429>||--বর্বরতা--||
429>||--বর্বরতা--||
আদিকালে মানুষ ছিল উলঙ্গ,
তাকে কাপড় পরিয়ে করা হল সভ্য।
পরিধান সভ্যতার এক সোপান মাত্র,
আবৃত শরীর সৌন্দর্যের এক অঙ্গ মাত্র।
শরীর আবরনে রাখাই সভ্যতার প্রদর্শন,
উলঙ্গতা অসভ্য বর্বরতার নিদর্শন।
সভ্যতার ক্রম বিকাশ সমাজের অঙ্গ,
পরিধানের নিচে সকল শরীর উলঙ্গ।
তথাপি কে কেমনে কতটুকু আবৃত,
সেটা নিয়ে কেন এত হয় বিবৃত।
আসলে উলঙ্গতা নয় বর্বরতা,
মনের এক বিকার ব্যাধি এই বর্বরতা।
মানুষের শুভ চেতনা ও বুদ্ধিমত্তা,
পশু থেকে মানুষ কে করে আলাদা।
নুতন প্রজন্মের বাড়ন্ত বিকৃত চিন্তা,অস্থির মন,
মস্তিষ্কের অনুর্বর ভাবনার ক্ষণিকের প্রসাধন।
মানুষ কেবলএকটি জৈব অস্তিত্ব নয়,
মানুষের প্রকৃত সত্বা মনুষ্যত্বে নিহিত রয়।
মানুষের মনুষ্যত্বের আধার তাহার সক্ষমতা।
বুদ্ধিবৃত্তি শারীরিক এবং মানসিক সক্ষমতা।
বর্তমানের fb আর what'sApp এর প্লাবন,
যুবসমাজ কে করছে গ্রাস সাস্কৃতিক আগ্রাসন।
সমাজে বইছে বিকৃত চিন্তার সুনামি প্রবৃত্তি,
বাড়ন্ত হিংসা,কামকলহ,যৌনাচারের দস্যুবৃত্তি।
বর্তমান বিশ্বায়নের সাস্কৃতিক আগ্রাসন,
ভুলেছি ভাতৃত্বের মহা মিলনের আহবাহন।
আমাদের ধর্ম মান্য বিশ্বে শ্ৰেষ্ঠ আসন,
আমাদের ধর্ম ভাতৃত্ব ও মাতৃত্বের অবদান।
আমরা শিখিয়েছি বিশ্বকে ষড়রিপু করতে জয়,
কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-মদ-মাৎসর্য্য করতে জয়।
আমরাই করেছি কাম শাস্ত্রের উদ্ঘাটন,
ঋষি বাৎসায়নের 64 আসনের বর্ণন।
সেখানে নাই যৌনতার আবেগ লেস মাত্র,
শাস্ত্র জ্ঞানের ভান্ডার শিক্ষার বিষয় মাত্র।
বিদেশি সভ্যতার কদর্য রুপ যৌনতা,
তাঁদের বিকৃত সভ্যতা ভোগ ও কদর্যতা।
আমরা নারীকে মাতৃ রূপে করি গণ্য,
করি শ্রদ্ধা ভক্তি,পুষ্পাঞ্জলি পূজার জন্য।
আমাদের ভাবধারা ভাতৃত্বের মান্যতা,
বিদেশি ভাবধরা সম লিঙ্গে প্রেম যৌনতা।
সাস্কৃতিক আগ্রাসন সমাজকে করছে গ্রাস,
এহেন বর্বরতা, আজ সমগ্র বিশ্বের ত্রাস।
হয়তো আসবে শুভ চেতনার সুনামি সত্তর,
বর্বরতার হবে নিধন করতে শান্তির পত্তন।
[ শ্রীমদ্ভগবদগীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন-------
"যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্॥
পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্।
ধর্ম সংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে॥" ]
||---anrc----------14/03/2018:::-------------||
||============================||
Comments
Post a Comment