Posts

Showing posts from June, 2018

497>||--আমের কথা--||---(1---4)

497>||--আমের কথা--|         2)||-आम -||          3)।। আম আমাদের ভারতের ফল ।।           4)||--আমের কথা--|| (একটু নুতন করে) ============================ 497>||--আমের কথা--||-- ||--আমের কথা--|| খাবে লিচু যেতে হবে চন্দন নগর, হুগলি, শাহী লিচু পাবেন মজফরপুরে। শাহী লিচু একটিতেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। আহা যেন রসগোল্লা রাজভোগ ও লজ্জাপায়। এবারে আসল কথায় আসি। ফলের রাজা আম। কত যে নাম, কত বাহার। মালদহ ও মুর্শীদাবাদী আম, ভোলা কি যায় তাদের নাম, ও স্বাদের বাহার। কিন্তু ভাই প্রাণ মন ভরে আম খেতেহলে যেতে হবে বাংলাদেশের পশ্চিম প্রান্তে চাঁপাই নবাবগঞ্জে( আগে মালদার ই অংশ ছিল এখন পূর্ব বাংলার অন্তর্গত) চাঁপাই নবাবগঞ্জ কে "আমের দেশ" ও বলা হয়। মনেহয় সারা পৃথিবীর আম গাছ এখানেই আছে। চারিদিকে শুধুই আম গাছ। আম গাছের মাঝেই মানুষের বসতবাড়ী, দোকান পাট, কারখানা। মনেহবে সারা বিশ্বের সকল আম গাছ ই এখানে আছে। এবারে বলি কিছু আমের নাম। যেগুলি আমি দেখেছি। তবে সবগুলি খাওয়া হয়নি। কারন সকল আম এক সময় পাকেনা। এক এক রকমের আমের পাকা...

496>||-বঙ্গের প্রকৃতি-||

496>||-বঙ্গের প্রকৃতি-|| মোদের বঙ্গ প্রকৃতি, মোদের প্রাণ, অপরূপ সুশোভিত বর্ন ময় দান। এইবঙ্গের মাটির সুমধুর ঘ্রাণ, আকুল করে বঙ্গবাসীর প্রাণ। প্রভাতের শীতল সমীরণে, দোদুল দোলায় দেয় দুলিয়ে। হাওয়ার তালে তালে, দোলে বৃক্ষ তরু লতা দোলে। ফুল ফোঁটে প্রকৃতির কোলে, বুকভরা অমৃত মধু লয়ে। বর্নময় রূপের ডালি সাজিয়ে, রঙিন পেবল পাপড়ি দল লয়ে। অপরূপ সৌরভ বিস্তারিত কাননে, ফুলের মধু লোভায় মধু মক্ষিকাকে। বৃক্ষলতায় ফোটে ফুল নিজের স্বার্থে, বৃক্ষ বিস্তারে নিঃশব্দে প্রকৃতির স্বার্থে। প্রকৃতি আনন্দে মাতে দিক দিগন্তে, সৃষ্টির অপরূপ খেলা আনন্দ ভুবনে। পরিবেশ হয় সুন্দর বৃক্ষলতার দানে। প্রকৃতির আনন্দ শোভাবর্ধনে। বৃক্ষ লতার কারণেই অস্তিত্য সচল জীবন, জীবের কারণেই বৃক্ষ লতার ক্রমবর্ধন। বৃক্ষ ও জীব উভয়ে পরিপূরক জগতে, একে অন্যের তরে সদা ব্যস্ত নীরবে। আছে গ্রহতারা চন্দ্র সূর্য গগনে, আসমুদ্র হিমাচল এই সুন্দর ভুবনে। সাগর গিরি কন্দর বিস্তীর্ণবালু রাশি, নদী প্রান্তর বিস্তীর্ণ তৃন ভূমি রাশি রাশি। এই ভারতের সাগর তীরে বনরাজির মেলা, নদী খাল বিল বুকে লয়ে অমৃত জল ধারা। প্রকৃতির সৌন্দর্য ভুবন ...

495>||--পান্তার ঘুম--||

495>||--পান্তার ঘুম--||  এই ভীষণ গরম, কেমন কাটছে দিন। এই গরমে ওই একটু বৃষ্টি, যজ্ঞ্কুণ্ডে ছেটায় ঘি। মাছ মাংস ডিম তাকারী ভাগাড় আর রং এর কারবারি। জমিয়ে নিন গ্রীষ্মের মজা, ঠান্ডা ভাতে জলের মজা। এই গরমের তাপ দেহে দুইবেলা পান্তা খেয়ে জমিয়ে ঘুম লাগিয়ে ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবলে মন ভিজিয়ে চোখ জুড়িয়ে, কাটছে দিন। দাঁত নাই যে দাঁত কেলাব। মোবাইল আছে টিপেই যাব। মনের কথা আঙুলে বুলিয়ে লিখে দিলাম। পান্তা ভাতে লেবু দিলাম। এই গরমে পান্তা খেয়ে চিতে শুয়ে লাগে বেশ। কেউ দিলে সুড়সুড়ি , মনে জাগে ভুর ভুড়ি। সুরসূরির রকম বেশ, জাগায় দিলে কায়দায় লাগে, লুকিয়ে দিলে মজা লাগে। বলে দিলে ভাল লাগে। গোপনে দিলে ইচ্ছে করে। রয়ে দিলে সয়ে যায়, জোরে দিলে ভাল লাগে, অনিচ্ছায় দিলে ঘেন্না করে, বাধ্য করলে রাগবারে, আদরে দিলে আদর মেলে। জায়গা বিশেষ কায়দা মেলে, কায়দা পেলে ফয়দা মেলে। অনিচ্ছায় কেচ্ছা বাড়ে, ঝগড়া হলেও হতেপারে। এক ছিল সুড়সুড়ি বুড়ি তারছিল তিনটি বুড়ো। এককে দিলে অন্যের গোসা, কেউ বোঝেনা কথা সোজা, একসাথেকি তিন হয়, রয়ে সয়ে নিলেই হয় । বুড়ির মহা জ্বালা। বেঁধে দিল সবার পালা। একে...

494>||--জামাইষষ্ঠী--||

494>||--জামাইষষ্ঠী--|| এমন ভাগ্য কজনের হয় এমন শশুর বাড়িও হয়। শাশুড়ি থাকতেও যখন, শশুর মশাই কঞ্জুস হন। শালা গুলো বেড়ে বজ্জাত, সবেতেই খোঁজে নিজের ভাগ। ভাগ্য কিআর গাছে ফলে, ঘরে বসে বাবার গেলে। বেকার হয়েও রোয়াব মারে। বাস স্টান্ডে আড্ডা মারে। ভিড়ের মধ্যে কনুই  মারে। তারা জামাইবাবুর পকেট খোঁজে। সিগারেট না পেলে মানি ব্যাগ খোঁজে। জামাই ষষ্ঠীর আদর কোথায়। বেকার শালাদের রোয়াব যেথায়। <--©--●অনাথ●---> 【--anrc---23/06/2018--】 【09:36:32pm===】 ||=====================|| ||-জামাই  পান্তা-|| লেবুর পান্তা বড়ই ঠান্ডা আতি শ্রেয়, ডালের বড়া জমবে ভাল, হয় যদি একটু করা। নারিকেল ফেলার মজাই মজা, কচাকচ দাঁতের ফাঁকে। বুড়ো হলেও বউটি যদি কাছে থাকে। ভাবনা হবে যে ষোল হাতে নাহলেও মুখেই ভাল। লেবুর টক টা ভুলে চোষা মনে। মুশুর ডালের দানা ভেবে। খতিকী ঝুলে গেলে জিভ আছে নাড়িয়ে নিতে। জামাই ষষ্ঠীর খাওয়া বটে। পাঠা মুরগির হার নাচুষে। বউকে নিয়ে জমিয়ে বসে। <--©--●অনাথ●---> 【--anrc---23/06/2018--】 【09:36:32pm===】 ||=====================| ||-জামাই আদর-|| তিন বা ...

493>||-ঈশ্বর ও কর্ম-||---------W

493>||-ঈশ্বর ও কর্ম-|| 94>||-ঈশ্বর ও কর্ম-|| কোন প্রার্থনাই হয়না বিফল। নিশ্চয় মিলবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ফল। প্রার্থনা ও ফলের নির্বাচন, বড়ই জটিল সমীকরণ। এই সৃষ্টির মাঝে, জানতে হ'বে বাঁচতে। বাঁচার মতন বাঁচতে, নিজেকেই হ'বে বাঁচতে। তবেই হবে অনুভব জীবন কত মধুর, কি অদ্ভুত বিস্ময়কর সুন্দর। ঈশ্বর সদাই নির্দায় নিবৃত্ত। ঈশ্বর করেন না কাহার ও কোন কার্য, জীব মাত্রেই কর্মে সমর্পিত। কর্মই তাঁহার শ্রেষ্ঠ ধর্ম। কর্ম ও নির্দিষ্ট নিয়মের অধীন জীবন, সময় নিতান্তই অল্প কর্ম দুর্বিস্তারী জীবন। মনুষ্য নির্দিষ্ট কর্মের অধীন উৎকৃষ্ট, কর্ম প্রধান বিশ্বে মনুষ্যই জীব শ্রেষ্ঠ। ঈশ্বর করেন সহায়তা সকলের কর্মে, শুভ ফল হবে প্রাপ্ত শুভ কর্মে। অন্যায় অবিচারের ফলও হয় প্রাপ্তি, যেমন কর্ম তেমনি ফল হবে তার প্রাপ্তি। কর্মের পূর্বে জিজ্ঞাস অন্তরে, মনকে রেখে স্থির বিশ্বাস যতনে। উৎকৃষ্ট ফল লাভ হইবে নিশ্চিত, লোভাতুর মনের কর্ম নিস্ফল নিশ্চিত। ঈশ্বর সর্বশক্তি মান দয়ার সাগর, তিনি কখনো হন না নির্দয়। তিনি অতি শান্ত চির নির্দায়, কর্ম কর্তারই বর্তায় সকল দায়। ঈশ্বর করে দেবেন কোন...

492>||-ভালবাসার প্রথম শর্তটাই+ .||-ওয়ার্ক ফ্রম হোম’--||

492>      1>ভালবাসার প্রথম শর্তটাই      2>||-ওয়ার্ক ফ্রম হোম’--||   1> .||-ভালবাসার প্রথম শর্তটাই--||  ভালবাসার প্রথম শর্তটাই হল সম্মান, যে ভালবাসার মানুষটাকে সম্মান দিতে পারেনি সে ভালবাসাও কখনো দিতে পারবে না। ||--©➽16/04/2017-----ANRC------------|| ||========================|| 2>||-ওয়ার্ক ফ্রম হোম’--||  ওয়ার্ক ফ্রম হোম নাম দিয়ে আজ কালকাতার IT সেক্টরের (বিশেষ করে মেয়েদের -এমন ছোটো পরিবারের যেখানে স্বামী, স্ত্রী, ও একটি কি দুটি বাচ্চা আছে) বিষয়ে রকটু লিখতে ইচ্ছা হয়ে ছিল। লিখতে শুরুও করে ছিলাম । গৃহকাজ অসংখ্য কাজ  যে কাজ একমাত্র গৃহবধূর যে কাজ গৃহবধূর করেন ঘরে থাকিয়া। একাজের নাই কোন নির্দিষ্ট চেয়ার টেবিল। একাজ গৃহবধূর করেন সমস্ত ঘর বাহির নিয়া। ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ নিতান্তই অফিসের কাজ যে কাজ কেহ করেন ঘরে থাকিয়া। একাজের নাই কোন নির্দিষ্ট চেয়ার টেবিল। একাজের ধরন কর্মীর নিজের ইচ্ছার নির্ভর । ||©➽-ANRC---22/02/2017 ||===========================||

491>|| ||- হঠাৎ দুপুরে এক পশলা

  491>||-হঠাৎ দুপুরে এক পশলা ।। -হঠাৎ দুপুর দেড়টায় // কোন মেঘ দলছুট হয়ে // ভুলকরে ঝড়ে পড়লো // এক পশলা। // বেলঘরিয়ার মাটি টুকু // সামান্য ভিজিয়ে দিল শুধু //, রোদ্দুর কে ঢেকে ছায়া দিল বটে // গরমকে বাড়িয়ে দিল দ্বিগুন। // ভেবে ছিলাম আহঃ // হবে বোধহয় একটু আরাম মস্তি, // কিন্তু সেআশা ছলনা হয়েই // রয়েগেল দিলনা এতটুকু ও স্বস্তি। // -------ANRC-----09/06/2017---।।।। =================================================

490>||-বর্তমান সমাজ------||

490>||-বর্তমান সমাজ------|| এইতো সেদিনও লোকে দেখতো বুক পকেটে পেন , কত আদরের পেন। নামি দামি কোম্পানির পেন। কি ছিল তার আদর। আজকাল ওই পেনের জায়গা নিয়েছে মোবাইল কত নামি দামি কোম্পানির মোবাইল। তখন কার দিনে গরিবদের চিঠি লেখার একমাত্র উপায় ছিল পোস্ট কার্ড। আজকাল শত দরিদ্র হলেও হতে থাকে মোবাইল, তাতে আবার what's App, Fb. must. বর্তমানের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের দুরন্ত হওয়া সকল কিছুই উল্টে দিচ্ছে। আচর, ব্যবহার, সৌজন্য বোধ,সামান্য ভদ্র আচরণ, সকল কিছুই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। আমেরিকার মতন  দেশ আজকাল যে সম্মান প্রদর্শন করে চীন,জাপান, এমনকি ওই নিগ্ররাও যে সম্মান দেয় বাচ্ছা ও সিনিয়র সিটিযেনদের, আমরা পারিনা সেই টুকুও দিতে। দিন দিন আমরা হারিয়ে যাচ্ছি ওই গড্ডালিকা প্রবাহের অতল তলে। বর্তমানে কেবল বসে দুটো সিট সিনিয়র সিটিজনদের জন্য। এছাড়া বৃদ্ধ বয়সে আর কি পাচ্ছে বৃদ্ধরা। আর যারা একটু বৃত্তবান তাঁদের বাবামা পাচ্ছেন বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই। ছেলে মেয়েদের সময় কোথায় যে বাবা মাকে একটু সেবা করবে। বৃদ্ধ বয়সে তাঁরা কি চায় দুমুঠো ভাত একটু ভালো বাসা। তাও দেবার মতন কেউ নাই। যেসব ছেলে মেয়েদের ছোট ছেলে...

489>||--শিক্ষা ও সমাজ--||

489>|--শিক্ষা ও সমাজ--||আমার তো সন্তান দের দিতে হবে শিক্ষা, আগে দেও একটু সংস্কারের শিক্ষা। শেখাও দিতে সম্মান গুরুজনে, মাতা পিতাকে আদরে আপন জেনে। তারপরে আচার, আচরণ, ব্যবহার, যা হবে জীবনের পাথেয় সবাকার। এমনি জদিহয় প্রথম শিক্ষা, জীবনে সর্ব স্তরে লাভ হবে শ্রেষ্ঠতা। জীবনে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ নয়তো কঠিন, হয় যদি নিতান্ত কিছু শিক্ষা সঠিক। পুঁথিগত শিক্ষা নয়তো শ্রেষ্ঠ পঠন, তার সাথে চাই শরীর ও চরিত্র গঠন। চরিত্রই মানুষের সর্ব শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার, জীবনের দুর্বলতা নিজের অহঙ্কার। অহঙ্কার বর্জিত সুন্দর নির্মল চরিত্র, সর্ব দেশে সর্ব কালে অতিশয় সমাদৃত। সুন্দর সফল জীবন সমাজে আদৃত, সমাজ সুন্দর হওয়া মানুষের কৃতিত্ব। সমাজ বদ্ধজীব মানুষ সমাজের শ্রেষ্ঠ, সমাজকে করতে রক্ষা চাই প্রয়াস-সাধ্য। মানুষ ই রক্ষক,ধারক বাহক,সমাজের, মানুষই করে কল্যাণ সমাজে সকলের। সমাজের তরে মানুষ সমাজ কল্যাণে, জীবন গঠনে সমাজের প্রভূত অবদান। শিক্ষা সমাজের অপরিহার্য অঙ্গ, সকলকেই  শিক্ষায় দিতে হবে সঙ্গ। শিক্ষা বিনা সমাজ অন্ধকার, শিক্ষায় দূর হয় সকল কুসংস্কার। শিক্ষায় বাড়ে সমাজ, জাতির,মান, শিক্ষাই মানুষের ...

488>/(1)||--चेतनमे चैतन्य--||--( 1--2)

488>/(1)||--चेतनमे चैतन्य--||              2)||--চেতনায় চৈতন্য--|| ============================= 488>/(1)||--चेतनमे चैतन्य--|| चेतनमे चैतन्य की प्रकाश होते हैं जब, बुद्धि दृढ़तासे अमृत बरसते तब। अगर नेही हुयाँ चेतनाके बिकाश, जिबनमे दुर्लभ होंगे प्रोकाश। निष्प्रभ जीबन फसे  संसार के जालमे ज्वलकर राख बनजाएंगे।                     <----©---●--अनाथ--●---> ============================ ============================ /(2)||--চেতনায় চৈতন্য--|| চেতনায় চৈতন্য হলে, বুদ্ধিবৃক্ষে অমৃত ফলে। নচেৎ সংসার জালে, জীবন জ্বলে পুড়ে মড়ে। হতাশায় জীবন জ্বলে, পালাবার পথ খুঁজে খুঁজে মড়ে।              <----©---●--অনাথ--●---> =========================== <--©--●অনাথ●---> 【--anrc---17/06/2018--】 【06:22:32pm==50L=】 ==============================

487>||-চেতন চিন্তা-||

487>||-চেতন চিন্তা-|| ওড়ে মনরে আমার তরে, ভাবনার জালে জড়িয়ে রাখব তোরে। দেখি কেমনে পালাশ ওরে, ভাবনার জাল ছিঁড়ে। মনরে তুই এত জটিল কেনওরে, কুভাবনাই জাগে বারে বারে। মনরে তুই ভাবনার রঙে রাঙিয়ে চলিস। মস্তিষ্ককে ভাবিয়ে পাকিয়ে তুলিশ। অবচেতন চড়ে চেতনের  ঘাড়ে, চেতন শুধুই কার্য করে। চেতনের চেতনা হলে, চৈতন্য ব্রহ্মে যাবে মিলে। ভাবনার শুদ্ধি নাহলে পরে, মনকে সদাই বিচলিত করে। বিচলিত মনে অবচেতন বিদ্রুপ করে, চেতন বুঝি দিশাহীন হয়ে পড়ে। দিশাহীন চেতন অবচেতনে সুপ্ত হলে, মস্তিষ্ককে বিপথ গামী করে তোলে। বিপথ,কুপথ,জীবনে জটিল সংশয়, ভাবনা না হলে শুদ্ধ পথ খোঁজা দায়। অবচেতনে সঠিক ভাবনার নেশা, মনকে দেখাবে আলোর দিশা। চেতনায় চৈতন্য হলে, বুদ্ধিবৃক্ষে অমৃত ফলে। নচেৎ সংসার জালে, জীবন জ্বলে পুড়ে মড়ে। হতাশায় জীবন জ্বলে, পালাবার পথ খুঁজে চলে। --©--●অনাথ●---> 【<--anrc---08/06/2018--】 【--11:27:30==28 L=】 【বেলঘড়িয়া, কলি-56 】

486>||-মনের কথা----||

486>||--মনের কথা----||                নিজেকে নিজে বদলে নিতে               সচেষ্ট হয়েছি। আমি ৬৮ বছর বয়সে পা দিলাম। কেঊ যদি  জিজ্ঞেস করে , নিজের মধ্যে -এই বয়েসে পৌঁছে, কিছু পরিবর্তন অনুভব করছ কি? আমার উত্তর হবে.......... এতবছর নিজের পিতামাতা, ভাইবোন, স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, বন্ধুবান্ধব  সবাইকে ভালবাসা দেবার পর এবার শুধু নিজেকে ভালবাসতে শুরু করেছি। হ্যাঁ , আমি একটু হলেও নিজেকে নিজে  পরিবর্তন করবার চেষ্টা করছি। আজ 68 এর কোঠায় দাঁড়িয়ে  বুঝতে পেরেছি যে আমি কোনো পোট্রেট নই যে সকলের সামনে আমি ঝুলব বা আমি এমন কোন কেউ কেটা নই যে সকলে আমাকে মনস্কার বা সেলাম করবে। তাই, সবাইকে ঝেড়ে ফেলে -আমি নিজেকে বদলে নিচ্ছি। "আজকাল আমি দোকানে, বাজারে গিয়ে দু পয়সা নিয়ে আর ঝগড়া করিনা। কারণ আমি বুঝতে শিখেছি, দু/ চার পয়সা বেশী খরচ হলে আমি দরিদ্র হয়ে যাব না। বরং যে লোকটি দু পয়সা বেশী রোজগারের আশায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলছে সে দু পয়সা বেশী পেলে হয়ত তার একটু সুরাহা হবে।" ওর একটু সুরাহা হবে এইটুকু মনে মনে চিন্তা করেই ...

485>||-সেবাই পরম ধর্ম-||

458>||-সেবাই পরম ধর্ম-|| আমি-অনাথ-আমার সামান্য আর্জি। জানিনা এই আর্জি কারুর হৃদয় স্পর্শ করবে কিনা-------- মানুষ মাত্রেই সেবা পরম ধর্ম, কিন্তু,সেবা হতে হবে নিঃস্বার্থ। যদি মানুষ কে কর সেবা, মনেরেখে কিছু অহমিকা। হয়তো হবে বঞ্চিত, পাবেনা আকাঙ্খিত। নয়তো হতাশা কিঞ্চিৎ, ভেবে নিজের স্বার্থ যথোচিত। মানুষকে করে সেবা, ভুলে যাও তাঁরে। হয়তো জীবনে, তবেই আনন্দ পাবে। যাকে করলে সেবা, দূর থেকে দেখ তাঁরে। দিন প্রতিদিন তাঁর, বাড়ন্ত প্রতিভারে। ভুলেও চেওনা প্রতিদান, তোমার সেবার পরিবর্তে। মানুষেরে সেবা মানুষের ধর্ম, সেবার জন্যই করতে হয় কর্ম। যদি চাও সেবার প্রতিদান, একজনই দিতে পারে এমন দান। আমাদের সেবার অধিক প্রতিদান। তার প্রয়োজন একটু সেবাদান, সে দেবে আজীবন প্রতিদান। তার মৃত্যুর পরেও করে শরীর দান। তার সেবাতেই বেঁচে আছি আজ, সেটি হল আমাদের বৃক্ষ বা গাছ। বৃক্ষ,লাগাও কর তার সেবা,যতন, সে হবেনা কোন দিন বেইমান। ফুল,ফল,পাতা,আর কাঠ করে দান, আর দেয় আমাদের জীবন দান। গ্রহণ করবে আমাদের বর্জ্য, কার্বনডাই সক্সসাইড গ্যাস। পরিবর্তে দেয় অক্সিজেন, বিশুদ্ধ শীতল বাতাস। আজীবন দেয় শুদ...

484>||-My Confession::-||

485>||-My Confession::-|| I would like to say with my full intent. Now a days I am suffering, Because I know about fault Or mistakes of my own. 1stly without thinking any thing bad      I TRUST every one. 2ndly it is my habit inborn,     I like to take care every one. 3rdly I HEAT CHEATING,     so I never try to cheat any one     in my life. 4thly I know----- "ONE RIGHT DECISION CAN CONQUER CANCER." This are my realization.                 AND আমি জানি, হয়তো অনেকেই আমাকে ঘৃণা করে, আমার একান্ত কাছের মানুষ হতেপারে। যাকে চেয়ে ছিলাম আপন করে, হয়তো সেও আজ আমাকে ঘৃণা করে। কিন্তু তাবলে, আমিও যে তাঁদের করবো ঘৃণা, এমন সময় যে আমার নাই। কারন যাঁরা ভালোবাসে আমাকে, ভালোবাসা দিতে চাই তাদেরকে। ভালোবাসার জন্য সদা ব্যস্ত থাকি, ভালোবাসা ছাড়া জীবনটাই যে ফাঁকি। আমি যে ভালোবাসার কাঙাল, একটু ভালোবাসতেই নিজেকে, উজাড় করে দিতে ভালোবাসি। যে আমাকে ভালোবাসে, আমি তাঁদের ভালোবাসতেই মগ্ন থ...

483>|| সেবা, ভক্তি ||

 483>||  সেবা, ভক্তি ||         <----©--আদ্য নাথ---> মানুষের ধর্ম সেবা, ভক্তি, তার মনের আবেগ, প্রেম মনের এক অনুভূতি, বিশ্বাস,ভক্তি ও প্রেমের ভীতওশক্তি, বিশ্বাস ছাড়া জীবন অর্থহীন, ভক্তি হীন, জীবনে থাকেনা কোন গতি। সেবা ও ভক্তির নামে অন্ধবিশ্বাস, সংসারে দুঃখ যাতনার বন্ধন পাশ। সরল শুদ্ধ মনে প্রকৃতিকে ভালোবাসলে বাড়ে জীবনের গতি, জাগে নুতন আশ। সোনার গোবিন্দকে সিংহাসনে শুইয়ে, মসৃন কম্বলে মুড়ে ভক্তিতে স্বস্তি মেলে। এমন ভাব, ভক্তিভাবের উত্তম চিন্তা। কিন্তু কত অসহায় দরিদ্র পথে  শুয়ে, শীতকে অনুভব করে ভয়ঙ্কর ভাবে। তাদের এরিয়ে যাই দেখেও না দেখে। সিংহাসনের গোবিন্দই পথে পথে ঘোরেন, এমন চিন্তা আসেনা কেন মনে। শিব রূপে জীব সেবা জানি সকলে, এমনP চিন্তা থাকে শুধুই মনের গোপনে। অসহায় দরিদ্র ক্ষুধার্থ কে ভুলে, মহা ভোগ লাগাই মৃন্ময়ী ঈশ্বরে। নিজের মাএর প্রয়োজন সামান্য সেবা, ব্যস্ত জীবনে মা কে আদর করে কেবা। মুখে সদাই বুলি কতনা সেবা ভক্তি, আছে কেবল মনগড়া কিছু যুক্তি। রাত দিন হাতে জপমালার থলি, সামান্য ত্রুটি হলেই অন্যকে কু কথা বলি। নারী রূপে মায়ের পূঁজা ঢাক ঢোল বাজিয়ে, পথে ...

482>||-কিছু মনের কথা-||

482>||-কিছু মনের কথা-|| কিছু মনের কথা, কিছু লেখা কথা, সবাই কি পারে  পড়তে? যে লেখে সে তার " ভাবনা কেই " লেখে। যে পড়ে সে কেবল, "শব্দই" গুলোই পড়ে। ইলেকট্রনিক্সের যুগে, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের হাটে, ভাবনা সকল গেছে চুরি। মানুষরা সবাই খেটেই চলে, ইন্টারনেট ঘেটেই চলে, ভাববে কখন আর। মানুষের মন ও হৃদয় আছে, মানুষ ভাবনা নিয়েই বাঁচে। মানুষতো, তাই ভাবতে হবে, সেই ভাবনার বোঝা চাপিয়ে দিল, ইন্টারনেটের ঘাড়ে।  <--©--●অনাথ●---> 【--anrc-30/05/2018--】 【=09:30:12 am==18L=】 ===========================

481>||-কৃষ্ণ কল্পতরু-||

481>||-কৃষ্ণ কল্পতরু-|| প্রভু মোড় কল্পতরু মিটাইছে বাসনা, দিনান্তে এক মুষ্ঠী অন্নের যাচনা। ইহলোকে যাকিছু প্রভুর প্রেরণা প্রভু সদা ব্যস্ত করিতে মার্জনা। প্রভু আজ সদানন্দ, সদানন্দের হৃদয়ে, প্রভু দয়াময় দয়ার সাগর সকল হৃদয়ে। প্রভু ভিন্ন নাইগতি ত্রিভুবন মন্দিরে, প্রভুর অগাধ প্রেম বর্ষিছে ঘরে ঘরে। প্রভু নীলকান্ত মনিসম উদ্ভাসিত হৃদয়ে, অনন্ত সাগর সম সদা জাগ্রত হৃদয়ে। প্রভুর আনন্দ স্বরূপের মহিমার ছটা, অনুভব করে সে, যার আছে ব্যথা। প্রভু মোর সদাই নির্লিপ্ত দয়ার সাগর, প্রভু মোর প্রেমময় প্রেমের সাগর। প্রেমই শ্ৰেষ্ঠ জ্ঞান এই বিশ্বমাঝে, প্রেমেই আছেন আবদ্ধ সংসার মাঝে। দিবা রাত্র প্রভুর নাম জপি হৃদয়ে, প্রভু মোর দয়াময় সর্বজীবের কল্যাণে। জীবের উদ্ধার কল্পে প্রভু সদা সচেষ্ট, প্রভুর কৃপা ভিন্ন দূর হয়না জীবের কষ্ট। সকল চিন্তন ছেড়ে কৃষ্ণ নাম জপ, কৃষ্ণ রূপে প্রভুর কৃপা লাগি তপ। কৃষ্ণ নাম জপ সবে কৃষ্ণ নাম সার, কৃষ্ণই নামই শ্রেষ্ঠ নাম হইবে উদ্ধার।  <--©--●অনাথ●---> 【--anrc-29/05/2018--】 【=04:35:18 am==24L=】 ==============================

480>||-প্রভু আছেন হৃদয়ে-||

480>||-প্রভু আছেন হৃদয়ে-|| নিত্যানন্দ খোল দুয়ার, প্রভু দাঁড়ায়ে দুয়ারে। প্রভুর কৃপায় উন্মোচিত যে দুয়ার, সুসজ্জিত কুসুম রঞ্জিত সে দুয়ার। প্রভু মোর হৃদয়ে সদা বিরাজমান, প্রভুর কৃপায় যে হৃদয় দীপ্যমান। রুদ্ধ করিব তাহার গতি, এতো পাগলপ্রায় মতি গতি। হৃদয়ে তোমার প্রভু সদা বিদ্যমান, এ নিশ্চিত তোমার অহঙ্কারের পরিণাম। অহঙ্কার,পরিহাস,কিছুই বুঝিনা, প্রভু আছেন হৃদয়ে এছাড়া বুঝিনা। প্রভু আছেন নিজের ইচ্ছায় অনন্ত নাগে, প্রভুর মোহন রূপ সাদা আঁখি পটে। স্বয়ংব্রহ্ম উববিষ্ঠ নাভি কমলে। তাহাই হেরী যে সকাল সন্ধ্যা কালে।  <--©--●অনাথ●---> 【--anrc-29/05/2018--】 【=10:55:12 am==16L=】 ===========================

479>||-जीबन चलिश्णु-||

479>||-जीबन चलिश्णु-|| चिंतन जरुरी है पर व्यर्थ की चिंता चिता के समान होती है। जीबन चलिश्णु चलते ही रहना हैं। जीवन चलने का नाम है । रास्ते और रिश्ते के बीच एक अज़ीब सा रिश्ता होता है। कभी कभी चलते चलते रिश्ते बन जाते है, कभी कभी उन्ही रिश्तों से रास्ते मिल जाते है । ज़िन्दगी में खुशियाँ तो आती ही है, और ये खुशियाँ चन्दन की तरह होती है। जिनकी खुशबु हवा के साथ चारो और फैलती है, जितनी हवा चलेगी खुशबु उतनी ही फैलेगी ।    <--©--●अनाथ●---> 【--anrc--01/06/2018--】 【09:07:12==14 L=】 ==========================

478>|| কিছু বলার ছিল ||

 478>|| কিছু বলার ছিল ||             <----©➽-আদ্যনাথ---> এইতো ক্ষণ, কিছু বলার ছিল  তাই বলি এই ক্ষণ। কত যত্নে,কত চিন্তা,কত আদর দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে টব খানিরে  রেখে ছিলাম গুছিয়ে। যেতে হল দূরে কর্ম জোগারে বহুদিন করিনি আদর টব খানিরে। ভেবে ছিলাম প্রকৃতির হওয়া বাতাসে সে বেঁচে থাকবে আপন ক্ষমতা বলে। হয়তো ছিল, পাইনি দেখা ফিরে এসে কেজেন তারে লয়ে গেছে তার গৃহে। আমি আজও আছি অপেক্ষায়  একবার যদি সাক্ষাৎ মেলে। একটু দেখার একটু বলার ছিল যদি তুমি শোন। আমার দীর্ঘ প্রতীক্ষা আজ তিতিক্ষায় পরিণত। আর কত দিতে হবে পরীক্ষা এ-হেন চলতে থাকা প্রতীক্ষা। প্রতীক্ষারে মেনে নিতে চাই তিতিক্ষা যে বড়োই কঠিন। বড় বেদনা দায়ক, চাওয়া কি অপেক্ষা নিছক? <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->    ===================

477>|| ডাক্তার ছুঁলে কত ঘা || +|| বিশ্বাস করবো কাকে ||

477>|| ডাক্তার ছুঁলে কত ঘা ||      2)|| বিশ্বাস করবো কাকে || ============================  477>|| ডাক্তার ছুঁলে কত ঘা ||                 <--©➽-আদ্যনাথ---->        বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা,  এত সবার আছে জানা।  আর কে কে  ছুঁলে কত ঘা সবই যায় গোনা। কিন্তু ডাক্তার ছুঁলে কত ঘা সেত সকলের অজানা।  তবে এইটুকু আছে যানা ডাক্তার ছুঁলে হবে সর্বশান্ত  সেটুকু সহজ বোধে যানা।  শহর কিম্বা গ্রাম বাঙলার মানুষের  অসুখ বিসুখে এক সময়ে  যে ডাক্তার ছিল ভগবান। সেই ডাক্তার আজ  অতিশয় সাধু দিয়ে নিদান,  নার্সিংহোম আর ঔষধ কোম্পানীর  হলেন ভগবান।  এই তিনে সকলেই  অর্থগৃধ্নু, একে অপরের অর্থকরীর দেয় যোগান।   হে রঙমঞ্চের ডাক্তার , কবে শুভবুদ্ধি উদয় হবে তোমার । তুমিতো ডাক্তার তুমি সেবক সবাকার,  তবে কেন অর্থের জন্য এতো হাহাকার । ডাক্তার তুমি হয়ে গেলে ব্যবসাদার, কি হবে আমাদের গতি জানানাই আমার। কখনো তুমি কোম্পানির এজেন্ট,   কখোনো তুমি ঔষধ বিক্রেতার পেটেন্ট। হ...

476>||-লেবুর রাজা গন্ধরাজ-||= ( 1 to 4 )

476>||-লেবুর রাজা গন্ধরাজ-||=  ( 1 to 4 ) (1)>||--লেবুর রাজা গন্ধরাজ,||= 2>||-লেবু গন্ধরাজ-|| 3>||-লেবুর মহত্য-||= 4>||-লেবুর ইতি বৃতি-|| =============================== (1)>||--লেবুর রাজা গন্ধরাজ,||=3/1 আমি খাইনা, এমন জিনিষ, পৃথিবীতে পাইনা। তার উপরে গন্ধরাজ। বাংলার গন্ধরাজের অহঙ্কার, মন মাতানো গন্ধের অহঙ্কার। ভাতের থালায় পরিবেশন, গন্ধরাজ সর্বদা দৃষ্টি নন্দন। লেবুর রাজা গন্ধরাজ, খেলেই বাড়ে মেজাজ। গন্ধরাজের গন্ধে, কচি পাঠার সঙ্গে। থাকো যদি বঙ্গে, খাদ্য রসিক বাঙালির সঙ্গে। ক্রমে বিকশিত সুন্দর অঙ্গে, সুশোভন হইবে সর্বাঙ্গে। বঙ্গবাসীর আদরের লেবু, গন্ধরাজে মন হয় কাবু। স্নিগ্ধ প্রেমের হাবু ডুবু, আহারে গন্ধরাজ লেবু। দই মাখা ভাতে, গন্ধরাজের সাথে। গন্ধরাজের সুবাস, প্রসিদ্ধ ইতিহাস। পর্তুগাল আনলো, তুর্কি আনলো, কারটি সেরা বলবে ইতিহাস। শেষে পর্তুগাল, পেল লেবু কাগজী। তুর্কি পেল পাতি, খুঁজে আতি পাতি। দুয়ের মিলনে আমরা, বাংলার মাটির গুনে, পেলাম গন্ধরাজ। তাই লেবুর রাজা গন্ধরাজ,    <--©--●অনাথ●--> 【-anrc-28/05/2018---】 ...

475>||-যন্ত্র ও ভাবনা-||=2/2

475>||-যন্ত্র ও ভাবনা-||=2/2 আজ মানুষ জন্ত্রের তাড়নায়, ভুলেছে অন্তরের ভাবনা।’ সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের তাড়না ইন্টারনেটের যাতনা। ভুলেছে মানুষ মানুষের অন্তরের, চিন্তার প্রসারিত ভাবনা। প্রসারিত চিন্তার স্রোতের বেগ, মানুষ ভুলেছে মানুষের আবেগ। মানুষ হারিয়ে গেছে নিজের মনে। মানুষ হারিয়ে গেছে মানুষের ভিড়ে। মানুষ হারিয়ে গেছে ইন্টারনেটের জালে। মানুষ হারিয়ে গেছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের। মানুষ হারিয়ে গেছে সমাজের প্রহসনে। মানুষ হারিয়ে গেছে অপ সংস্কৃতির ভানায়। মানুষ হারিয়ে গেছে বাস্তবকে চিনতে। মানুষ হারিয়ে গেছে নিজের কৃত কর্মে। মানুষের ভিড়ে মানুষ খোঁজা, মানুষ হয়ে কঠিন বড়। মানুষের কর্মে মানুষ জর্জরিত, মানুষের ভাবনা ভুলে। মানুষ সত্য শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী, মানুষ মানুষের জন্য। মানুষের কর্ম শ্রেষ্ঠ কর্ম, মানুষের ভাবনার ধর্ম। ভাবনা লেখায় ছিল প্রাণ, সে চিন্তা আজ মৃয়মান। ভাবনা চিন্তা দূরে ঠেলে, সকল চিন্তার ঠাঁই যন্ত্র। মানুষের ভিড়ে, মনুষ গেছে হারিয়ে। মানুষ কোথা পাই। সকলি মানুষ রূপী যন্ত্র। <--©--●অনাথ●---> 【--anrc-28/05/2018--】 【=03:12:40 am==32 L=】 ================...

474>||-ভাবনা-||=

474>||-ভাবনা-||= কিছু মনের কথা, কিছু লেখা কথা, সবাই যারা পড়ে, পারে না পড়তে। কারন যে লেখে সে তার " ভাবনা কেই " লেখে। যে পড়ে সে কেবল, "শব্দই" গুলোই পড়ে। ভাবনা লেখা হয় মন,হৃদয় দিয়ে, ভাবনা পরিশুদ্ধ হয়, আন্তঃকরণ থেকে। ভাবনা প্রকাশিত হয় কাগজে কলম দিয়ে। সেদিন ফুরিয়ে গেছে, হারিয়েছি মন,হৃদয় কে। আজকাল ভবনার প্রকাশ, টকাটক কি বোর্ড টিপে। কীবোর্ড টিপে টিপে, ভুলেছি কলমের প্রেম। কাগজ ছিল হৃদয়ের পাতা, মনে অঙ্কিত ফ্রেম। প্রেমের কাগজে লেখা, কলম রূপ অন্তরের কালি দিয়ে। ইন্টানেটের জোয়ারে, প্রসারিত হয়েছে দ্রুত ভাবনার। দ্রুততায়  হারিয়েছে, মনের সূক্ষ্ম চেতনা। ইন্টারনেটে মিলে চেতনা, মানুষের মনে রোবটের ভাবনা। রোবট যন্ত্র করে কার্য, বোঝেনা মন ও তাঁর ভাবনা।  <--©--●অনাথ●---> 【--anrc-28/05/2018--】 【=05:20:45 am==32 L=】 ==========================

473>||- मैं चाय की कुल्हड़-|| (1 )+(2)+(3)+(4)

473>(1)||- मैं चाय की कुल्हड़-|| (1 )         (2)||-चाय के कुल्हड़ की आत्मकथा-         (3)||-चाय के प्याली-||          (4)||--एक नीरव प्रतिवाद--|| ================================= 473>(1)||- मैं चाय की कुल्हड़-|| (1 ) मैं तो हूँ चाय का कुल्हड़, चाय पीनेके लिये हैं मेरा ईज्जत। जव मेरा जरूरत खत्म हो जाता , मुझे फेंक दिया जाता। मैं तो थी मिट्टी अरूप अनादर बेकार की , था मेरी लोभ रूप सम्मन अस्तित्य की। कुम्हार आपना हातो से जतन से प्यार से, सहलाकर बनाया अपनी पसंद से। सुखाया प्यार से, फिर भट्टि मे तापाया जतन से , अति शुन्दर त्रुटिहीन बनाया मुझे। कुम्हार के  दिये हुये रूप से मै हुयें प्रशन्न, कुम्हारने किये मेरा जन्म सार्थक धन्य। परन्तु आज निष्ठुर चाय वाला, मेरे पेटमे गर्म पानी और दूध डाला। वनाया चाय खशबूदार, आपके लिये, आप तो था पिपासी चाय पीनेके लिये। आपने लिए मुझे हात मे बड़े प्यार से , लिये मुझे प्यारसे अपना चाहत से। आपकी चेहरे पर था खुशी की लहर, आपको...

472>||--हंसो दोस्तों हंसो--||

472>||--हंसो दोस्तों हंसो--|| कर्मप्रधान विश्वे, जीव मत्रेयी करना हैं कर्म। मनुष्य जीव श्रेष्ठ बुद्धि दिप्त, उनके बिचार सतन्त्र। मनुष्य ना खाली हाथ आता है,  नही खाली हाथ जाता है ? मनुष्य अपना भाग्य लेकर आता है, और अपना किये कर्म लेकर जाता है। रोजमर्रा की जिन्दगी में, हंसना बहुत ही जरूरी है, समस्याएं तो बहुत  सारी, सामना करना पड़ता है सभी। हंसने से शरीर में, मिलती है इंनर्जी। हंसो दोस्तों हंसो, हंसी और गम जिन्देगि का फर्म। जिन्दगी का मजा तो हंसी में, जिन्दगी का दुख तो गम में। हँसता हुआ चेहरा इंसान की शान बढ़ाता है, हँसता हुआ किया कार्य पहचान बढ़ाता है। अत हंसो दोस्तों हंसो, गम में जिंदगी मत गमायो। <--©--●अनाथ●---> 【--anrc-02/06/2018--】 【=06:29:10am==10L=】 =============================

471>||-চায়ের ভাঁড়-||+

471>||-চায়ের ভাঁড়-|| আমি সামান্য চায়ের ভাঁড়, প্রয়োজনে কত আদর আমার। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে, কোন মূল্যই নাই আমার। কুমোরের হাতে কতো জত্নে, কত আদরে, হাত বুলিয়ে, সুন্দর করে,নিজের মতন করে, গড়েছে আমায় নিখুঁত করে। আদরে রোদে শুকিয়ে, তপ্ত আগুনের ভাটিতে পুড়িয়ে, শক্ত, শুদ্ধ,সুন্দর করে গড়ে, বেচে দিল চায়ের দোকানে। ছিলাম মাটি, রূপ,ও সম্মানের লোভে, আমি করিনি কোন প্রতিবাদ।      বড়ছিল সাধ,এই পৃথিবীকে দেখবার, চাওলা রেখেদিল ঝুড়িতে। আজ আমার পেটে গরমজল ঢেলে, দুধ দিয়ে বানিয়ে দিল সুন্দর চা। চায়ের গন্ধে তুমি বিভোর হয়ে, আদর করে সাবধানে নিলে ধরে, বারে বারে কত আদরের চুমু, চা পানে তোমার ঠোঁটের স্পর্শ। এমন আদরে আমার জীবন ধন্য, সার্থক জন্ম ওই ঠোঁটের স্পর্শ। কিন্তু হায় এ কেমন তোমাদের আদর, কেমন তোমাদের আপ্যায়ন,প্রহসন। ভাঁড়ের চা ফুরতেই ছুড়ে ফেলে দিলে, এত আদর আপ্যায়ন মুহূর্তে ভুলেগেলে। তোমরা এমন নির্মম নিষ্ঠুর কেন? অমানুষের মতন ছুড়ে ফেলে দিলে। তোমার চুমুতে ছিল প্রেমের শিহরন, এ সকলি কি তোমাদের মাত্র প্রহসন। জন্মের পর থেকে ছিলাম আদরে, আজ আমার স্থান হল ড্রেনের পার...