448>||-ঈশ্বরের লীলা--||
448>||-ঈশ্বরের লীলা--||
হে ঈশ্বর তোমার লীলা বোঝাভার।
সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয়ে তুমি নিরাকার।
কখনো খেলিছো আন মনে।
কখনো প্রকৃতিরে লয়ে।
কখনো জীবন জীবনের জন্য।
কখনো জীবনকে ধ্বংসের জন্য।
তুমি শুদ্ধ,নিরাকার,নির্লিপ্ত,
তুমি সৃষ্টি ও প্রলয়ে ভয়ঙ্কর উদ্দীপ্ত।
তোমার লীলায় সৃষ্টি স্তম্ভিত,
তোমার করুণা ধারায় সৃস্টি সম্পৃক্ত।
সৃষ্টি সুখের আনন্দে প্রভু,
সৃষ্টি সুখে উল্লসিত।
খেলিছ, গাইছ, নাচিছ প্রভু,
সৃস্টিরে করিছ উচ্ছসিত।
তোমার সৃষ্টিতে জগৎ সৃষ্ট,
সেথায় প্রকৃতির সম্পৃক্ত মান্য।
প্রকৃতিরে করিছ ধন্য প্রভু,
তাইতো তুমি জগৎ মাঝারে ধন্য।
সৃজন শীলতার জন্য প্রভু,
মানব সভ্যতারে করিছ ধন্য।
মানব মানবীরে করিছ মোহিত,
সৃষ্টির লীলায় মাতিয়েছ।
বহুরূপে রচাইছ সৃষ্টি,
সৃষ্টিতেই যেন তোমার একান্ত দৃষ্টি।
প্রকৃতিরে ভরিছ নানা রঙে,
সৃষ্টির নিমিত্তে প্রকৃতিরে রাঙিছ।
এই নীল নীলিমায় নিলোৎপল সম,
নীলাম্বরে নীলাম্বরী নীলাম্বু সম।
উদ্ভাসিছ নীলকান্তের নীলমণি সম,
নীলিমায় নীল তুমি নির্লিপ্ত অধ্যারূঢ় যেন।
সৃষ্টির নেশায় উন্মত্ত হে উদাসী,
উৎসর্জনে অধীর উদীচ্য উদীপ্ত।
উদভ্রান্ত প্রাণীকুল উদ্বেলিত উপপ্লুত,
উদাসী উর্মিতে ঋতম্ভর,যেন সৃষ্টি আপ্লুত।
আবার ধ্বংসের লীলায় মেতে,
মুহূর্তে রচাইছ ধ্বংস।
নাচিছ প্রলয় নিত্য,
অট্টহাসি হাচিছ বজ্র নিনাদে।
মুহূর্তে প্লাবনের প্রলয়,
তোমার সৃস্টি তুমি কর ধ্বংস।
ধ্বংস লীলার শেষ কুটি টুকু,
বয়ে নিয়ে যাও দূরে বহু দুরে।
মানুষের নাগালের বাইরে,
সেই সমুদ্র মাঝে কিংবা পারে।
অপূর্ব তোমার লীলা বোঝা অসম্ভব,
তোমার লীলা বোঝা তোমারই সম্ভব।
তুমি খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে,আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি যেন তব পুতুল খেলা,
ভাঙ্গিয়া গড়িছ সৃষ্টি ক্ষণে,
গড়িয়া ভঙ্গিছ আনমনে।
তুমি নিত্য সত্য হে উদাসী,
বিশ্ব যেন লুটাইছে তব পদতলে,
আনমনে হে প্রভু আনমনে।
বিশ্ব চরাচর তোমার অনুগত অনুক্ষণ।
সৃষ্টি রচাইতে তুমি মত্ত আপনমনে,
ধ্বংসের আনন্দে মাত আনমনে।
তুমি খেলিছ আপনমনে প্রকৃতিরে লয়ে।
হে ঈশ্বর তোমার লীলা কে বুঝিতে পাড়ে!
""""'"""'' ------©--●অনাথ●----------""""""'
||--anrc-----10/05/2018::--------------||
------------04:35:20:-------
||========================||
========================
হে ঈশ্বর তোমার লীলা বোঝাভার।
সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয়ে তুমি নিরাকার।
কখনো খেলিছো আন মনে।
কখনো প্রকৃতিরে লয়ে।
কখনো জীবন জীবনের জন্য।
কখনো জীবনকে ধ্বংসের জন্য।
তুমি শুদ্ধ,নিরাকার,নির্লিপ্ত,
তুমি সৃষ্টি ও প্রলয়ে ভয়ঙ্কর উদ্দীপ্ত।
তোমার লীলায় সৃষ্টি স্তম্ভিত,
তোমার করুণা ধারায় সৃস্টি সম্পৃক্ত।
সৃষ্টি সুখের আনন্দে প্রভু,
সৃষ্টি সুখে উল্লসিত।
খেলিছ, গাইছ, নাচিছ প্রভু,
সৃস্টিরে করিছ উচ্ছসিত।
তোমার সৃষ্টিতে জগৎ সৃষ্ট,
সেথায় প্রকৃতির সম্পৃক্ত মান্য।
প্রকৃতিরে করিছ ধন্য প্রভু,
তাইতো তুমি জগৎ মাঝারে ধন্য।
সৃজন শীলতার জন্য প্রভু,
মানব সভ্যতারে করিছ ধন্য।
মানব মানবীরে করিছ মোহিত,
সৃষ্টির লীলায় মাতিয়েছ।
বহুরূপে রচাইছ সৃষ্টি,
সৃষ্টিতেই যেন তোমার একান্ত দৃষ্টি।
প্রকৃতিরে ভরিছ নানা রঙে,
সৃষ্টির নিমিত্তে প্রকৃতিরে রাঙিছ।
এই নীল নীলিমায় নিলোৎপল সম,
নীলাম্বরে নীলাম্বরী নীলাম্বু সম।
উদ্ভাসিছ নীলকান্তের নীলমণি সম,
নীলিমায় নীল তুমি নির্লিপ্ত অধ্যারূঢ় যেন।
সৃষ্টির নেশায় উন্মত্ত হে উদাসী,
উৎসর্জনে অধীর উদীচ্য উদীপ্ত।
উদভ্রান্ত প্রাণীকুল উদ্বেলিত উপপ্লুত,
উদাসী উর্মিতে ঋতম্ভর,যেন সৃষ্টি আপ্লুত।
আবার ধ্বংসের লীলায় মেতে,
মুহূর্তে রচাইছ ধ্বংস।
নাচিছ প্রলয় নিত্য,
অট্টহাসি হাচিছ বজ্র নিনাদে।
মুহূর্তে প্লাবনের প্রলয়,
তোমার সৃস্টি তুমি কর ধ্বংস।
ধ্বংস লীলার শেষ কুটি টুকু,
বয়ে নিয়ে যাও দূরে বহু দুরে।
মানুষের নাগালের বাইরে,
সেই সমুদ্র মাঝে কিংবা পারে।
অপূর্ব তোমার লীলা বোঝা অসম্ভব,
তোমার লীলা বোঝা তোমারই সম্ভব।
তুমি খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে,আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি যেন তব পুতুল খেলা,
ভাঙ্গিয়া গড়িছ সৃষ্টি ক্ষণে,
গড়িয়া ভঙ্গিছ আনমনে।
তুমি নিত্য সত্য হে উদাসী,
বিশ্ব যেন লুটাইছে তব পদতলে,
আনমনে হে প্রভু আনমনে।
বিশ্ব চরাচর তোমার অনুগত অনুক্ষণ।
সৃষ্টি রচাইতে তুমি মত্ত আপনমনে,
ধ্বংসের আনন্দে মাত আনমনে।
তুমি খেলিছ আপনমনে প্রকৃতিরে লয়ে।
হে ঈশ্বর তোমার লীলা কে বুঝিতে পাড়ে!
""""'"""'' ------©--●অনাথ●----------""""""'
||--anrc-----10/05/2018::--------------||
------------04:35:20:-------
||========================||
========================
Comments
Post a Comment