা, একটু অন্তরের ভালোবাসা। হয়তো দিতে পারে ওদের নুতন জীবন, নুতন করে বাঁচার আশা। আজ এই শুভ দিনে আমরা করি পন, ওই শিশুদেরও আজ হতে ভববো আপন। আমাদের সকল পর্ব পাবনের দিনে, সকল আনন্দ অনুষ্ঠ...

412>জীবনের ভুলগুলি -( 1 to 2 )-

412>-----------------------( 1 to 2 ) 1>জীবনের ভুলগুলি 2>উচ্চ আশা নিশ্চই ভাল।----তবে---???? ==================================== 1>জীবনের ভুলগুলি শুধরে নেবার তরে খুঁজে চলেছি ফাঁক ফিকির, যেদিকে তাকাই সবটাই দেখি ফাঁকির ফিকির। আশেপাশে সকলেই ভানকরে যেন অবুঝ অনক্ষ, অন্যের উপর চাপিয়ে দোষ থাকছে নৈরপেক্ষ্য। হাঁ- হুতাশ করে কাটে রাত্র দিন, ফেরার পথ সকলি হতাশায় মলীন। এখন বুঝেছি বেঁচে থাকাটা দুরাশার দিন, মৃত্যু তো শ্যাম সমান বড়ই কঠিন। নাজানি কেনরে ফুরিয়েছে অশ্রু, হৃদয় বেদনায় খুঁজে পাইনা শুশ্রুষু। হায়রে জীবন একি তোর পরিণাম, কিসের মোহে বসে একা আনমনে। নিজের দোষে ভুগছি নিজে, দূষছি কেবলি ভাগ্য দেবতারে। ||----anrc----19/01/2018::------|| ||==================|| 2>উচ্চ আশা নিশ্চই ভাল।----তবে---???? তবে সেই উচ্চ আশার সীমা থাকা প্রয়োজন। আর উচ্চ আশা লাভের জন্য নিজেকে তৈরি করাও নিতান্ত প্রয়োজন। আমরা আমাদের মনের অনেক আশা আকাঙ্খা যা পূরণ করতে পারিনি তা আমাদের সন্তানদের দ্বারা পূরণ করতে সচেষ্ট হই।সেটা এক প্রকারে ভাল চিন্তা। কিন্তু এই আশা পূরণের লক্ষ্যে নিজের শিশুটিকে অন্য ভাল কারুর মতন গড়...

411>আমার প্রার্থনা--।।- ( 1 to 3 )-

411> 1> ||-- আমার প্রার্থনা--||-28/09/2017:::- 2>||--আসলে সেই শ্যামা--|| 3>বুড়োর মনের জ্বালা---- ================================= 1> ||-- আমার প্রার্থনা--" মা " দুর্গে দুর্গতি নাশিনী,||-28/09/2017:::- " মা " দুর্গে দুর্গতি নাশিনী, আগামী কাল দশমী। তুমি নেবে বিদায় আমাদের অশ্রু জলে, জানিনা আগামী বৎসর থাকবো কি আমি? পাবকি তোমার দেখা এক বছর পরে? মনকি চায় দিতে তোমায় বিদায়? তুমিই প্রকৃতি, তুমিই মা জগৎ জননী, তুমিই সৃষ্টি, স্থিতি,বিনাশিনী। তোমার লীলা বোঝা মানুষের অসাধ্য, তোমার করুনা ধারা সেতো তোমারি সাধ্য। এই অধমেরে করিও ক্ষমা, দূর করো সকল পাপ জাআছে জমা। অধমেরে করিও ক্ষমা,বিনতি তোমার চরণে, আগামী বৎসর পাই যেন দেখা সুস্থ বয়নে। তোমার করুনা ধারায় উদ্ধারিছ কতো পাপিজন, এই অধমও মাগিছে তোমায়র আশীষ অনুক্ষণ। আজ তোমার বিদায়ের পূর্বে পুণ্য ক্ষনে, জানাই প্রনাম,এইআধমের রেখো 'মা' মনে। একান্ত নাই করো যদি, দিও ঠাঁই চরণ তলে, ধোয়াব চরণ তব মম অশ্রু জলে। প্রকৃতির লীলা যতো তোমারই ইচ্ছা, ভাঙা গড়া সকলি তোমারই প্রেক্ষা। তুমিই সৃষ্টি, স্থিতি,বিনাশিনী,শিবের ...

410>||-বাংলার ঋতু----||-----(নুতন করে লিখলাম )--------W

410> ||-বাংলার ঋতু--||  ----------(নুতন করে লিখলাম ) |-বাংলার ঋতু--| হে বিশ্ববিধাতা লহো মোর অঞ্জলি, সুন্দর সৃষ্টি তব ঋতুর ডালি। ঋতুশ্রেষ্ঠ বসন্তের দোলায় বসে, ভুবন ভতিছোঁ ফুলদলে। হৃদয় মাঝে পরমানন্দে বন্দনা করি তব, সৃষ্টি,স্থিতি,লয়,সকলি ভাবনা তব। বিশ্বপিতা একই রজ্জুতে বিশ্বকে বেঁধেছেন, উচ্চ, নিচ,জ্ঞানী,পাপী সকলি রেখেছেন। বসন্তের স্নিগ্ধ পাবনে রঙ্গ মাতাইলে, চৈত্রেরেই তোমার রোষাগ্নি বর্ষাইলে। ঋতু রাজের ঋতুর আসন ফুলে ভরা, সদাই পূজ্য আমাদের বসুন্ধরা। বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠমাসমিলে গ্রীষ্মকাল পাকে আম, ভীষণ রোদে ছোটে ঘাম কালবৈশাখী ঝড়ে ওড়ে চাল। তথাপি বৈশাখের আদর চির কাল। আষাঢ়, শ্রাবণের যুক্তিতে বর্ষার সৃষ্টি মেঘে ঢাকা আকাশ আর টুপটাপ বৃষ্টি। প্রকৃতির এক অপূর্ব সৃষ্টি। বসুন্ধরার আনন্দ নব নব সৃষ্টি। ভাদ্র,আশ্বিনে শরৎকাল ভরা নদীর দুই কুল, ঝলমল আকাশের তারা, মাঠ ভরা কাঁশফুল। আসবেন মা দুর্গা সে ভাবনায় হয় না ভুল। আবাল বিনীতার আনন্দের থাকেনা কুল। কার্তিক অঘ্রাণে হেমন্তের বাতাসের ঘ্রাণ। মাঠে মাঠে ভরপুর পাকা ধান। কৃষকের মনে জোগায় নুতন প্রাণ। ঘরে ঘরে বধূগণ গাহেন আনন্দের গান। পৌষ মাঘের মিল...

409>||- ভালবাসা----||-----W-

409>|| ---ভালবাসা----|| ভালবাসা যে ভীষণ কঠিন, ভীষণ হৃদয়ের জ্বালা, ভীষণ মনের টান, ভীষণ দৃষ্টি নন্দন, ভীষণ চুপ থাকা।     ভালবাসার ঠোঁটের ছোয়া---- অমৃত পরশ মাখা, ভালবাসায় কাছে আসা, স্নিগধ গোলাপ গন্ধ মাখা।    ভালবাসার একটু ছোঁয়া, গভীর শিহরণ কম্পন। ভালবাসার অশ্রু জল, স্নেহ দিয়ে মাখা।     ভালবাসার বেদনা, গভীর মনের আবেদন। ভালবাসর বন্ধন, স্বর্গীয় আনন্দ। ভালবাসার অভিনন্দন, হৃদয়ে আনে জোয়ার।     ভালবাসার স্বীকৃতি, চরম প্রাপ্তির স্বীকৃতি। ------ ভালবাসতে হলে মন প্রাণ দিতে হয় তাঁরে।    একবার ভাল বাসলে, হৃদয়ে ছবি তুললে, মনকে মিলিয়ে নিলে, হৃদয় সহ মনকে আনন্দ প্রদান করলে, ঠোঁটে একবার ঠোঁটের পরশ লাগলে, চোখের দৃষ্টির পথ বেয়ে মনে প্রবেশ করলে, নিঃস্বাস প্রশ্বাস এক সুরে বইলে, হৃদ কম্পন ক্রমে বাড়তে থাকলে,    প্রেম পরশের গন্ধ্যে স্নিগ্ধ বায়ু বইলে, বৃক্ষশাখে কপত কপতি চঞ্চু চুম্বন নিলে, ভালবাসা হয়ে ওঠে স্বর্গীয় সুখের আবেশ। এমন ভালবাসা হলে জীবনে যায়কি ভোলা।    ভালবাসাতেই তো স্বর্গীয় সুখ লাভ । নিঃস্বার্থ ভালবাসায় থাকে...

408>||----সুন্দর কবিতা---||-

408> ||--সুন্দর কবিতা--|| একটি সুন্দর উর্দু কবিতা শুনেছিলাম, এই উর্দু তো আর লিখতে পারবোনা, তবে তাঁর ভাবার্থ টুকু যেটুকু বুঝলাম, লিখে রাখতে চেষ্টা করলাম--- --তফাৎ স্রেফ এইটুকু--- তোমার শিবিকা উঠছিল, আমার শব উঠছিল। ফুল তোমার উপরে ও বর্ষেছিল, ফুল আমার উপরে ও বর্ষেছিল। তফাৎ স্রেফ এইটুকু----- তুমি সেজে উঠলে, আমাকে সাজিয়ে দিল। তুমিও চলেছ ঘরে, আমিও চলেছি ঘরে। তফাৎ স্রেফ এইটুকু----- তুমি নিজে উঠে গেলে, আমাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল। ওখানেও অনেক লোক ছিল, এখানেও অনেক লোক ছিল। তফাৎ স্রেফ এইটুকু----- ওখানে সকলের মুখে ছিল হাসি, এখানে সকলের চোখে ছিল অশ্রু ভরা। পুরোহিত ওখানেও ছিল, পুরোহিত এখানেও ছিল। তফাৎ স্রেফ এইটুকু----- তোমার হচ্ছিল বিবাহের অনুষ্ঠান, আমায় হচ্ছিল শবদাহ অনুষ্ঠান। ওখানেও মন্ত্র পাঠ হচ্ছিল, এখানেও মন্ত্র পাঠ হচ্ছিল। তফাৎ স্রেফ এইটুকু----- তোমার বিবাহের মন্ত্র পাঠ হচ্ছিল, আমায় শবদাহের মন্ত্র পাঠ হচ্ছিল। ( এটি একটি অনুবাদের চেষ্টা মাত্র ) ||---anrc----------27/03/2018----|| ||=====================|| <--©--●অনাথ●---> 【--anrc--2018--】 【-TIME  L=】 ======================...

407>||-| সমুদ্র আজ শান্ত -||BM

  407>|| সমুদ্র আজ শান্ত -||BM                        <--©➽--আদ্যনাথ-->                     আজও সমুদ্র কতো শান্ত তুমি ভেজালে তোমার শাড়ি, একটু তুলে নিতেই পারতে ধরে, সকলের সাথে তুমিও স্নান করতে। চটি দুটিকি খুলে রেখেছ বীচে? না না সমুদ্র দেবে ফিরিয়ে। সাঁতার জাননা আর যেওনা গভীরে, বড়ো ঢেউ আসলে ভিজিয়ে দেবে। এসো ঝাল মুড়ি খাই বীচে বসে, চিনাবাদাম খাইনি অনেক দিন। এসো ওই দোকানে একটু কফি খেতে, বহুদিন খাইনি একসাথে বসে। দীঘার বালিগুলি কতো চক চক করে, একটু ওদিগে কতো সুন্দর লাল কাঁকড়া, সেবার বীচকে তোমার ভালো লাগেনি, কারন তুমি ঝিনুক কুড়োতে পারনি। দুজনে মিলে সেই ঝিনুক  কুড়ানো, যেন মুক্ত খোঁজার খেলা। সেই লাল কাঁকড়ার লকোচুরি খেলা, তুমি কিনেছিল মুক্তোর মালা। তুমি সমুদ্র ভালো বাসো, তাইতো বারবার ছুটিতে দীঘায় আসো। সত্যি সমুদ্র দেখে তুমি যেন কেমন, হোয়ে যেতে চঞ্চল বালিকার মতন। আর আমার ভালো লাগতো, তোমার ঐ নোনাজলে ভেজা তোমাকে। পিছন থেকে মনেহত যেন মৎস্যকন্যা, ওই নীল শাড়ি টায় যে...

406>||-জীবনের উদ্দেশ্য-|| নিবেদন for সংরক্ষণ |

 406>||-জীবনের উদ্দেশ্য-||                 <----আদ্যনাথ--->( © ) এই যে জগৎ যাহা দেখি শুনি যেখানে অধিকার জমাই, এটাই একমাত্র জগৎ নয়। এটার পেছনে গোপনে আরও একটি জগৎ আসছে। সেই জগৎ শাশ্বত রহস্যে ভরা, ফ্ল্গু নদীর মতন বয়ে চলেছে, মনেহয় বালির স্তূপেতে ভরা। "শাশ্বত রহস্যভরা গহন গভীর জীবন-মন্দাকিনী, যাহার গতি কল্প হইতে কল্পান্তরে, দুঃখকে তা করেছে অমৃতত্বের পাথেয়, অশ্রুকে করিয়াছে অনন্তজীবনের উৎসধার------" সেই রহস্য ভেদ করাই মানুষের, শ্ৰেষ্ঠ নিদর্শন।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc--26/20/2018--】      【=সকাল;::08(:08:22=】   【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】 ======================== 2>|| নিবেদন for সংরক্ষণ  ||==MB দেশের সকল কিছুই সমান হোল নারী পুরুষ সমান সমান, লিঙ্গ বৈষম্য রইলনা আর। পরকীয়া আর সতী নারীতে নাই ভেদ। তবে এখনো সংরক্ষণ নিয়ে এতো জেদ? জাত পাত নিয়ে কেন ভেদা ভেদ? মহামান্য আদালত দূর করুন জাত পাত, আর সংরক্ষণ। মান্যতা দিন মেধায় সকলের সমান অধিকার। তবেই হবে দেশের কল্যাণ। অন্যথায় ক্রমেই রসাতল...

405>||--মানুষ ও পশুত্য ----||-------( 1 --2)

405>||-- : মানুষ ও পশুত্য :----||             2>||--মানুষ vs পশু::-|| =================================== 405>||-- : মানুষ ও পশুত্য :----||       মানুষ ও পশুত্য অধিক নিদ্রা,অধিক ভোজন বারণ, অধিক ভোগ,অধিক ভীতির কারন। এহেন তিন গুণের আধিক্য, মানুষকে করে তোলে পশুতুল্য। জ্ঞানই সম্মানের কারণ  জ্ঞান বিনা মানুষ অধম।  পশুমাত্র আছে  শারীরিক  বল, বুদ্ধি বিনা ব্যর্থ পশুর সকল বল। হলেও হিংস্র অধিক বলবান, মানুষের বুদ্ধির কাছেপশু হীনবল।  মন  যদি  থাকে নিজের বসে, সকল কার্যই হয় সহজে।  মন থাকলে বসে, হোকনা শরীর সাধারণ, মানুষ করতে সক্ষম অসাধ্য সাধন। তন, মন,আত্মা, দৃঢ় হয় যার, সেই পেতেপারে ঐশর্যের অধিকার। পশু বলবান প্রকৃতির কারনে, মানুষ শ্রেষ্ঠ জ্ঞান বুদ্ধির কারনে। অহংকার রহিত বিবেক বুদ্ধি সহ ধৈর্য, মনুষেকে প্রদান করে মহান ঐশ্বর্য। বিশ্বাসই বড় ধন কার্য ও ধৈর্যের, বিশ্বাসই জনক সকল বৃহত কার্যের। প্রবল বিশ্বাসের দ্বারাই সম্ভব, অসম্ভব কে করতে পারা সম্ভব। অসতর...