471>||-চায়ের ভাঁড়-||+
471>||-চায়ের ভাঁড়-||
আমি সামান্য চায়ের ভাঁড়,
প্রয়োজনে কত আদর আমার।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে,
কোন মূল্যই নাই আমার।
কুমোরের হাতে কতো জত্নে,
কত আদরে, হাত বুলিয়ে,
সুন্দর করে,নিজের মতন করে,
গড়েছে আমায় নিখুঁত করে।
আদরে রোদে শুকিয়ে,
তপ্ত আগুনের ভাটিতে পুড়িয়ে,
শক্ত, শুদ্ধ,সুন্দর করে গড়ে,
বেচে দিল চায়ের দোকানে।
ছিলাম মাটি, রূপ,ও সম্মানের লোভে,
আমি করিনি কোন প্রতিবাদ।
বড়ছিল সাধ,এই পৃথিবীকে দেখবার,
চাওলা রেখেদিল ঝুড়িতে।
আজ আমার পেটে গরমজল ঢেলে,
দুধ দিয়ে বানিয়ে দিল সুন্দর চা।
চায়ের গন্ধে তুমি বিভোর হয়ে,
আদর করে সাবধানে নিলে ধরে,
বারে বারে কত আদরের চুমু,
চা পানে তোমার ঠোঁটের স্পর্শ।
এমন আদরে আমার জীবন ধন্য,
সার্থক জন্ম ওই ঠোঁটের স্পর্শ।
কিন্তু হায় এ কেমন তোমাদের আদর,
কেমন তোমাদের আপ্যায়ন,প্রহসন।
ভাঁড়ের চা ফুরতেই ছুড়ে ফেলে দিলে,
এত আদর আপ্যায়ন মুহূর্তে ভুলেগেলে।
তোমরা এমন নির্মম নিষ্ঠুর কেন?
অমানুষের মতন ছুড়ে ফেলে দিলে।
তোমার চুমুতে ছিল প্রেমের শিহরন,
এ সকলি কি তোমাদের মাত্র প্রহসন।
জন্মের পর থেকে ছিলাম আদরে,
আজ আমার স্থান হল ড্রেনের পারে।
চায়ের ভাঁড় বলে চা শেষ হয়ে গেলে,
কারো কাছে কোন মূল্যেই নেই আমার।
মূল্য নয় নাই রইল, এত অবজ্ঞা কেন,
ধীরে রাখলেনা ডাস্টবিনে, ছুড়ে দিলে,
ছুড়ে দিলে রাস্তার নালির ধারে!
আমার হৃদয় ভেঙে চুর করে দিলে।
চায়ের ভাঁড় বলে এত তাচ্ছিল্য আমায়,
আমিও মন যদি হতো প্রতিরোধ করবার।
গরম চা নিয়ে যদি ফেটে পড়তাম,
কি হত তোমার, সেটা ভাব একবার!
পারিনি তোমাদের মতন নিষ্ঠুর হতে,
তাই বুঝি আমায় দুর্বল ভাবলে।
আমি জড়, তুমি জীব,
জড়ের প্রতি জীবের চির অহঙ্কার।
আমি জড় তাই তোমরা ভাব দুর্বল,
তোমারা কঠোর নিষ্ঠুর তাই অহংকার।
আমরা নই দুর্বল,করিনা প্রতিবাদ,
সহ্য করি তোমাদের অন্যায় অত্যাচার।
||""--©--●অনাথ●---""||
||-anrc-31/05/2018--||
||=02:35:12 pm==53 L=||
(আজ 31/05/2018 ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে 12:50 pm.চললাম টাটা জামশেদ পুর।
ট্রেনে বসে ভাঁড়ে চা খেলাম।
অন্তর মনে---
শুনলাম ভাঁড়ের আর্তনাদ।
তাই ট্রেনে বসেই লিখলাম------
ট্রেন পৌঁছলো খড়গপুর।)
============================
লেখাটি তে মাননীয়
1>শ্রী শঙ্কর দাম মহাশয়ের মন্তব্য----
অসাধারন, অপূর্ব , অভূতপূর্ব একটি লেখনি অনেক দিন পর আপনার কলম থেকে বের হল । সত্যিই বলছি দারুন দারুন হয়েছে লেখাটা ।
2>বুলির মেয়ে মিমি র মন্তব্য----
Darun lekhta r happy journey
==========================
আমি সামান্য চায়ের ভাঁড়,
প্রয়োজনে কত আদর আমার।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে,
কোন মূল্যই নাই আমার।
কুমোরের হাতে কতো জত্নে,
কত আদরে, হাত বুলিয়ে,
সুন্দর করে,নিজের মতন করে,
গড়েছে আমায় নিখুঁত করে।
আদরে রোদে শুকিয়ে,
তপ্ত আগুনের ভাটিতে পুড়িয়ে,
শক্ত, শুদ্ধ,সুন্দর করে গড়ে,
বেচে দিল চায়ের দোকানে।
ছিলাম মাটি, রূপ,ও সম্মানের লোভে,
আমি করিনি কোন প্রতিবাদ।
বড়ছিল সাধ,এই পৃথিবীকে দেখবার,
চাওলা রেখেদিল ঝুড়িতে।
আজ আমার পেটে গরমজল ঢেলে,
দুধ দিয়ে বানিয়ে দিল সুন্দর চা।
চায়ের গন্ধে তুমি বিভোর হয়ে,
আদর করে সাবধানে নিলে ধরে,
বারে বারে কত আদরের চুমু,
চা পানে তোমার ঠোঁটের স্পর্শ।
এমন আদরে আমার জীবন ধন্য,
সার্থক জন্ম ওই ঠোঁটের স্পর্শ।
কিন্তু হায় এ কেমন তোমাদের আদর,
কেমন তোমাদের আপ্যায়ন,প্রহসন।
ভাঁড়ের চা ফুরতেই ছুড়ে ফেলে দিলে,
এত আদর আপ্যায়ন মুহূর্তে ভুলেগেলে।
তোমরা এমন নির্মম নিষ্ঠুর কেন?
অমানুষের মতন ছুড়ে ফেলে দিলে।
তোমার চুমুতে ছিল প্রেমের শিহরন,
এ সকলি কি তোমাদের মাত্র প্রহসন।
জন্মের পর থেকে ছিলাম আদরে,
আজ আমার স্থান হল ড্রেনের পারে।
চায়ের ভাঁড় বলে চা শেষ হয়ে গেলে,
কারো কাছে কোন মূল্যেই নেই আমার।
মূল্য নয় নাই রইল, এত অবজ্ঞা কেন,
ধীরে রাখলেনা ডাস্টবিনে, ছুড়ে দিলে,
ছুড়ে দিলে রাস্তার নালির ধারে!
আমার হৃদয় ভেঙে চুর করে দিলে।
চায়ের ভাঁড় বলে এত তাচ্ছিল্য আমায়,
আমিও মন যদি হতো প্রতিরোধ করবার।
গরম চা নিয়ে যদি ফেটে পড়তাম,
কি হত তোমার, সেটা ভাব একবার!
পারিনি তোমাদের মতন নিষ্ঠুর হতে,
তাই বুঝি আমায় দুর্বল ভাবলে।
আমি জড়, তুমি জীব,
জড়ের প্রতি জীবের চির অহঙ্কার।
আমি জড় তাই তোমরা ভাব দুর্বল,
তোমারা কঠোর নিষ্ঠুর তাই অহংকার।
আমরা নই দুর্বল,করিনা প্রতিবাদ,
সহ্য করি তোমাদের অন্যায় অত্যাচার।
||""--©--●অনাথ●---""||
||-anrc-31/05/2018--||
||=02:35:12 pm==53 L=||
(আজ 31/05/2018 ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে 12:50 pm.চললাম টাটা জামশেদ পুর।
ট্রেনে বসে ভাঁড়ে চা খেলাম।
অন্তর মনে---
শুনলাম ভাঁড়ের আর্তনাদ।
তাই ট্রেনে বসেই লিখলাম------
ট্রেন পৌঁছলো খড়গপুর।)
============================
লেখাটি তে মাননীয়
1>শ্রী শঙ্কর দাম মহাশয়ের মন্তব্য----
অসাধারন, অপূর্ব , অভূতপূর্ব একটি লেখনি অনেক দিন পর আপনার কলম থেকে বের হল । সত্যিই বলছি দারুন দারুন হয়েছে লেখাটা ।
2>বুলির মেয়ে মিমি র মন্তব্য----
Darun lekhta r happy journey
==========================
29/12/2025 একটু নুতন করে।
চলার পথে রাস্তার ধারে চা এর দোকানে
চাএর ভাড়ে চুমুক দিতে দিতে।
|| চলারপথে-ভাড়েগরম চা-||
<-----আদ্যনাথ---->
বারে বারে কত আদরের চুমু,
চা পানে তোমার ঠোঁটের স্পর্শ।
এমন আদরে আমার জীবন ধন্য,
সার্থক জন্ম ওই ঠোঁটের স্পর্শ।
ছিলাম মাটি, রূপ,ও সম্মানের লোভে,
আমি করিনি কোন প্রতিবাদ।
বড়ছিল সাধ,এই পৃথিবীকে দেখবার,
চা-আলা রেখেদিল ঝুড়িতে।
আজ আমার পেটে গরমজল ঢেলে,
দুধ দিয়ে বানিয়ে দিল সুন্দর চা।
চায়ের গন্ধে তুমি বিভোর হয়ে,
আদর করে সাবধানে নিলে ধরে,
আমি সামান্য চায়ের ভাঁড়,
প্রয়োজনে কত আদর আমার।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে,
কোন মূল্যই নাই আমার।
কুমোরের হাতে কতো জত্নে,
কত আদরে, হাত বুলিয়ে,
সুন্দর করে,নিজের মতন করে,
গড়েছে আমায় নিখুঁত করে।
আদরে রোদে শুকিয়ে,
তপ্ত আগুনের ভাটিতে পুড়িয়ে,
শক্ত, শুদ্ধ,সুন্দর করে গড়ে,
বেচে দিল চায়ের দোকানে।
কিন্তু হায় এ কেমন তোমাদের আদর,
কেমন তোমাদের আপ্যায়ন,প্রহসন।
ভাঁড়ের চা ফুরতেই ছুড়ে ফেলে দিলে,
এত আদর আপ্যায়ন মুহূর্তে ভুলেগেলে।
তোমরা এমন নির্মম নিষ্ঠুর কেন?
অমানুষের মতন ছুড়ে ফেলে দিলে।
তোমার চুমুতে ছিল প্রেমের শিহরন,
এ সকলি কি তোমাদের মাত্র প্রহসন।
জন্মের পর থেকে ছিলাম আদরে,
আজ আমার স্থান হল ড্রেনের পারে।
চায়ের ভাঁড় বলে চা শেষ হয়ে গেলে,
কারো কাছে কোন মূল্যেই নেই আমার।
মূল্য নয় নাই রইল, এত অবজ্ঞা কেন,
ধীরে রাখলেনা ডাস্টবিনে, ছুড়ে দিলে,
ছুড়ে দিলে রাস্তার নালির ধারে!
আমার হৃদয় ভেঙে চুর করে দিলে।
চায়ের ভাঁড় বলে এত তাচ্ছিল্য আমায়,
আমিও মন যদি হতো প্রতিরোধ করবার।
গরম চা নিয়ে যদি ফেটে পড়তাম,
কি হত তোমার, সেটা ভাব একবার!
পারিনি তোমাদের মতন নিষ্ঠুর হতে,
তাই বুঝি আমায় দুর্বল ভাবলে।
আমি জড়, তুমি জীব,
জড়ের প্রতি জীবের চির অহঙ্কার।
আমি জড় তাই তোমরা ভাব দুর্বল,
তোমারা কঠোর নিষ্ঠুর তাই অহংকার।
আমরা নই দুর্বল,করিনা প্রতিবাদ,
সহ্য করি তোমাদের অন্যায় অত্যাচার।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
========================
Comments
Post a Comment