446>||||--ভ্যাগ্যাব্যান্ড--||----( 1--3)

446>||--ভ্যাগ্যাব্যান্ড--||-
         2)||--ভবঘুরে মন--||
         3)||-আমি এক ভবঘুরে-||

==========================
446||--ভ্যাগ্যাব্যান্ড--||--20/09/2017::-------

আরে নানা তোমরা ভ্যাগাবন্ড হবে কেন ?
নিজেকে নিজে ভ্যাগাবন্ড বলবে কেন?

ভ্যাগ্যাব্যান্ড কাকে বলে,হয় কি করে,
এমন তথ্য ক-জন জানে?
তবে বলি শোনো---------
ভ্যাগ্যাব্যান্ড তো রাস্থায় ছেড়ে দেওয়া
ঘরের পোষা গরু।
দুধের প্রয়োজনে ঘরে টেনে আনে,
যাবনা খাওয়ায়,
আদর করে,গা ঘষে দেয়।
দুধ দুইয়ে আবার রাস্তায় ছাড়ে দেয়,
বেড়ায় চড়ে।
পথে ঘাটে বনে বাদারে আপনমনে।
তোমাদের তো সবে চলা শুরু,
এই পথ চলতে তো হবেই ভায়া।
জখোন হাঁপিয়ে স্বপ্ন দেখতে করবে শুরু,
খুঁজবে পথে নিরালায় একটু গাছের ছায়া।
জল তেষ্টায় নয় মিনারেল,
পথের কল খুঁজে খুঁজে হাঁপাবে কেবল।
শেষে নিরুওয়ায় হয়ে পথেই পড়বে বসে,
আকাশ পাতাল কতকি ভাববে বসে বসে।
এটাইতো ভ্যাগ্যাব্যান্ডের জীবন কথা,
জানেনা আনন্দ,সুখ কোথায় ব্যাথা।

আসে পাশে পথিকের কত কথা শুনবে,
দুই কানও মন দিয়ে শুধুই শুনবে।
নিজের অতীতকে মনে মনে গুনবে,
সেই দিনগুলি স্বপ্ন মনে মনে আঁকবে।
পরিশ্রান্ত দেহে একটু বিশ্ৰমের লোভ,
এদিক ওদিক খুঁজবে মনে নিয়ে লোভ।
কোনো উপায় থাকবেনা কিছু অন্তে,
সংসারের চাপ ঘাড় ধরে টেনে আনবে।
রোজের বাজার আর মলের বোঝা বইতে।
হইলেও ভ্যাগ্যাব্যান্ড নই অকর্মণ্য কুঁড়ে,
দিশে হারা মনটায় বেদনা ওঠেজে ফুঁড়ে।
পুজোর বাজারে কর্তব্য ও হিরিকের ফলে,
পিষে খান খান সংসারের যাতা কলে।
শারীর পাহাড়ে চাপা পড়লেও,
আসবে না একটু হাত ধরতে কেউ।
একটু বাড়িয়ে দেবে না কেউ হাত,
ঠিক তখনই মনটা হবে ভ্যাগ্যাব্যান্ড।
সংসার তাও খকনো করবেনা মাপ,
শান্তি শুধু রাত্রে এক বা দুই পেগ মাপ।
ভ্যাগ্যাব্যান্ডের ওই একটাই ঠাই,
নিজের আনন্দ নিজেই খুঁজে পাই।
চুমুকে চুমুকে যেন স্বর্গ সুখ খুঁজে পাই।
রাতের পরে দিনটার যেন দেখা না পাই।
ভ্যাগ্যাব্যান্ডের তো ওই একটাই আনন্দ,সুখ,
রাতভর খুঁজে চলি অলীক আনন্দের সুখ।
||-© ➽ ANRC---20/09/2017::-------||

||===========================
2)||--ভবঘুরে মন--||

আমিএক অনাহুত ভবঘুরে,
ইচ্ছা ঘুরে বেড়াতে দুনিয়া ভরে।
এখনো পাইনি জীবনের মানে খুঁজে,
বেরিয়ে পড়তে চাই দুচোখ খুলে।

মনের ইচ্ছাগুলো কাঁধে নিয়ে,
বয়সের সাথে সময়কে নিয়ে।
বেড়িয়েছি দূর পথের পাহাড়ি মন,
দেখেছি ক্ষুধার্ত আদিবাসী জীবন।

উত্তর থেকে দক্ষিণ,
পূর্ব থেকে পশ্চিম,
মন্দিরে দেখলাম সর্বত্র,
পুজোর নামে টাকার মাহাত্ম্য।

মন্দিরে মন্দিরে ঘুরলাম,
ভগবান আছেন কি না জানিনা।
তবে গর্ভ গৃহে,---দর্শন ও পূজা,
ভক্তি, নাকি পাপের বোঝা।

পাহাড় পর্বত জঙ্গল,
সকল স্থানেই উৎপাত গন্ডগোল।

কোথায় পাবো একটু নিরালা,

সেটাই করা গেলনা কিনারা।ধর্ম ভীরু ওই ক্ষুধার্থ বন পথ,
কিছু ধূর্ত করছে খেলার শপথ।
সরল মিষ্টি মানুষ গুলি রক্ত শূন্য,
অক্লান্ত পরিশ্রম জীবন গুলি বন্য।

ভারতের সকল স্থান ছিল পবিত্র শান্ত,
আজ পরিবেশ অতিশয় অশান্ত।
পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলি ক্রমে,
বেঁচে থাকবার লড়াই করছে অবিশ্রান্ত।

হবেনা জানি মনের ইচ্ছা পূরণ,
ভবঘুরে মনকে করতে হবে দমন।
মনে মনে স্বপ্নের জাল বুনি,
একলা বসে নিজে নিজে প্রমাদ গুণী।

ভবঘুরে মন করেছি দমন,
ঘরের জানালায় বসে ভাবি সর্বক্ষণ।
প্রকৃতি ও আজ পাল্টে গেছে,
একটু নিরালার খোঁজে ব্যাকুল মন।

||----anrc----05/12/2017::–-------||
||======================||


================================================================

3) ||-আমি এক ভবঘুরে-||--01/10/2017::::-

আমি এক অধম ভবঘুরে,//
বাসনা ঘুরে বেরাই দুনিয়া ভরে।//
নিজের বলতে আছে এক ভাঙা কুলো,//
হয়েছে বয়স নাই তাঁর কোন চাল চুলো।//
দিয়েছে বিসর্জন সকল নিজের আশা,//
সকল বিদায় দিয়ে চায় একটু ভালোবাসা।//
দুঃখী মন কোথাও পায় না একটুও আদর,//
ব্যথিত হৃদয় সদাই থাকে বিভোর।//
অভাগীর মনটা বড়ই সুন্দর সরল,//
কখনই রাখেনা মনে কোন গড়ল।//
আমার মত ভবঘুরের সাথি,//
আর আছে দুজন নাতি পুতি।//
ওর চাওয়া তো সামান্য,//
তাও করি বার বার অমান্য।//
জানি আমার নাই সচ্ছতা,//
ভালোই বুঝি ওর মনেরকষ্টটা।//
কিন্তু আমিজে ভবঘুরে,//
ভাবিনা কারুর মন নিয়ে।//
কিলাভ মননিয়ে করে খেলা,//
কত কি অলীক ভাবি দুই বেলা।//
নিজের প্রতি ও কতনা অবহেলা,//
স্বার্থপর হতে পারিনি তাইবেদনা।//
কেউই বোঝে না ভবঘুরে মনের যাতনা,//
ভবঘুরের আছে কেবল নির্লিপ্ত চেতনা।//

||-©➽ -ANRC--01/10/2917:::---||
||=====================||

Comments

Popular posts from this blog

497>||--আমের কথা--||---(1---4)

495>||--পান্তার ঘুম--||

496>||-বঙ্গের প্রকৃতি-||