405>||--মানুষ ও পশুত্য ----||-------( 1 --2)


405>||-- :মানুষ ও পশুত্য:----||
            2>||--মানুষ vs পশু::-||
===================================
405>||-- :মানুষ ও পশুত্য:----||

      মানুষ ও পশুত্য

অধিক নিদ্রা,অধিক ভোজন বারণ,
অধিক ভোগ,অধিক ভীতির কারন।

এহেন তিন গুণের আধিক্য,
মানুষকে করে তোলে পশুতুল্য।
জ্ঞানই সম্মানের কারণ 
জ্ঞান বিনা মানুষ অধম। 
পশুমাত্র আছে  শারীরিক বল,
বুদ্ধি বিনা ব্যর্থ পশুর সকল বল।

হলেও হিংস্র অধিক বলবান,
মানুষের বুদ্ধির কাছেপশু হীনবল। 
মন যদি থাকে নিজের বসে,
সকল কার্যই হয় সহজে। 
মন থাকলে বসে, হোকনা শরীর সাধারণ,
মানুষ করতে সক্ষম অসাধ্য সাধন।
তন, মন,আত্মা, দৃঢ় হয় যার,
সেই পেতেপারে ঐশর্যের অধিকার।

পশু বলবান প্রকৃতির কারনে,
মানুষ শ্রেষ্ঠ জ্ঞান বুদ্ধির কারনে।
অহংকার রহিত বিবেক বুদ্ধি সহ ধৈর্য,
মনুষেকে প্রদান করে মহান ঐশ্বর্য।

বিশ্বাসই বড় ধন কার্য ও ধৈর্যের,
বিশ্বাসই জনক সকল বৃহত কার্যের।

প্রবল বিশ্বাসের দ্বারাই সম্ভব,
অসম্ভব কে করতে পারা সম্ভব।


অসতর্ক, অমনোযোগীর কতই তিতিক্ষা, 
দেবতার আশীর্বাদও করতে পারেনা রক্ষা। 
মানুষ তার আচরণ ওকার্যে,
হতেপারে পশু রূপে গণ্য।
পশু শত প্রচেষ্টাতেও, 
হয়না মানুষের সম যোগ্য।

মানুষ আর পশু সহবাস সমাজে সত্য,
পশু বলবান হয়েও মানুষের বস্য।
চিন্তা,জ্ঞান,বুদ্ধির গুনে মানুষ শ্রেষ্ট,
চিন্তা ও জ্ঞানের অভাবে পশু নিকৃষ্ট। 
পশু তুল্য মানুষ সমাজের কলঙ্ক,
জ্ঞানী,বুদ্ধিওদায়ীত্য বান সমাজে আদৃত।

  <--©--●অনাথ●--->
【--anrc---20/06/2018--】
    02:03:12:am
------------------------------
||=========================||


2>||--মানুষ vs পশু::-||

অধিক নিদ্রা,অধিক ভোজন বারণ,
অধিক ভোগ,অধিক ভীতির কারন।
মানুষের এহেন তিন গুণের আধিক্য,
মানুষকে পশুর তুল্য করতে বাধ্য।

জ্ঞানই মানুষের বাড়ায় সম্মান,
জ্ঞান বিনা মানুষ পশুর সমান।
পশুদের থাকতে পারে অধিক বল,
বুদ্ধি বিনা ব্যর্থ পশুর সকল বল।

মনকে নিজের বসে রাখা হলে সম্ভব,
কোন কার্যই থাকেনা আর অসম্ভব।
মন থাকলে বসে, হোকনা শরীর সাধারণ,
মানুষ করতে সক্ষম কার্য অসাধ্য সাধন।

তন, মন,আত্মশক্তি, দৃঢ় হয় যার,
সে ই পেতেপারে সম্রাটের অধিকার।
পশু হয় বলবান প্রকৃতির কারনে,
মানুষ শ্রেষ্ঠ জ্ঞান বুদ্ধি চেতনার কারনে।

অহংকার রহিত বিবেক বুদ্ধি সহ ধৈর্য,
মনুষেকে প্রদান করে মহান ঐশ্বর্য।
বিশ্বাসই বড় ধন কার্য ও ধৈর্যের,
বিশ্বাসই জনক সকল বৃহত কার্যের।

প্রবল বিশ্বাসের দ্বারাই সম্ভব,
অসম্ভব কে করতে পারা সম্ভব।
অসাবধানি কে কেউ বাঁচাতে পারেনা,
দেবতার আশীর্বাদও রক্ষা করতে পারেনা।

ক্ষনিকের অসাবধানি,
কত মুনি ঋষির তপস্যা হয়েছে ভঙ্গ।
নিষ্ফল হয়েছে সকল জাগ্ জজ্ঞ,
পরিভ্রষ্ট তাঁরা মিটেছে সকল দম্ভ।

মন যদি হয় দুর্বল ভীরু,
ঈশ্বরের সহায়তাও পায়না কভু।
পেতেহলে ঈশ্বরের সহায়তা,
থাকতে হবে সত্য নিষ্ঠা ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।

মানুষ ও পশু উভয়েই বুদ্ধি ধরে,
পশু বলবান তার অভ্যাস ও শারীরিক বলে।
মানুষের চেতনশক্তি ও আত্মবিশ্বাসের বলে,
অলস মানুষ সদাই দুর্বল,ভিরু,
চেতনশক্তি ও আত্মবিশ্বাস হীন হয়।
ঈশ্বরও সদাই তার নিকট হতে দূরে রয়।
       <--©--●অনাথ●--->
           【--anrc--05/01/2018--】
           【-রাত্রি::-11:20:22=】
            【=কলিকাতা-56=】
=≠=========================
||===========38 L==========||

Comments

Popular posts from this blog

497>||--আমের কথা--||---(1---4)

495>||--পান্তার ঘুম--||

496>||-বঙ্গের প্রকৃতি-||