404>হোলি /দোল /বসন্ত--( 1 to 35)
404>হোলি /দোল /-বসন্ত------( 1 to 35 )
1>||--होली 2018--||*
2>||--আসছে হোলি--2018-||*
AND JOY.*
16>||-প্রেমের দোল যাত্ৰা-||
17> ||-অভিলাষী হোলি -||
19>||--প্রেমের হোলি--2019-|| শঙ্কর দা কে ।
দিলাম
120>||--होली--2019---||
21> ||--होलीकी दहन--|| to fb 21/03/2019
22>||--होली मुबारक- 2019--||
23>|| आज होली ||
मुबारक हैं आप सभीको
होली के त्योहार पर।
2018 की होली।
गोकुल का दुग्ध,
बृन्दाबन की खुश्बू,
राधा की तपस्या,
कृष्ण का उदारता,
राधा कृष्ण की मनमोहन मूर्ति,
बरसाते हैं निः स्वर्थ प्यार,
साथमे याद रखना
बरसाने की लाठ मार होली।
यह सभी प्यार मिलकर बनते हैं होली।
याद रखना प्यार की त्योहार हैं होली।
||---anrc-----25/02/2018::-------–-||
||==≠======================||
2>||--আসছে হোলি--2018-||
আসছে হোলি আসছে হোলি,
রঙ মাখা মাখির দিন গুলি।
বসন্তে ফুলের সৌরভ মাখা দিগন্ত,
আজ ব্যস্ত মৌমাছির মনেও আনন্দ।
আজি ফাল্গুনে আবাল-বৃদ্ধবনিতা সহ প্রাণীকুল,
বসন্তের হোলির রঙিন আনন্দে মন ভরপুর।
খেলবো হোলি প্রিয় জনের মন রাঙিয়ে দিতে,
হোলির আনন্দ আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে দিতে।
========================
পলাশের ডালে ডালে কিবাহার কিবাহার।
ভ্রমর ভ্রমরী ধায় মিলনের গন্ধে,
মৌমাছি মেতেছে নুতন মধুর গন্ধে।
বসন্তে হোলি, প্রেমের আনন্দ,
ফুল ফোটার অফুরন্ত আনন্দ।
শজনে ফুলের লোভে মৌমাছি মাতাল,
নানা রঙের ফুলের লোভে পতঙ্গ মাতাল।
আমের মুকুলে প্রজাপতির বাহার।
গাছে গাছে ফুলের সৌরভ বসন্ত বাহার।
ঋতুরাজ বসন্ত নিতান্ত স্নিগ্ধ শান্ত,
যৌবনের অধীর নয়নে আগ্রহ শ্রান্ত।
===================≠==
=≠≠=====================
( 4 )বসন্ত ---(২)
প্রেমিক প্রেমিকার মনে প্রেমের জোয়ার।
অর্ধ কুসুমিত গোলাপের কুড়ি,
প্রেম নিবেদনের আকর্ষণের চাতুরী।
মিলনের আনন্দে হৃদয় মাতোয়ারা,
প্রেমের মিলনে আজ প্রকৃতি দিশেহারা।
হোলি নয় স্বপ্ন ভঙ্গের দিন গোনা,
হোলি প্রেমমিলন আকর্ষণের ক্ষণ গোনা।
========================
( 5 )হোলি---(১)
হোলি এক মিলন উৎসবের মধুর আবেশ।
হোলিতে রঙ ও প্রেমের এআত্ম মধুর মিলন,
আবিরের গন্ধে মেতেওঠে মিলনে আপ্লুত মন।
হোলির নিবেদন রঙের নানান বাহার,
হোলি রাঙাতে চায় মনের ভিতর বাহার।
হোলি এক উৎসব শাসন না মানার দিন,
মেতেওঠা এক উৎসব, প্রেম পরশের দিন।
হৃদয় আবেগে কেলিকুঞ্জ প্রেমাতুর অঙ্গে।
আবিরের স্নিগ্ধতা মাতাবে মনের নেশা,
ফাল্গুনের হোলি নিহারিবে সিক্ত আবরু দশা।
গাছে গাছে ফুলের শোভা যেন প্রকৃতির অর্ঘ্য,
বসন্তে প্রেমাবেশের ছোঁয়া স্বপ্ন পুরীর পরিচর্য।
ভ্রমরেরা আনন্দ উচ্ছাসে গুন গুনিয়ে ওড়ে,
মৌমাছি মধুর লোভে ফুলে ফুলে ঘোরে।
==≠=======================
=≠=≠====≠==================
( 7 )হোলি---(৩)
প্রেম নিবেদনে রঙের হেঁয়ালি।
রঙ লাগবে মনে, হৃদয়ের গভীরে,
হৃদয় প্লাবিত আনন্দ হিল্লোলে ভরে।
বসন্তের হাওয়া বইছে ভুবনে,
মনেহয় আগুন লেগেছে পলাশের বনে।
দূর দুরন্তে ফুলের অপরূপ বাহার,
সকলি বসন্তের একান্ত উপহার।
বসন্তে আবির আর রঙের খেলায় মজিয়ে,
প্রকৃতিও মেতেছে ফুলের বাহার সাজিয়ে।
পাখিরাও আনন্দে গাইছে প্রেমের কলি,
বসন্তের ফুলের রেনুর গন্ধে মেতেছে অলি।
========================
====================≠===
( 8 )হোলি---(৪ চার )
প্রেমিক করে প্রেম নিবেদন প্রেমিকার সনে।
মসলিন সিক্ত বসনে প্রস্ফুটিত যৌবন,
পাখিরাও প্রেম মিলনে ব্যস্ত চঞ্চু চুম্বন।
সদ্য প্রস্ফুটিত যৌবনে আবেগের দোল,
প্রেম পিপাসিত মনে জাগে আবেগ হিল্লোল।
প্রেম চায় সমর্পণ প্রেমিকার কোমল হৃদয়ে,
অনেক স্বপ্ন আবেগের দোল সার্থক মিলনে।
রঙে রঙে যৌবনের বাহার প্রস্ফুটিত,
রঙে ঢংয়ে জর্জরিত কুচযুগ উথলিত।
কিবাহার কিবাহার কুসুমিত তন্বী তনিমা,
রঙে রঙে ভাসাইল কামিনীর সর্বাঙ্গ মহিমা।
||----anrc-----27/02/2018::------------||
||==========================||
9>|| হোলি ||----(৫)
দোল কিংবা হোলি,
মনেপরে ফেলেআশা স্মৃতি গুলি।
ফাল্গুনের পূর্ণিমা তিথি,
আবির আর রঙ মাখা মাখি।
সকলকেই মনে পরে এমন দিনে,
যে আছো যেখানে ফাল্গুনের দিনে।
হোলির রঙে রাঙিয়ে মন,
আনন্দপূর্ণ হোক আগামী জীবন।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
========================
10>||--होलीमें खेले रंग,--||
होलीमें खेले रंग,
पिचकारी और गुलाल के संग।
होली के त्येहार एक महोत्सब मिलनेके,
मिले प्रेमरूपी रंगीन गुलालसे सबसे।
होली के त्येहार प्रेम निबेदन के लिये,
बिशेष अपना प्रेमिका के लिये।
खेले होली पिचकारी और गुलाल के संग।
होली में प्रकिती करे आपना जौबन पर्दर्शन।
अपरूप शोभा मण्डित चंचल मन,
गुलाल रंजीत मधुर नब जौबन।
पूर्ण जुबती के मसलिन सिक्त बस्त्र,
चंचल चपल प्रस्फुटित जौबन ब्यस्त संत्रस्त।
होलीके त्यौहार पर रंगों के बाहार,
प्रेम पिपाषित मन मे लाय बाहर।
होली के मनमोहन प्रदर्शन,
रँगोंसे सिक्त प्रस्फुटित जौबन।
प्रेम पिपासित हृदय में मिलन प्रेमीकाके संग,
रँगोंसे भरदेते हैं तन्वी तनिमा के अंग।
होली के त्यौहार पर कामिनिके सर्वाङ्ग,
सद्य प्रस्फुटित जौबन खेले होली प्रेमिकके संग।
प्रेमिक करे समर्पण प्रेमिकाके कोमल हृदय में,
होली वर्षकी प्रतीक्षा मिलन की चाहत में।
||---anrc----------01/03/2018::--------------||
||============================||
=====||
11>প্রেমের দোল যাত্ৰা::---
রাধার রং আর কানাইয়ার পিচকারী,
প্রেম মিলনের রঙে রাঙিয়ে দিল দুনিয়া সারি।
রঙের না আছে জাতপাত, নাআছে কোন বোল,
এমন প্রেম মিলনের রংইতো আমাদের দোল।
রাধার লাঠমার হোলি কৃষ্ণের বাঁশরী,
প্রেমানন্দের নৃত্যে বিভোর দুনিয়া সারি।
প্রেম মিলনের এমন মধুর একাত্ম মাধুরী,
স্বর্গীয় সুখেও পাবেনা এর কোন জুড়ি।
মুখে বলো হরিবোল আবিরে খেলো দোল,
নিশ্চিত লাভ হবে পরমানন্দের কোল।
আবিরের সুগন্ধ মিলে প্রকৃতির সৌরভ,
এমন দোলের মহিমা ত্রিভুবন দূর্লভ।
||---anrc----------01/03/2018----------||
||===========================||
12>HOLI IS THE FESTIVALS OF COLOURS
AND JOY.
Hope all your Misdeed, Demerits,
Sorrows and Evils
Get burn in "HOLIKA DEHAN" and
Fulfils your and yours family life with beautiful colours of Happiness,
Success and prosperity.
||----anrc-------01/03/2018::--------------||
||============================||
13>||-होली की हार्दिक शुभकामनाएं ---||
फाल्गुन पूर्णिमा की शुभ अवसर पर,
उल्लसित मन मे 'होलीकी दहन' करने पर,-------
होली त्योहारकी हर्षित बेला पर,
मन मे खुशियां मिले अपार |
शुद्ध हृदय में यश,कीर्ति, सम्मान मिले,
और साथ मे बढे सत्कार ||
हार्दिक शुभ रहे हर दिन हर पल,
शुभ निरंकुश, निर्मल रहे विचार |
उत्साह,आनन्द बढे चित चेतन में,
निर्मल स्वच्छ उदार रहे आचार ||
सफलतायें निश्चित मिले,
गुरु जनके बधाई मिले बारम्बार अपार |
मंगलमय हो जीबन आपके,
सदा सुखी रहे आपका पूरा परिवार ||
-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,
------मेरा नमष्कार-------
||----anrc------01/03/2028------------------||
||=============================||
নাইবা রইলো রং এর মাত্রা। //
দোল যখন হয় হোলি //
উড়তে ই চায় খালি। //
বাজারের রং না মাখিয়ে //
মনের রং মাখান। //
মনের রংঙে রাঙিয়ে দিন //
মনের মত মানুষ কে। //
আসে পাশের সকলকে । //
প্রকৃতি ই তো রঙের বাহার //
দিচ্ছে শুদ্ধ মনে পরিশুদ্ধ আহার। //
আমরা নিজের স্বার্থে //
দূষণে ভরছি তাকে। //
চিন্তা একটুও করিনা //
গাছ কাটতে। //
বাজার থেকে বয়ে আনা //
প্লাস্টিক যত্র তত্র ফেলতে। //
পরিছন্ন্যের দিয়ে দোহাই, //
টায়ার,প্লাস্টিক বর্জ্য জ্বালাই। //
রাস্তার ট্যাপ কল //
হয়েছে চুরি, //
দিন রাত জল পরেই যাচ্ছে //
ওটা আমার নিজের থুড়ি। //
জল হল প্রকৃতির দান //
আমাদের ফ্রী প্রাণ। //
তাকেই করি অবহেলা //
প্রয়োজনাধিক খরচ করি দুবেলা। //
দোল, হোলির দিন //
মন হৃদয় রাঙানোর দিন। //
শুদ্ধ চিন্তার দিন, //
অনেক ভাবনার দিন। //
আমরা বাঙালি , //
কতই না ভাবতাম, //
সেসব ভাবনা কোথায় হারালো //
সব কি সমূলে জলাঞ্জলি গেলো?? //
||©➽-ANRC--11/03/2017::10:53:20-||
||=========================||
=========================================================
15>.||-Today is the day of colour--||13/03/2017 --------------(N)
Today is the day of colour //
Try to do something better. //
If you can't //
Try to do a little good //
Today's little try //
Must be turn into better .//
If your heart is full of love //
Excepting all the colour. //
||-©➽---ANRC-------13/03/2017 //
||==≠==============||
=======================================
16>||-প্রেমের দোল যাত্ৰা-||------(২)
<---©-আদ্যনাথ--->
মথুরা-বৃন্দাবন হোলিতে মাতিছে মন
রাধা কৃষ্ণের হোলি রঙের মিলন।
বারসানায় রাধার লাঠমার হোলি,
কৃষ্ণের বাঁশরীর সুর রাধা রাধা বলি।
রাধার লাঠমার হোলি কৃষ্ণের বাঁশরী,
প্রেমানন্দের নৃত্যে বিভোর দুনিয়া সারি।
প্রেম মিলনের এমন মধুর একাত্ম মাধুরী,
স্বর্গীয় সুখেও পাবেনা এর জুড়ি।
রাধার রং আর কানাইয়ার পিচকারী,
প্রেম মিলনের রাঙ্গিছে দুনিয়া সারি।
রঙের তো নাই জাতপাত, নাই বোল,
প্রেম মিলনের রংইতো আমাদের দোল।
আবিরে খেলো দোল,মুখে হরিবোল,
নিশ্চিত লাভ হবে পরমানন্দের কোল।
আবিরের সুগন্ধ মিলে প্রকৃতির সৌরভ,
এমন দোলের মহিমা ত্রিভুবন দূর্লভ।
<---©-আদ্যনাথ--->
【--anrc--21/03/2019--】
【=সকাল:08:30:20=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
||=======================||
17> ||-অভিলাষী হোলি -||
<---©-আদ্যনাথ--->
আজ হোলি রঙের হোলি,
গৃহ বাসী খোল রে দুয়ার খোল,
হৃদয়ের পরশ দিয়ে মনের দুয়ার খোল,
আজ বসন্তের পরশে হৃদয় খোল।
রং লাগিয়ে একে অপরের অঙ্গে,
ভেসে চল যৌবনের কাননে।
বসন্তের পূর্ণ চন্দ্রের জোৎস্না
যৌবনের পূর্ণ আনন্দ কামনা।
আনন্দে মুখরিত ভ্রমরের নৃত্য,
যুগল প্রেমে ঘনিষ্ঠ আবৃত।
মন মানেনা প্রেমের তাড়না,
একান্ত সঙ্গমের কামনা।
আজি লেগেছে বসন্তের হাওয়া,
ষোড়শীর মনে কামনার যাতনা।
ফুলের রেনু মাখা মাখি মনে,
মিলনের আনন্দ অঙ্গে অঙ্গে।
প্রেম আলিঙ্গনের স্পর্শে অফুরন্ত সুখ,
এমন মধুর মিলনে স্বর্গীয় সুখ।
রঙে রঙে মিলিয়েছে যৌবন স্পর্শ,
মিলনের আনন্দ অফুরন্ত প্রেম স্পর্শ।
প্রত্যুষে ফুটবে যে গোলাপ,
শিশিরের অপেক্ষায় আছে চেয়ে।
অর্ধ কুসুমিত শুভ্র যূথিকা কানন,
পলাশবৃক্ষে যেন লেগেছে আগুন।
ষোড়শীর প্রেমের আহ্বান,
সিক্ত বসনে স্পষ্ট অঙ্গ যৌবন।
আকুল প্রেম পায়না কোন কুল,
উত্তাল প্রেমের আগুনে ভাসে দুকূল।
মিলনে ব্যাকুল প্রেমের চুম্বন,
উন্মুক্ত আকৃষ্ট যৌবন মন প্রাণ।
সিক্ত অনাবৃত শরীরে স্পর্শ সুখ,
একান্ত মিনলকে করে মধুর।
ফুলের মধু যেন কামনার জ্বালা
অঙ্গে অঙ্গে ভরিছে সম্ভোগের জ্বালা।
প্রেম মিলনে প্রথম যৌবনোদয়,
বসন্তের মিলন সুখে আপ্লুত হৃদয়।
মিলনের তাড়নায় উদ্দীপিত মন,
বনানী উল্লশীত বসন্তের আহ্বানে।
নুতন যৌবনের উন্মত্ত প্ৰেমের ব্যাকুলতা,
উদ্ভাসিত হৃদয়ের আকুলতা।
ফাল্গুনের উত্তাল প্ৰেমের দোল,
বসন্তে মিলনে হৃদয়ে দেয় দোল।
পূর্ন যৌবনের সুখ একাত্মমিলনে
বসন্তের ফুলের সৌরভের আহ্বানে।
ফাল্গুনে ফুল ফোটা প্রেমের নিমিত্তে,
বসন্তে প্রেম আসে একান্ত নীরবে।
দুটি আকুল মনে মিলনের সুখস্মৃতি,
হৃদয়ের আহবান মিলনের স্বীকৃতি।
<---©-আদ্যনাথ---
【--anrc--19/03/2019--】
【=সন্ধ্যা:07:30:20=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
||=======================||
18>" আসছে দোল"---||2019 posted to
fb 19/03/2019
এই নামটির পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ
করলাম
||-অভিলাষী হোলি -||
সাথে প্রথম পঙ্ ক্তি টিও একটু পরিবর্তন করলাম।
"আসছে হোলি রঙের হোলি
গৃহ বাসী খোল রে দুয়ার খোল আজি।
হৃদয়ের পরশ দিয়ে মনের দুয়ার খোল,
আজি বসন্তের পরশে হৃদয় খোল।"
==============================
19>||--প্রেমের হোলি--2019-|| শঙ্কর দা কে ।
দিলাম
19/03/2019
<---©-আদ্যনাথ--->
হোলি হোলি হোলি
রঙ মাখা মাখির দিন গুলি।
বসন্তে ফুলের সৌরভ মাখা দিগন্ত,
আজ ব্যস্ত মৌমাছির মনেও আনন্দ।
বসন্তের অপূর্ব ফুলের বাহার,
পলাশের ডালে ডালে কিবাহার কিবাহার।
ভ্রমর ভ্রমরী ধায় মিলনের গন্ধে,
মৌমাছি মেতেছে নুতন মধুর গন্ধে।
আমের মুকুলে প্রজাপতির বাহার।
গাছে গাছে ফুলের সৌরভ বসন্ত বাহার।
ঋতুরাজ বসন্ত নিতান্ত স্নিগ্ধ শান্ত,
যৌবনের অধীর নয়নে আগ্রহ শ্রান্ত।
বসন্তের স্নিগ্ধ শীতল প্রেমের বাহার,
প্রেমিক প্রেমিকার মনে প্রেমের জোয়ার।
অর্ধ কুসুমিত গোলাপের কুড়ি,
প্রেম নিবেদনের আকর্ষণের চাতুরী।
মিলনের আনন্দে হৃদয় মাতোয়ারা,
প্রেমের মিলনে আজ প্রকৃতি দিশেহারা।
হোলি নয় স্বপ্ন ভঙ্গের দিন গোনা,
হোলি প্রেমমিলন আকর্ষণের ক্ষণ গোনা।
হোলি এক রঙিন আনন্দ উৎসব বিশেষ,
হোলি এক মিলন উৎসবের মধুর আবেশ।
হোলিতে রঙ ও প্রেমের এআত্ম মধুর মিলন,
আবিরের গন্ধে মেতেওঠে মিলনে আপ্লুত মন।
হোলির নিবেদন রঙের নানান বাহার,
হোলি রাঙাতে চায় মনের ভিতর বাহার।
হোলি এক উৎসব শাসন না মানার দিন,
মেতেওঠা এক উৎসব, প্রেম পরশের দিন।
আসছে হোলি উড়বে আবির বাতাসের সঙ্গে,
হৃদয় আবেগে কেলিকুঞ্জ প্রেমাতুর অঙ্গে।
আবিরের স্নিগ্ধতা মাতাবে মনের নেশা,
ফাল্গুনের হোলি নিহারিবে সিক্ত আবরু দশা।
গাছে গাছে ফুলের শোভা যেন প্রকৃতির অর্ঘ্য,
বসন্তে প্রেমাবেশের ছোঁয়া স্বপ্ন পুরীর পরিচর্য।
ভ্রমরেরা আনন্দ উচ্ছাসে গুন গুনিয়ে ওড়ে,
মৌমাছি মধুর লোভে ফুলে ফুলে ঘোরে
আসছে হোলি আসছে হোলি,
প্রেম নিবেদনে রঙের হেঁয়ালি।
রঙ লাগবে মনে, হৃদয়ের গভীরে,
হৃদয় প্লাবিত আনন্দ হিল্লোলে ভরে।
বসন্তের হাওয়া বইছে ভুবনে,
মনেহয় আগুন লেগেছে পলাশের বনে।
দূর দুরন্তে ফুলের অপরূপ বাহার,
সকলি বসন্তের একান্ত উপহার।
বসন্তে আবির আর রঙের খেলায় মজিয়ে,
প্রকৃতিও মেতেছে ফুলের বাহার সাজিয়ে।
পাখিরাও আনন্দে গাইছে প্রেমের কলি,
বসন্তের ফুলের রেনুর গন্ধে মেতেছে অলি।
হোলির পিচকারী রঙ আর আবির মাখিয়ে,
প্রেমিক করে প্রেম নিবেদন প্রেমিকার সনে।
মসলিন সিক্ত বসনে প্রস্ফুটিত যৌবন,
পাখিরাও প্রেম মিলনে ব্যস্ত চঞ্চু চুম্বন।
সদ্য প্রস্ফুটিত যৌবনে আবেগের দোল,
প্রেম পিপাসিত মনে জাগে আবেগ হিল্লোল।
প্রেম চায় সমর্পণ প্রেমিকার কোমল হৃদয়ে,
অনেক স্বপ্ন আবেগের দোল সার্থক মিলনে।
রঙে রঙে যৌবনের বাহার প্রস্ফুটিত,
রঙে ঢংয়ে জর্জরিত কুচযুগ উথলিত।
কিবাহার কিবাহার কুসুমিত তন্বী তনিমা,
রঙে রঙে ভাসাইল কামিনীর সর্বাঙ্গ মহিমা।
------<--©➽--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->------
【--anrc--19/03/2019--】
【=রাত্রি:10:25:10=】
||==========================||
অপূর্ব অনবদ্য । প্রেমের হোলির নামকরণ সার্থক । দারুণ অসম্ভব ভালো হয়েছে লেখাটি ।ধন্যবাদ। শুভ সকাল ।
========================
20> ||--होली--2019---||
<--©--आद्यनाथ--->
21/03/2019
होलीमें खेले रंग,
पिचकारी और गुलाल के संग।
होली के त्येहार एक महोत्सब मिलनेके,
मिले प्रेमरूपी रंगीन गुलालसे सबसे।
होली के त्येहार प्रेम निबेदन के लिये,
बिशेष अपना प्रेमिका के लिये।
खेले होली पिचकारी और गुलाल के संग।
होली में प्रकिती करे आपना जौबन पर्दर्शन।
अपरूप शोभा मण्डित चंचल मन,
गुलाल रंजीत मधुर नब जौबन।
पूर्ण जुबती के मसलिन सिक्त बस्त्र,
चंचल चपल प्रस्फुटित जौबन ब्यस्त संत्रस्त।
होलीके त्यौहार पर रंगों के बाहार,
प्रेम पिपाषित मन मे लाय बाहर।
होली के मनमोहन प्रदर्शन,
रँगोंसे सिक्त प्रस्फुटित जौबन।
प्रेम पिपासित हृदय में मिलन प्रेमीकाके संग,
रँगोंसे भरदेते हैं तन्वी तनिमा के अंग।
होली के त्यौहार पर कामिनिके सर्वाङ्ग,
सद्य प्रस्फुटित जौबन खेले होली प्रेमिकके संग।
प्रेमिक करे समर्पण प्रेमिकाके कोमल हृदय में,
होली वर्षकी प्रतीक्षा मिलन की चाहत में।
-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,
------मेरा नमष्कार-------
<--©--आद्यनाथ--->
||---anrc----21/03/2019::------||
||============================||
21>||--होलीकी दहन--|| to fb 21/03/2019
<--©--आद्यनाथ--->
21/03/2019
फाल्गुन पूर्णिमा की शुभ अवसर पर,
उल्लसित मन 'होलीकी दहन' करने पर,-------
होली त्योहारकी हर्षित बेला पर,
मन मे खुशियां मिले अपार |
शुद्ध हृदय में यश,कीर्ति, सम्मान मिले,
और साथ मे बढे सत्कार ||
हार्दिक शुभ रहे हर दिन हर पल,
शुभ निरंकुश, निर्मल रहे विचार |
उत्साह,आनन्द बढे चित चेतन में,
निर्मल स्वच्छ उदार रहे आचार ||
सफलतायें निश्चित मिले,
गुरु जनके बधाई मिले बारम्बार अपार |
मंगलमय हो जीबन आपके,
सदा सुखी रहे आपका पूरा परिवार ||
-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,
------मेरा नमष्कार-------
<--©--आद्यनाथ--->
||--anrc---21/03/2019-=08:10:12am--||
||========================||
22>||--होली मुबारक- 2019--||
<--©--आद्यनाथ--->
21/03/2019
मुबारक हैं आप सभीको
होली के त्योहार पर।
2019 की होली।
गोकुल का दुग्ध,
बृन्दाबन की खुश्बू,
राधा की तपस्या,
कृष्ण का उदारता,
राधा कृष्ण की मनमोहन मूर्ति,
बरसाते हैं निः स्वर्थ प्यार,
साथमे याद रखना
बरसाने की लाठ मार होली।
यह सभी प्यार मिलकर बनते हैं होली।
याद रखना प्यार की त्योहार हैं होली।
-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,
------मेरा नमष्कार-------
<--©--आद्यनाथ--->
||---anrc-----21/03/2019::-------–-||
23>|| आज होली ||
<--©--आद्यनाथ--->
21/03/2019
आज होली की हर्षित शुभ बेला पर,
आपको खुशियां मिले अपार ।
यश,कीर्ति, सम्मान आंनद मिले अपार,
और साथ में बढे सत्कार ।
शुभ रहे हर दिन हर पल,
शुभ रहे आपको विचार ।
उत्साह, आनन्द बढे चित चेतन में,
निर्मल रहे आपका सोच और आचार।
सफलतायें मिले अपार,
बधाई आपको बारम्बार।
मंगलमय हो आजके होली त्योहार,
सुखी रहे आपका सारे परिवार।
-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,
------मेरा नमष्कार-------
<--©--आद्यनाथ--->
||--anrc-21/03/2019::06:20:14pm--||
||=========================||
24> || HOLI IS HOLY
EVER HOLLY
THE FESTIVAL OF COLOUR
AND JOY.
----------21/03/2019---------------------
Hope all your Misdeed,
Demerits,Sorrows
and Evils
Get burn in
"HOLIKA DEHAN"
and Fulfils
your and yours family life with beautiful colours of Happiness,
Success and prosperity.
||----anrc-------21/03/2019::----------||
||=======================||
25>||-প্রথম বসন্ত -||
<-----©-আদ্যনাথ--->
করোনার প্রদাহে, হৃতুরাজ বসন্ত,
ব্যাকুল হৃদয় তবুও মন অশান্ত।
উদাসী মণ খুঁজে চলে অনুক্ষণ,
হারানো প্রেমের স্বপ্ন সর্বক্ষণ।
বহুদিন পরে এই বসন্ত যেন নুতন লাগে,
স্বপ্নমনে অনেক না পাওয়া খুঁজে চলে।
বিরহ মণ কিছু স্বপ্নের জাল বোনে,
স্বপ্নেই নিশিদিন প্রেমের খেলা খেলে।
বসন্তের প্রেম যেন মাদকতার নেশাে,
হৃদয়ে প্রেমের ছোঁয়ার লাজুক নেশা।
শূন্য হৃদয় বসে একলা প্রমাদ গোনে,
প্রিয়া আসবে বলে অপেক্ষায় দিন গোনে।
ফুলের সৌরভে, মধুকর মধুর লোভে,
ফুলে ফুলে নেচেবেড়ায় পরাগ মেখে।
মহুয়ার গন্ধে ভালুক ছুটে আসে,
মধু আর মহুয়ার নেশায় মাতে।
প্রেমের আবেগে নয়ন কাজল চিক্কন,
প্রথম প্রেমের স্পর্শে পুলকিত মন।
ওষ্ঠে ভরিয়া তৃষিত প্রেমের চুম্বন,
অঙ্গে অঙ্গে শিরায় শিরায় জাগে শিহরন।
বসন্তের আগমনে প্রেমের প্রকাশ,
নাকি প্রেমের জৌলুসে বসন্তের প্রকাশ।
বসন্তের জোৎস্না রাতে প্রেমের মিলন,
রাঙিয়ে দিতে চায় প্রেমাস্পদের মণ।
প্রকৃতি খেলাকরে বসন্তের বাতাসে,
তার উন্মাদনা বৃক্ষ লতা ফল ফুল লয়ে।
প্রকৃতির আনন্দ প্রাণী কুল জগৎ লয়ে,
প্রেম সদাই বসন্তের প্রতীক্ষা করে।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
【28/03/2021;:10:08:22am=】
===========================
26>|| ফাগুন ||<-©➽-আদ্যনাথ-->
আগুন লাগা ফাগুনে,
কোকিলের কুহু কুহু রবে,
প্রভাতকল্পে শিশির ভেজা ঘাসে,
যেন মুক্তা ছড়ায় বনে বনে।
হালকা শীতের পরশে খানিক যতনে,
ভালোলাগা আদরে প্রকৃতির সাথে।
উত্তরের হাওয়ায় মনে শিহরণ জাগে,
যেন আদরে মাখা প্রিয়ার পরশ লাগে।
ফাল্গুনে আগুন লাগা পলাশে-শিমুলে,
দিগন্ত লালে লাল ফুলের রঙ মেখে,
প্রকৃতি যেন আজ স্বপ্নে ডুবে আছে,
প্রেমের আনন্দ ছোঁয়া হৃদয়ে লেগেছে।
সেই হারিয়ে যাওয়া রঙের খেলায়,
প্রকৃতির সাথে প্রকৃতির মিলন বেলা,
মসৃন ঠোঁটে উষ্ণ পরশের আকুলতা,
সিক্ত বসনে রিক্ত আমেজের নিরবতা।
শীতের শুষ্কহাওয়া নিয়েই ফাল্গুন আসে,
কিশলয় আর মুকুলিত মঞ্জুরী আম্র শাখে,
প্রকৃতিকে ফুলের গন্ধে আল্লাদিত করে,
পাখিদের আনন্দ কিচিরমিচির রবে।
আজ এমনদিনে তোমাকেই মনে পরে,
মনেহয় তুমি আছ অলকে লুকায়ে,
তোমার একান্ত উষ্ণ পরশ খানি,
হৃদয়আনন্দ স্মৃতিতেই বিভোর থাকি।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=========================
27> || দোল কিংবা হোলি || (2022)
<--আদ্যনাথ-->
দোল কিংবা হোলি,
মনেপরে ফেলেআশা স্মৃতি গুলি।
ফাল্গুনের পূর্ণিমা তিথি,
আবির আর রঙ মাখা মাখি।
হোলির পিচকারীর রঙ আর আবির মাখিয়ে,
প্রেমিক যুগলের প্রেম নিবেদন রঙ
মাখিয়ে।
মসলিন সিক্ত বসনে প্রস্ফুটিত যৌবন,
পাখিরাও প্রেম মিলনে ব্যস্ত চঞ্চু চুম্বন।
সদ্য প্রস্ফুটিত যৌবনে আবেগের দোল,
প্রেম পিপাসিত মনে জাগে আবেগ হিল্লোল।
প্রেম চায় সমর্পণ প্রেমিকার কোমল হৃদয়ে,
অনেক স্বপ্ন আবেগের দোল সার্থক মিলনে।
রঙে রঙে যৌবনের বাহার প্রস্ফুটিত,
রঙে ঢংয়ে জর্জরিত কুচযুগ উথলিত।
কিবাহার কিবাহার কুসুমিত তন্বী তনিমা,
রঙে রঙে ভাসাইল কামিনীর সর্বাঙ্গ মহিমা।
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->
=======================
28> || হোলির রঙ 2022 ||
<--আদ্যনাথ-->
আনন্দ-উৎসবের হোলি,
আবির আর রঙ মাখা মাখি।
বসন্তে ফুলের সৌরভে মাখা দিগন্ত,
শিশু হতে বৃদ্ধ সকল মনেই আনন্দ।
বসন্তে হরেক রঙিন ফুলের বাহার,
পলাশের ডালে ডালে কিবাহার কিবাহার।
ভ্রমর ভ্রমরী ধায় ফুলের গন্ধে,
মৌমাছি ফুলে ফুলে নুতন মধুর গন্ধে।
আমের মুকুলে প্রজাপতির বাহার,
গাছে গাছে ফুলের সৌরভ বসন্ত বাহার।
ঋতুরাজ বসন্ত আনে প্রেমের জোয়ার,
প্রেমিক প্রেমিকার মনে প্রেমের বাহার।
মিলনের আনন্দে হৃদয় মাতোয়ারা,
প্রেমের মিলনে আজ প্রকৃতি দিশেহারা।
হোলি নয় স্বপ্ন ভঙ্গের দিন গোনা,
হোলি প্রেমমিলন আকর্ষণের ক্ষণ গোনা।
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->
========================
29>|| ফাগুন ||2022
<---আদ্যনাথ-->
আগুন লাগা ফাগুনে,
কোকিলের কুহু কুহু রবে,
প্রভাতে শিশির ভেজা ঘাসে,
যেন মুক্তা ছড়ায় বনে বনে।
হালকা শীতের পরশখানিমেখে
ভালোলাগা আদরে প্রকৃতির সাথে।
উত্তরের হাওয়ায় মনে শিহরণ জাগে,
যেন আদরে মাখা প্রিয়ার পরশ লাগে।
ফাল্গুনে আগুন লাগা পলাশে-শিমুলে,
দিগন্ত লালে লাল ফুলের রঙ মেখে,
প্রকৃতি যেন আজ স্বপ্নে ডুবে আছে,
প্রেমের আনন্দ পরশ হৃদয়ে লেগেছে।
সেই হারিয়ে যাওয়া রঙের খেলায়,
প্রকৃতির আর প্রেম মিলন বেলা,
মসৃন ঠোঁটে উষ্ণ পরশের আকুলতা,
সিক্ত বসনে রিক্ত আমেজের নিরবতা।
শীতের শুষ্কহাওয়া নিয়েই ফাল্গুন আসে,
কিশলয় আর মুকুলিত মঞ্জুরী আম্র শাখে,
ফুলের সৌরভে আল্লাদিত প্রকৃতি
পাখিদের আনন্দের নাই যেন বিরতি।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=========================
30>|| হোলি-মথুরা-বৃন্দাবন ||2022
<---আদ্যনাথ-->
মথুরা-বৃন্দাবন হোলিতে মাতিছে মন
রাধা কৃষ্ণের হোলি প্রেমানন্দের মিলন।
বারসানায় রাধার লাঠমার হোলি,
কৃষ্ণের বাঁশরীর সুরে রাধা রাধা বুলি।
হোলির রঙ একে অপরের অঙ্গে,
আদরের অনুভূতি যৌবনের সঙ্গে
বসন্তে পূর্ণ চন্দ্রের জোৎস্নার শোভা,
নবযৌবনের পূর্ণ আনন্দ কামনা।
আনন্দে মুখরিত ভ্রমরের নৃত্য,
যুগল প্রেমে ঘনিষ্ঠ আবৃত।
মন মানেনা প্রেমের তাড়না,
একান্ত সঙ্গমের কামনা।
আজি লেগেছে বসন্তের হাওয়া,
ষোড়শীর মনে কামনার যাতনা।
ফুলের রেনু মাখা মাখি মনে,
মিলনের আনন্দ অঙ্গে অঙ্গে।
প্রেম আলিঙ্গনের স্পর্শে অফুরন্ত সুখ,
এমন মধুর মিলনে স্বর্গীয় সুখ।
রঙে রঙে মিলিয়েছে যৌবন স্পর্শ,
মিলনের আনন্দ অফুরন্ত প্রেম স্পর্শ।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=======================
32>|| বসন্তের জাদু মনে লাগে ||
1a>----------দোল যাত্রা--होली - দোল উৎসব রঙে রঙে রাঙিয়ে দেয়ার দিন।
23th March 2016(by self edit )
2a>*** দোল যাত্রা ***কিছু কথা ****
3a>দোলের ইতিহাসঃঃঃঃ
4a>***..পৌরানিক উপাখ্যান অনুযায়ী,
5a> বিভিন্ন লোক কথা অনুযায়ী,
6a>***..ধুন্ধি বধঃ রঘু বংশের পৃথ্যু রাজার রাজত্বে
7a>***..কামদেবঃ দক্ষ রাজা কর্তৃক শীবকে অপমান
8a>উৎসবের আগের দিন ‘হোলিকা দহন’ হয়
9a>দোল হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব।
10a>62 सालों बाद आया है भद्रा योग, होलिका दहन पर क्या है इसका महत्व
11a>সবাইকে দোল পূর্ণিমার শুভেচ্ছা,
12a>श्री कृष्ण- श्रीकृष्ण=कृष्ण हैं कौन?
13a> श्री कृष्ण एवं अर्जुन
14a> राधे ... राधे .. श्री राधे कृष्णा
15a>हरे कृष्ण महामंत्र की महिमा
16a>शिवपुराण के अनुसार एक ऋषि के वरदान ने की थी द्रौपदी की चीरहरण से रक्षा
17a>श्री कृष्ण ने चीर हरण क्यों किया ।
18a>গান্ধারীর অভিশাপে কীভাবে দেহত্যাগ হয় শ্রীকৃষ্ণের?
19a>जानिए कैसे खत्म हुआ था श्रीकृष्ण सहित पूरा यदुवंश ?
20a>कैसे हुआ कृष्ण और यदुवंश का अंत, दर्दनाक कहानी!
21a>जानिए कौन था यब बहेलिया।
22a>सफलता के लिए जानिए श्रीकृष्ण के ये 11 सूत्र
More-(See आ =Post=24>-- श्रीकृष्ण--Part-2)--(आ =Post=24)
1a>সবাইকে দোল পূর্ণিমার শুভেচ্ছা, মন রাঙিয়ে নিন লাল-নীল-সবুজ-হলুদ-গোলাপি আবীরে।
( তথ্য় সংগ্রহ fb এবং অনান্য় গ্রন্থ )
In Bengal and Odisha, Dol Purnima or Dol Jatra (Bengali: দোল যাত্রা); is a major festival. This festival is dedicated to Sri Krishna. On this auspicious day, an image of Krishna, richly adorned and besmeared with colored powder (Abir in Bengali), is taken out in procession, in a swinging palanquin, decorated with flowers, leaves, colored clothes andpapers. The procession proceeds forward to the accompaniment of music, blaring of conch shells, trumpets and shouts of 'Jai' (victory).
Dol Purnima becomes all the more significant for Bengalis, because this is also the birthday of Chaitanya Mahaprabhu (1485–1533). He was a great Vaishnava saint, who popularized modern sankirtana. He elevated the passion of Radha and Krishna to a high spiritual plane. He underlined the emotional at the cost of the ceremonial side of devotion. Followers of Chaitanya School of Vaishnavism, believe Chaitanya to be the manifestation of Krishna. Chaitanya Mahaprabhu believed that the essence of sadhana is always the loving remembrance of Hari. The 2016 date is March 23.
============================================================
2a>*** দোল যাত্রা ***কিছু কথা ****
আজ 'দোল পূর্ণিমা' বা 'হোলি'। 'দোল' বা 'হোলি' হিন্দুদের এক পবিত্র উৎসব । নানান রীতিতে বাংলা এবং ভারতের সর্বত্র এই উৎসব পালিত হয়।
দোল যাত্রা বা দোল পুর্নিমা বা হোলি বিভিন্ন নামে আমরা জানি।
আসলে দোল পুর্নিমা কি?
দোল যাত্রা হলো হিন্দু বৈষ্ণব উৎসব। এটি ফাল্গুন মাসের পুর্নিমা তিথিতে হয়। এর অপর নাম বসন্তোৎসবও বলা হয়। এছাড়া এই দিনে নাকি শ্রী মন চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম বলে একে গৌর পুর্নিমাই বলা হয়ে থাকে।
.
দোল উৎযাপনকারীঃ বিশেষত ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে, নেপাল, বাংলাদেশে সহ যে সব দেশে হিন্দু ধর্মালম্বীরা আছে সেখানে দোল পালন করা হয়।
*) দোল প্রধানত ৩-১৫ দিন পর্যন্ত পালন করা হয়।
বর্তমানে হোলি বা দোল পুর্নিমা দুই দিনে অনুষ্টিত হয়।প্রথম দিন ন্যাড়া বা খড় পোড়ানোর মাধ্যমে শুরু হয়।
.
3a>দোলের ইতিহাসঃঃঃঃ
এ সম্বন্ধে বিভিন্ন মত আছে। বৈষ্ণব মত অনুযায়ী , ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গায়ের রঙ ছিল কালো মেঘের মতো, আবার রাধার রঙ ছিল দুধে আলতা রং্যের মতো। সে জন্য ভগবান স্রীকৃষ্ণের কিছুটা ঈর্ষার কাজ করতো। তখন মা যশোদাকে মনের কথা জানলেন। মা যশোদা কৃষ্ণকে বললেন, "তুমি তোমার মনের মতো রঙ দিয়ে রাধাকে সাজিয়ে দিয়ো। " দুষ্টু কৃষ্ণ ফাক বুঝে রাধার মুখে রঙ ঢেলে দেন। সেই থেকেই শুরু হয় দোল খেলার রীতি।
.
.
4a>***..পৌরানিক উপাখ্যান অনুযায়ী,
হোলি উৎসবের পেছনে বিভিন্ন পৌরাণিক ও লোককাহিনী প্রচলিত আছে এর মধ্যে প্রধান ‘হোলিকা দহন’ কাহিনী । দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপু ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে দেবলোক আক্রমণ করে, দেবলোক তার পরম শত্র্রু বা প্রতিপক্ষ । কিন্তু হিরণ্যকশিপুরই পুত্র প্রহ্লাদ ভগবান বিষ্ণুর পরম ভক্ত, তাকে হত্যা করার নানান ষড়যন্ত্র করে পিতা হিরণ্যকশিপু । কিন্তু বিষ্ণুর আশীর্বাদে সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়। হিরণ্যকশিপুর ভগ্নী হোলিকাও ছিল বর প্রাপ্ত যে, অগ্নি তাকে বধ -বা দগ্ধ করতে পারবেননা । সুতরাং হিরণ্যকশিপু হোলিকার কোলে বালক প্রহ্লাদকে বসিয়ে আগুন লাগিয়ে দিল । দাউদাউ অগ্নিশিখার মধ্যে প্রহ্লাদ ভগবান বিষ্ণুকে স্মরণ করেন । বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অক্ষত দেহে অগ্নিকুণ্ড থেকেও বেরহয়ে আসে , আর হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়। এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি । বাংলায় আমরা বলি ‘দোলযাত্রা’ আর পশ্চিম ও মধ্যভারতে ‘হোলি’, আমাদের অনেক ধর্মীয় উৎসবেই আঞ্চলিক লোক-সংস্কৃতি ও রীতির প্রভাব দেখা যায়, হোলিও তার ব্যতিক্রম নয়।
বাংলার দোলযাত্রায় গৌড়ীয় বৈষ্ণব রীতির প্রাধান্য, এখানে মুলতঃ রাধা-কৃষ্ণের প্রেম লীলার বার্তাই সঞ্চারিত হয় । আর্য যুগ থেকে এ উৎসব চলে আসছে বলে শোনা যায়। তবে এর উদযাপনের রীতিনীতি পালটেছে সময়ের সাথে সাথে। বিবাহিত নারীরা পুরাকালে তার পরিবারের মঙ্গল কামনায় রাখী পূর্ণিমায় রঙের এই উৎসব করতেন ।
5a> বিভিন্ন লোক কথা অনুযায়ী,
***..পুতনা বধঃ ভগবান শ্রী কৃষ্ণকে দুধপান কর্তৃক হত্যার উদ্দেশ্যে রাজা কংস পুতনা রাক্ষসীকে নিয়োগ করেন। ভগবান শ্রী কৃষ্ণ পুতনার দুধ ও রক্ত পান করে হত্যা করেন এই দোলের দিনে।
7a>***..কামদেবঃ দক্ষ রাজা কর্তৃক শীবকে অপমান করায় সীতা রাগে দুঃখে আত্মহুতি দেন। সেই দুঃখে শিব পৃথিবীর কথা ভুলে গিয়ে ধ্যান্মগ্ন হোন। শিবের এহেন আচরনে দেবতারা শঙ্কিত হন। তখন তারা কামদেবের শরণাপ্/নহন । কামদেব ধ্যান্মগ্ন শিবকে শর নিক্ষেপ করেন। কামদেবের উপর শিব রুষ্ট হয়ে তৃতীয় চক্ষু দিয়ে কামদেব কে ভস্মীভূতকরেন। কামদেবের স্ত্রী রতিদেবীর অনুরোধে শিব কামদেবকে পুনরুজ্জীবন দেন। পুরাণ মতে দোল পুর্নিমার দিন শিব কামদেব কে ভস্মীভূত করেন বলে দক্ষিন ভারতে এই দিন হোলিকা পালন করে।
8a>এখনও অনেক অঞ্চলে রঙ উৎসবের আগের দিন ‘হোলিকা দহন’ হয় অত্যন্ত ধুমধাম করে । শুকনো গাছের ডাল ,কাঠ, পাতা ইত্যাদি দাহ্য-বস্তু অনেক আগে থেকে সংগ্রহ করে তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ‘হোলিকা দহন’ হয়, অসুরত্ব আর অমঙ্গল বিনাশের মধ্য দিয়ে । পরের দিন সত্য, প্রেম আর মঙ্গলের উৎসব, রঙের খেলা । দোল আমাদের ঋতুচক্রের শেষ উৎসব, পাতা-ঝরার সময়ে, বৈশাখের প্রতীক্ষায়। এই সময় পড়ে থাকা গাছের শুকনো পাতা, তার ডালপালা একত্রিত করে জ্বালিয়ে দেওয়ার মধ্যে এক সামাজিক তাৎপর্য খুঁজে পাওয়া যায়। পুরনো বছরের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে নতুন বছরের জন্য পথের আলো খুঁজে নেবার প্রত্যাশা, কবি গুরুর সেই গানের মত,
"ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে, আগুন জ্বালো, আগুন জ্বালো.........।"
আমাদের ছোট বেলায় মাটি দিয়ে একটা মঠ বানান হত,
মঠের চূড়ায় ছোট্ট তুলশী গাছ লাগান হত। আর দোলের আগে আগে বাজার থেকে কিনে আনা হত বিভিন্ন রঙের আবীর; লাল, হলুদ, কমলা, গোলাপি, নীল, সবুজ। আমাদের আনন্দ দ্যাখে কে!! আমরা বনধু দের নিয়ে বাঁশের আগা কেটে পিচকিরি বানাত (এই বাঁশের পিচকিরি আজ আর দেখাও যায়না ,যা এক অদ্ভ্ুত্ সুন্দর পিচকিরি ) রঙ ছিটানোর জন্য। ছোট ছোট ঘটি এবং বালতি যোগাড় করা হতো রঙ গুলবার জন্য।
দোল পূর্ণিমার দিন পুজো হত মাটিদিয়ে বানানো মঠের উপর তুলশী গাছ লাগিয়ে , মা-ঠাম্মা উপোষ করে দুপুরের মধ্যে পুজো শেষ করতেন। আমাদের মন থাকত না পুজোতে সেদিন, পুজোর হাজার রকমের প্রসাদ খিচুরী ভোগ ,,প্রসাদের প্রলোভনের চেয়েও হোলিতে বড় হয়ে দাঁড়াত আবীর ছড়ানো, রঙ মাখানো, অধৈর্য অপেক্ষা চলত বড়দের হাঁ সূচক ইঙ্গিতের! ত্ররপর আর আমাদের পায় কে? আবীর ছড়ানো শুরু হতো; শুরু হত বন্ধু, সমবয়সী অথবা দিদা-ঠাম্মাদের খুঁজে বেড়ানোর পালা। কত জন যে কত জায়গাই লুকোতেন সেদিন; খাটের তলায়, আলনার পিছনে । খুঁজে বের করে রাঙ্গিয়ে দেবার আনন্দটা পুরোই আলাদা...! আমার বাবা অফিস থেকে ফিরতেন দেরি করে যাতে তাকে কেউ না পায়, কিন্তু ধরা ঠিকই পরতেন কারো না কারো হাতে। চলত রঙের খেলা; মুঠো মুঠো করে শুকনো ঝুরো আবীরের সাথে সাথে শুকনো রঙের ছড়াছড়ি, পিচকিরি অথবা বালতি দিয়ে।
সেই আনন্দের দিনগুলি, বর্ণনা করি কি করে, আমার ভাষার সাধ্য কই!! শুধু কানে ভেসে আসে সেই বাঁধ ভাঙা হাসি-আনন্দের কলতান, চোখ বন্ধ করলেই দেখি ছড়িয়ে যাওয়া লাল-নীল-সবুজ-হলুদ আবীরে তৈরি হওয়া আশ্চর্য সেই রঙের চাদর আর নিঃশ্বাসে খুঁজে পাই ধুপ-কর্পূর-তুলশী পাতার সেই মোহময়ী ঘ্রাণ .....................,দিনের শেষে আবারো কলের পাড়ে দাঁড়িয়ে লাইন ধরে স্নানের জন্য অপেক্ষা বা বাড়ির কাছের পুকুরে স্নানের জন্য হুরোহুরি ।। হায় শৈশব........, সোনালী শৈশব.........!
কবি গুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের গানটা একটু মনে করি ,
"রাঙ্গিয়ে দিয়ে যাও যাও যাওগো এবার যাবার আগে
তোমার আপন রাগে, তোমার গোপন রাগে,
তোমার তরুণ হাসির অরুণ রাগে,
অশ্রুজলের করুণ রাগে .....
মেঘের বুকে যেমন মেঘের মন্দ্র জাগে
বিশ্ব নাচের কেন্দ্রে যেমন ছন্দ জাগে,
তেমনি আমায় দোল দিয়ে যাও
যাবার পথে আগিয়ে দিয়ে
কাঁদন-বাঁধন ভাগিয়ে দিয়ে” ।
**** *******
9a>দোল হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এর মাঝে আলাদা মর্ম ও মাহাত্ম্য যোগ করেছেন বৈষ্ণব অনুসারীরা। একে হোলি নামেও অভিহিত করা হয়। তবে বলা হয়ে থাকে, আদিতে দোল এবং হোলি ছিল আলাদা। বর্তমানে দুটি উৎসবই একীভূত হয়েছে। এবার দোলের পূর্ণ চাঁদ দেখা যাবে আজ শনিবার।
হোলি অপভ্রংশটি এসেছে হোরি (তৎসম) বা দোল থেকে। হোলি থেকে হোলক, হোলক মানে হোলিকা, যার অর্থ ডাইনি। এর সঙ্গে অশুভকে ধ্বংস ও নতুনকে স্বাগত জানানোর বিষয়টি জড়িত। উপ-মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একে ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হয়। যেমন- ভারতের উড়িষ্যায় দোলোৎসব, উত্তর ও মধ্যভারতে হোলি বা হোরি, গোয়া ও কঙ্কণ অঞ্চলে শিমাগা, দক্ষিণ ভারতে কামায়ন। উত্তর ভারতে হোলি উৎসবটি বাংলার দোলযাত্রার পরদিন পালিত হয়।
বলা হয়, মধ্যযুগের কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দের প্রভাবেই হোলি ও দোল যাত্রা একাত্ম হয়ে গেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু গানে দোল ও রাধা-কৃষ্ণের দোল লীলার তাৎপর্যও এসেছে। তার 'সোনারতরী'র ঝুলন, 'কথা ও কাহিনী'র হোলি খেলাসহ অনেক কবিতায় এ প্রসঙ্গ এসেছে। দোলযাত্রা উৎসব শান্তি নিকেতনে বসন্তোৎসব নামে পরিচিত। কবির জীবদ্দশা থেকে এ উৎসব নানা আয়োজনে পালিত হয়ে আসছে। কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানে হোলি বারবার এসেছে। এ ছাড়া 'হোলি' শব্দটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
হিন্দু ধর্ম অনুসারে চারটি যুগ-সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ, দ্বাপরযুগ এবং কলিযুগ। বর্তমানে চলছে কলিযুগ। এর আগের দ্বাপরযুগ থেকে শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা বা দোল উৎসব চলে আসছে। বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে ফাল্গুনী পূর্ণিমায়। আবার ১৪৮৬ সালের এই পূর্ণিমা তিথিতেই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু জন্মগ্রহণ করেন বলে একে গৌর-পূর্ণিমা নামেও অভিহিত করেন বৈষ্ণব বিশ্বাসীরা। তবে এর মূল তাৎপর্য হলো রাধা-কৃষ্ণের সম্পর্কের উপাখ্যানে।
ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথির এ দিনে বৃন্দাবনের নন্দন কাননে শ্রীকৃষ্ণ আবির ও গুলাল নিয়ে তার সখী রাধা ও তেত্রিশ হাজার গোপীর সঙ্গে রঙ ছোড়াছুড়ির খেলায় মেতে ছিলেন। এর স্মরণে এ দিন সকালে ভগবানকৃষ্ণ ও রাধার বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নান করিয়ে দোলায় চড়িয়ে কীর্তন গানসহকারে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর কৃষ্ণভক্তরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রঙ খেলেন।
এসব দিক থেকে দোল উৎসবকে দুইভাবে দেখা যায়- হিন্দুধর্মের পৌরাণিক উপাখ্যান ও শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাব। পৌরাণিক উপাখ্যানের দুটি দিক- স্কন্ধপুরাণের 'হোলিকা' এবং রাধা-কৃষ্ণের কাহিনী। প্রথমটিতে স্কন্দপুরাণ গ্রন্থের ফাল্গুন মাহাত্ম্য গ্রন্থাংশে হোলিকা ও প্রহ্লাদের উপাখ্যান জড়িত।
রাধা-কৃষ্ণকে ঘিরে যে কাহিনী বেশি প্রচলিত-শ্রীকৃষ্ণ এক দিন বৃন্দাবনে রাধা এবং তার সখীদের সঙ্গে খেলা করছিলেন। সে সময় হঠাৎ রাধা এক বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হয়ে লজ্জিত হন। শ্রীকৃষ্ণ রাধার লজ্জা ঢাকতে এবং বিষয়টি তার সখীদের কাছ থেকে গোপন রাখতে; রাধা তার সখীদের সঙ্গে আবির খেলা শুরু করেন। তাদের সবাইকে আবির দিয়ে রাঙিয়ে দেন। এ আবির খেলার স্মরণে হিন্দু সম্প্রদায় এই হোলি উৎসব পালন করে থাকে বলে প্রচলিত আছে। এ ছাড়া বলা হয়ে থাকে, কৃষ্ণ নিজের কৃষ্ণ রঙ ঢাকতে বিভিন্ন ধরনের রঙ মাখিয়ে রাধার সামনে হাজির হন। সেই থেকে এ উৎসবের শুরু।
বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে দোল উৎসবের আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়। যেমন- কোথাও কোথাও ফাল্গুন শুক্লা চতুর্দশী তিথিতে দোল উদযাপন উপলক্ষে 'বুড়িরঘর' বা 'মেড়া পোড়ানো হয়। সাধারণত বিষ্ণু বা কৃষ্ণমন্দির কিংবা ধামে খড়, কাঠ, বাঁশ ইত্যাদি জ্বালিয়ে এ বিশেষ বহ্নি-উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এই উৎসবটি ছোটদের কাছে বেশি রঙিন। তবে সব বয়সের নারী-পুরুষই একে অপরকে আবিরের রঙে রাঙিয়ে দেয়। কম বয়সীরা বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেয়। মন্দিরে-মন্দিরে রাধা-গোবিন্দের পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজা অনুষ্ঠানের সময় উলুধ্বনি, কাঁসার ঘণ্টা ও পুরোহিতের ঘণ্টা ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। কোথাও কোথাও কয়েক দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে থাকে- শ্রীশ্রী হরি লীলামৃত ও গুরু চাঁদ চরিতপাঠ, বৈঠকী কীর্তন, হরি সঙ্গিত ও মহাসঙ্গীত।
যেহেতু বছরের শেষ তাই নতুন বছরের শুভ কামনায় প্রার্থনাও করা হয়। কুষ্টিয়ায় লালনের আখড়ায় দোলপূর্ণিমা বিশেষভাবে পালিত হয়। দোলপূর্ণিমার দিনে লালন ফকির তার শিষ্যদের সঙ্গে সঙ্গ করতেন। সে অনুসারে আজও আখড়ায় দোল উৎসব উদযাপন করা হয়।
***** ***** *******
10a>62 सालों बाद आया है भद्रा योग, होलिका दहन पर क्या है इसका महत्व
नई दिल्ली : होलिका दहन की तिथि और समय को लेकर इस बार बेहद असमंजस की स्थिति है। कई जगहों पर 22 मार्च को भी दहन किया जा रहा है, लेकिन शास्त्र आधारित गणना के हिसाब से यह उचित नहीं है। दरअसल, फाल्गुन शुक्ल प्रदोष व्यापिनी पूर्णिमा के भद्रा रहित होने पर होलिका दहन करना शास्त्र सम्मत बताया गया है।
62 साल पहले बना था ऐसा योग
23 मार्च को ही गोधूलि युक्त प्रदोष वेला में होलिका दहन शास्त्रों के अनुसार रहेगा। इससे पहले साल 1954 में भी ऐसा ही योग बना था। तब भी प्रदोष व्यापिनी प्रतिपदा में ही होलिका दहन श्रेष्ठ माना गया था। जबकि 22 मार्च को पूर्णिमा प्रदोष व्यापिनी है, इसलिए इस बार 23 मार्च को होलिका दहन का श्रेष्ठ मुहूर्त है, क्योंकि इस दिन वृद्धि गामिनी पूर्णिमा है, जो भद्रामुक्त है।
और पढ़ें
होली पर करे खुद एवं परिवार के संकटो का एवं किसी के द्वार किये कराये तंत्र याआभिचारिक प्रयोगो का निवारण एवं खुद के दुर्भाग्य को सौभाग्य मे बदलनेl एव सर्वं मनोकामना पूर्ण करने के सरल एवं आसान उपाय
जैसा कि हम सभी जानते है एवं शास्त्रों में भी उल्लेख है कि फाल्गुन शुक्ल पक्ष की पूर्णिमा को प्रदोषकाल में ही होलिका दहन किया जाता है। प्रतिपदा, चतुर्दशी और भद्राकाल में होली दहन के लिए सख्त मना है। फाल्गुन पूर्णिमा पर भद्रारहित प्रदोषकाल में होली दहन को श्रेष्ठ माना गया हैl
तीन साल से अशुभ माने जाने वाली भद्रा का साया होलिका दहन के लिए तय समय पर पड़ता आ रहा था ।
इसके चलते भद्रा के मुख का त्याग कर होली दहन का वैकल्पिक मार्ग अपनाया जा रहा था। परन्तु इस बार 22/23/मार्च 2016 होलिका दहन के दिन भद्रा सुबह 3:18 पर खत्म हो जाएगी।
इस बार होलिका दहन निर्विवाद रूप से 22/23मार्च, 2016 मंगलवार की रात 3:18के बाद होगाl एवं रंग की होली सभी जगह 23 मार्च 2016 बुधवार को पूरे देश मे मनाई जायगीl
इस बार पूर्णिमा 22 मार्च मंगलवार को दिन मे 2:29 मिनट से शुरु होकर 23 मार्च बुधवार को सायं 4:07 मिनट तक रहेगीl
उत्तरा फाल्गुनी नक्षत्र 22 मार्च को 3:41 से 23 मार्च को
सायं 5:52 बजे तक रहेगा।
होलिका दहन की रात्रि का महत्त्व हमारे शास्त्रों में 4 विशेष रात्रियो में से एक बताया गया है। इस रात्रि को “अहोरात्रि” कहते है। यह रात्रि तंत्र साधना व लक्ष्मी प्राप्ति के साथ खुद पर किये गए तंत्र मंत्र के प्रतिरक्षण हेतु सबसे उपयुक्त मानी गई है| तंत्र शास्त्र के अनुसार होली के दिन कुछ खास उपाय करने से मनचाहा काम
हो जाता है। तंत्र क्रियाओं के लिए प्रमुख चार रात्रियों में से एक रात ये भी है।
मान्यता है कि होलिका दहन के समय उसकी उठती हुई लौ से कई संकेत मिलते हैं।होलिका दहन के समय उसकी उठती हुई लौ से कई संकेत मिलते हैं। पूरब की ओर लौ उठना कल्याणकारी होता है, दक्षिण की ओर
पशु पीड़ा, पश्चिम की ओर सामान्य और उत्तर की ओर लौ उठने से बारिश होने की
संभावना रहती है।
सावधानी
होलिका दहन वाले दिन टोने-टोटके के लिए सफेद खाद्य पदार्थों का उपयोग किया जाता है। इसलिए
*इस दिन सफेद खाद्य पदार्थों के सेवन से बचना चाहिये।
*उतार और टोटके का प्रयोग सिर पर जल्दी होता है, इसलिए सिर को टोपी आदि से ढके रहें।
*टोने-टोटके में व्यक्ति के कपड़ों का प्रयोग किया जाता है, इसलिए अपने कपड़ों का ध्यान रखें।
*होली पर पूरे दिन अपनी जेब में काले कपड़े में बांधकर काले तिल रखें। रात को जलती होली में उन्हें डाल दें। यदि पहले से ही कोई टोटका होगा तो वह भी खत्म हो जाएगा।
होली के दिन करें ये ख़ास उपाय
स्वास्थय लाभ के लिए
अगर परिवार में कोई लंबे समय से बीमार हो होली की रात में सफेद कपड़े में 11 गोमती चक्र, नागकेसर के 21 जोड़े तथा 11 धनकारक कौड़ियां बांधकर कपड़े पर हरसिंगार तथा चन्दन का इत्र लगाकर रोगी पर से सात बार उतारकर किसी शिव मन्दिर में अर्पित करें। व्यक्ति स्वस्थ होने लगेगा। यदि
बीमारी गंभीर हो, तो यह शुक्ल पक्ष के प्रथम सोमवार से आरंभ कर लगातार 7 सोमवार तक किया जा सकता है।
आर्थिक समस्या के समाधान के लिए :
होली की रात में चंद्रोदय होने के बाद अपने घर की छत पर या खुली जगह जहां से चांद नजर आए पर खड़े हो जाएं। फिर चंद्रमा का स्मरण करते हुए चांदी की प्लेट में सूखे छुहारे तथा कुछ मखाने रखकर शुद्ध घी के
दीपक के साथ धूप एवं अगरबत्ती अर्पित करें। अब दूध से अर्घ्य प्रदान करें। अर्घ्य के बाद कोई सफेद प्रसाद तथा केसर मिश्रित साबूदाने की खीर अर्पित करें। चंद्रमा से आर्थिक संकट दूर कर समृद्धि प्रदान करने का निवेदन करें। बाद में प्रसाद और मखानों को बच्चों में बांट दें।
फिर लगातार आने वाली प्रत्येक पूर्णिमा की रात चंद्रमा को दूध का अर्घ्य अवश्य दें। कुछ ही दिनों में आप महसूस करेंगे कि आर्थिक संकट दूर होकर समृद्धि निरंतर बढ़ रही है।;
दुर्घटना से बचाव के लिए :
अगर आप अक्सर दुर्घटनाग्रस्त होते रहते हैं तो होलिका दहन से पहले पांच काली गोप/गुंजा/धागा/डोरा लेकर होली की पांच परिक्रमा लगाकर अंत में होलिका की ओर पीठ करके पांचों गुंजाओं को सिर के ऊपर से पांच बार
उतारकर सिर के ऊपर से होली में फेंक दें।
• होलिका दहन तथा उसके दर्शन से शनि-राहु-केतु के दोषों से शांति मिलती है।
• होली की भस्म का टीका लगाने से नजर दोष तथा प्रेतबाधा से मुक्ति मिलती है।
• कार्य में बाधाएं आने पर -
आटे का चौमुखा दीपक सरसों के तेल से भरकर कुछ दाने काले तिल के डालकर एक बताशा, सिन्दूर और एक तांबे का सिक्का डालें। होली की अग्नि से जलाकर घर पर से ये पीड़ित व्यक्ति पर से उतारकर सुनसान चौराहे पर रखकर बगैर पीछे मुड़े वापस आएं तथा हाथ-पैर धोकर घर में प्रवेश करें।
• जलती होली में तीन
गोमती चक्र हाथ में लेकर अपने (अभीष्ट) कार्य को 21 बार मानसिक रूप से कहकर गोमती चक्र अग्नि में डाल दें तथा प्रणाम कर वापस आएं।
• विपत्ति नाश के लिए मंत्र-
राजीव नयन धरें धनु सायक।
भगति विपति भंजन सुखदायक।।
इस मंत्र को जलती होलिका स्म्मुख 108 बार पढ कर 11 परिक्रमा करने से समस्त विपत्तियो का नाश हो जाता हैl
•
सुख, समृद्धि और सफलता के लिए :
अहकूटा भयत्रस्तै:कृता त्वं होलि बालिशै:
अतस्वां पूजयिष्यामि भूति-भूति प्रदायिनीम: ||
इस मंत्र का उच्चारण एक माला, तीन माला या फिर पांच माला विषम संख्या के रूप में करना चाहिए।
ऐसा माना जाता है कि होली की बची हुई अग्नि और भस्म को अगले दिन प्रात: घर में लाने से घर को अशुभ शक्तियों से बचाने में सहयोग मिलता है तथा इस भस्म का शरीर पर लेपन भी किया जाता है।
भस्म का लेपन करते समय निम्न मंत्र का जाप करना
कल्याणकारी रहता है-
वंदितासि सुरेन्द्रेण ब्रह्मणा शंकरेण च।
अतस्त्वं पाहि मां देवी! भूति भूतिप्रदा भव।।
आप सभी मित्रो को
होली की बहुत सारी शुभ कामनायेl एवं शुभाशिर्वादl
साथ ही साथ होली पर अपने माता पिता बडे बुजुर्गो का आशिर्वाद जरुर लेl
होली सौहार्द का त्योहार हैl इस लिये भाई चारा बनाये रखेl खुद को नशे एवं बुरे ब्यसनो से दूर रखेl साथ ही साथ सूखे रंगो जैसे अबीर गुलाल का ही प्रयोग करेl
दोस्ती, एकता और सद्भाव के जरिये सभी को प्यार के रंगों में रंगने वाला होली का त्यौहार पारंपरिक रूप से दो दिनों तक मनाया जाता है। पहले दिन होलिका दहन जबकि दूसरे दिन होली खेली जाती है। इन दिनों प्रकृति भी अपने सबसे अद्भुत रंग बिखेरती है। पतझड़ के बाद पेड़ों पर नई पत्तियां खिलती हैं, जो जीवन में नये उत्साह का संचार करती है।
होलिका दहन मुहूर्त को लेकर है असमंजस, ऐसे दूर करें
23 मार्च यानि बुधवार को होलिका दहन का शुभ मुहूर्त सायंकाल 4:55 बजे से 5:31 बजे तक रहेगा। उत्तर भारत के कुछ स्थानों पर सायं 6:30 बजे से रात्रि 8:54 बजे तक भी शुभ मुहूर्त रहेगा। कई जगह होलिका दहन की तारीख को लेकर भी असमंजस की स्थिति है। लेकिन पंचांग के अनुसार इस साल फाल्गुन माह की पूर्णिमा 22 मार्च दोपहर 01:13 बजे के बाद स्पष्ट रूप से प्रदोष व्यापिनी है और अगले दिन सुबह 04:22 बजे तक भद्रा व्यापिनी भी रहेगी। 23 मार्च को पूर्णिमा प्रदोष-व्यापिनी नहीं रहेगी। इस अनुसार 23 मार्च बुधवार को ही होलिका दहन शास्त्र सम्मत होगा। शास्त्रों के अनुसार पूर्णिमा तिथि शाम 04:55 बजे से 05:31 बजे तक ही रहेगा। इस बीच होलिका दहन के लिये सबसे अच्छा समय रहेगा।
ये है होलिका दहन का पौराणिक महत्व
होली का त्यौहार बुराई पर अच्छाई की जीत और एकता का प्रतीक है। होलिका दहन पर किसी भी बुराई को अग्नि में जलाकर खाक कर सकते हैं। माना जाता है कि पृथ्वी पर एक अत्याचारी राजा हिरण्यकश्यप राज करता था। उसने अपनी प्रजा को ईश्वर की जगह सिर्फ अपनी पूजा करने को कहा था, लेकिन प्रहलाद नाम का उसका पुत्र भगवान विष्णु का परम भक्त था। उसने अपने पिता के आदेश के बावजूद भक्ति जारी रखी, जिसके लिये पिता ने प्रहलाद को सजा देने की ठान ली और प्रहलाद को अपनी बहन होलिका की गोद में बिठाकर दोनों को आग के हवाले कर दिया। दरअसल, होलिका को ईश्वर से यह वरदान मिला था कि उसे अग्नि कभी नहीं जला पाएगी। लेकिन दुराचारी का साथ देने के कारण होलिका भस्म हो गई और प्रह्लाद सुरक्षित रहे। उसी समय से हम समाज की बुराइयों को जलाने के लिए होलिकादहन मनाया जाता रहा है।
होली है भाई होली हैl बुरा ना मानो होली हैl जय श्री रामl
11a>সবাইকে দোল পূর্ণিমার শুভেচ্ছা,
বর্তমান প্রেক্ষাপটে দোল বহুল পরিচিত পার্বণ। যা শুধু হিন্দুদের মধ্যে না থেকে সার্ব্জনীন হয়ে গেছে। এই দিনে ধনী,গরিব, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই রঙ নিয়ে বেড়িয়ে পরে। নিকটাত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবদের রঙ দিয়ে শুরু করে। এ অনুষ্টানের মাধ্যমে সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতি বজায় থাকে। একে অপরের কাছাকাছি আসতে পারে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় ----আজকের বর্তমান হলি বা দোল দোল এক বিভিশিখা , এক ভয়ঙ্কর উত্সবে পরিনত হয়েছে। গত কালকের মানে হোলির দিনের দুটি ছোট ঘটনা বলি যা থেকে বোঝা যাবে বর্ত মান আধুনিক দোল যাত্রা কেমন কি তার ভবিষৎ।
প্রথম ঘটনা ---সকলে দোল খেলছে ভীষণ আনন্দ হৈ হুল্লোর করছে। কাউকেই মুখ দেখে চিনতে পারছিনা। সবাই কালো ভূত। বাদুরি না কি সব নানা কেমিকেল রং মাখে কিম্ভূতকিমাকার। দোলেল আবির কথাও নাই। সকলেই ওই ভীষণ কেকিকেল মেখে , বেশ ভালো ভাবে নেশা গ্রস্থ হয়ে ,কিছু মদ্য ও কিছু ভাং খয়ে (পরের দিন জানতে পারলাম কে কে কি ধরনের নেশা করে ছিল ) সে যাই হোক হোলি তাই সব ঠিক।
সাবান হোলি হায় ,বুরা না মানো হোলি হায়।
যা বলছিলাম সবাই রং খেলছে। ছোট ছোট বাচ্চাদের বাবা, মা, বাচ্চারা সকলে একসাথে রং খেলছে। আবির বা সামান্য রং কথাও নাই সকলেই ওই বিভত্স কালো ,নীল ,লাল রং মেখে আনন্দে মেতে হোলি উত্সব পালন করছে। আমি হাউসিং এর পিছনের দিগ দিয়ে যাচ্ছিলাম যাতে করে আমাকে কেউ দেকতে বা রং লাগাতে না পারে। হঠাথ দেখি কয়েকটি বাচ্চা এই আট থেকে বারো তের বছরের বাচ্চারা এই পিছনের দিকে লুকিয়ে লুকিয়ে বড়দের হলো খেলা দেখছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কিরে তোমরা এখানে লুকছকেনো ,ওরা উত্তর দিল , দেখো বাবা কাকুর রং খেলছে আর কি বাজে বাজে বলছে ,------তা আমি কৌতহল বশত একটু শুনতে চেষ্টা করলাম ওনাদের ভাষা।
সত্যি ওনারা যে সকল কথা বার্তা করছিল তা বলার মত নয়। শুধু ভাবছিলাম এখানেতো সকলেই শিক্ষিত এবং সকলেই ভালো ভালো পোস্ট যে চাকুরী করেন ,কেউ ডাক্তার ,কেউ ইন্জিনীয়র ,সকলেই উচু পদে চাকুরী করেন এবং সকলেই শিক্ষিত। তবু ওনাদের মুখের ভাষা অমন কেন ??
তা হোলি হায় !হোলি !তা এটা কেমন হলো ??
দিতীয় ঘটনা ---আমি দেখি একটি বাচ্চা এই পাঁচ ছয় বছরের , (আমাদের ব্লকে নয় অন্য় এক ব্লকে )
লিফট এর কাছে সিড়িতে বসে কান্না করছে। আমি ওয়াচ ম্যান তথা গার্ড কে বললাম ওই বাচ্চাটি কাঁদছে কেন ? ওয়াচ ম্যান বলল আপনি জাননা গিজ্ঞাসা করুন দেখুন ও কি বলছে। আমি বললাম কিহল তুমি কাঁদছ কেন? বাচ্চা টি যা বলল তা শুনে আমি হতবাক , কিজে উত্তর দি বা বলি তা বলার মত ভাষা আমার জানা নাই। বাচ্চাটি বলেছিল ----"আমি রং তুলতে পারছিনা ---- আমি বললাম কেন তোমার বাবা মা কে বল তারা তোমার গায়ের রং তুলে দেবে। বাচ্চাটি বলল বাবা বার বার বমী করছে , মা বাবাকে ভীষণ বকছে , বাবা অনেকক্ষণ সাবান দিয়ে মায়ের সব রং তুলে দিল আমি আমরটা তুলে দিতে বললাম ,বাবা আমাকে মারলো নি। আমর রং কেউই তুলে দিল না।
25th March 2016
12a>श्री कृष्ण- श्रीकृष्ण=कृष्ण हैं कौन?
कृष्ण हैं कौन? गिरधारी, गिरधर गोपाल ! वैसे तो मुरलीधर और चक्रधर भी हैं, लेकिन कृष्ण गुह्यतम रूप तो गिरधर गोपाल में ही निखरता है।
कान्हा को गोवर्धन पर्वत अपनी कानी उंगली पर क्यों उठाना पड़ा था? इसलिए न की उसने इन्द्र की पूजा बन्द करवा दी और इन्द्र का भोग, खुद खा गया और भी खाता रहा। इन्द्र ने नाराज होकर पानी, ओला, पत्थर बरसाना शुरू किया,तभी तो कृष्ण को गोवर्धन उठाकर अपने गो और गोपालों की रक्षा करनी पड़ी। कृष्ण ने इन्द्र का भोग खुद क्यों खाना चाहा?
यशोदा मां, इन्द्र को भोग लगाना चाहती है, क्योंकि वह बड़ा देवता है, सिर्फ वास से ही तृप्त हो जाता है और उसकी बड़ी शक्ति है, प्रसन्न होने पर बहुत वर देता है और नाराज होने पर तकलीफ।
बेटा कहता है वह इन्द्र से भी बड़ा देवता है, क्योंकि वह तो वास से तृप्त नहीं होता और बहुत खा सकता है और उसके खाने की कोई सीमा नहीं। यही है कृष्ण-लीला का रहस्य। वास लेने वाले देवताओं से खाने वाले देवताओं तक की भारत-यात्रा ही कृष्ण-लीला है।
कृष्ण सम्पूर्ण और अबोध मनुष्य हैं, खूब खाया -खिलाया, खूब प्यार किया और प्यार सिखाया जनगण की रक्षा और उसका रास्ता बताया निर्लिप्त भोग का महान त्यागी और योगी बना।
गोवर्धन उठाने में कृष्ण की उंगली दुखी होगी, अपने गोपों और सखाओं को कुछ झुं झला कर सहारा देने को कहा होगा। मां को कुछ इतरा कर उंगली दुखने की शिकायत की होगी। गोपियों से आंख लड़ाते हुए अपनी मुस्कान द्वारा कहा होगा। उसके पराक्रम पर अचरज करने के लिए राधा और कृष्ण की तो आपस में गम्भीर और प्रफुल्लित मुद्रा रही होगी। कहना कठिन है कि किसकी ओर कृष्ण ने अधिक निहारा होगा, मां की ओर इतरा कर या राधा की ओर प्रफुल्लित होकर।
जब कृष्ण ने गऊ वंश रूपी दानव को मारा था, राधा बिगड़ पड़ी और इस पाप से बचने के लिए उसने उसी स्थल पर कृष्ण से गंगा मांगी। कृष्ण को कौन-कौन से असंभव काम करने पड़े हैं। हर समय वे कुछ न कुछ करते रहे हैं दूसरों को सुखी बनाने के लिए।
कृष्ण बहुत अधिक हिन्दुस्तान के साथ जुड़ा हुआ है। हिन्दुस्तान के ज्यादातर देव और अवतार अपनी मिट्टी के साथ सने हुए हैं। मिट्टी से अलग करने पर वे बहुत कुछ निष्प्राण हो जाते हैं। त्रेता का राम हिन्दुस्तान की उत्तर-दक्षिण एकता का देव है। द्वापर का कृष्ण देश की पूर्व-पश्चिम धुरी पर घूमे। कभी-कभी तो ऐसा लगता है कि देश को उत्तर-दक्षिण और पूर्व-पश्चिम एक करना ही राम और कृष्ण का धर्म था।
राम त्रेता के मीठे, शान्त और सुसंस्कृत युग का देव हैं। कृष्ण पके, जटिल, तीखे और प्रखर बुद्धि युग का देव हैं। राम गम्य हैं। कृष्ण अगम्य हैं। कृष्ण ने इतनी अधिक मेहनत की उसके वंशज उसे अपना अंतिम आदर्श बनाने से घबड़ाते हैं, यदि बनाते भी हैं तो उसके मित्रभेद और कूटनीति की नकल करते हैं, उसका अथक निस्व उनके लिए असाध्य रहता है।
इसीलिए कृष्ण हिन्दुस्तान में कर्म का देव न बन सका। कृष्ण ने कर्म राम से ज्यादा किए हैं। कितने सन्धि और विग्रह और प्रदेशों के आपसी संबंधों के धागे उसे पलटने पड़ते थे। यह बड़ी मेहनत और बड़ा पराक्रम था।
कृष्ण जो पूर्व-पश्चिम की एकता दे गया, उसी के साथ-साथ उस नीति का औचित्य भी खत्म हो गया। बच गया कृष्ण का मन और उसकी वाणी। और बच गया राम का कर्म। अभी तक हिन्दुस्तानी इन दोनों का समन्वय नहीं कर पाए हैं। करें तो राम के कर्म में भी परिवर्तन आए। राम रोऊ है, इतना कि मर्यादा भंग होती है। कृष्ण कभी रोता नहीं। आंखें जरूर डबडबाती हैं उसकी, कुछ मौकों पर, जैसे जब किसी सखी या नारी को दुष्ट लोग नंगा करने की कोशिश करते हैं।
कैसे मन और वाणी थे उस कृष्ण के। अब भी तब की गोपियां और जो चाहें वे, उसकी वाणी और मुरली की तान सुनकर रस विभोर हो सकते हैं और अपने चमड़े के बाहर उछल सकते हैं। साथ ही कर्म-संग के त्याग, सुख-दुख, शीत-उष्ण,जय-पराजय के समत्व के योग और सब भूतों में एक अव्यव भाव का सुरीला दर्शन, उसकी वाणी में सुन सकते हैं। संसार में एक कृष्ण ही हुआ जिसने दर्शन को गीत बनाया।
=====================================================
13a> श्री कृष्ण एवं अर्जुन
एक बार अर्जुन ने श्री कृष्ण से कहा :-
इस दीवार पर कुछ ऐसा लिखो कि, खुशी में पढूं तो दुख हो और
दुख में पढूं तो खुशी हो.....
प्रभु ने लिखा :-
" ये वक्त गुजर जाऐगा "
=============================================================
श्रीमद् देवीभाग्वत् नामक ग्रंथ में उल्लेख मिलता है कि जो भक्त राधा का नाम लेता है भगवान श्री कृष्ण सिर्फ उसी की पुकार सुनते हैं। इसलिए कृष्ण को पुकारना है तो राधा को पहले बुलाओ। जहां श्री भगवती राधा होंगी वहां कृष्ण खुद ही चले आएंगे।
पुराणों के अनुसार भगवान कृष्ण स्वयं कहते हैं कि राधा उनकी आत्मा है। वह राधा में और राधा उनमें बसती है। कृष्ण को पसंद है कि लोग भले ही उनका नाम नहीं लें लेकिन राधा का नाम जपते रहें।
इस नाम को सुनकर भगवान श्री कृष्ण अति प्रसन्न हो जाते हैं। इसका उल्लेख श्री कृष्ण जी ने नारद से किया है। इस संदर्भ में कथा है कि व्यास मुनि के पुत्र शुकदेव जी तोता बनकर राधा के महल में रहने लगे।
शुकदेव जी हमेशा राधा-राधा रटा करते थे। एक दिन राधा ने शुकदेव जी से कहा कि अब से तुम सिर्फ कृष्ण-कृष्ण नाम जपा करो। शुकदेव जी ऐसा ही करने लगे। इन्हें देखकर दूसरे तोता भी कृष्ण-कृष्ण बोलने लगे।
राधा की सखी सहेलियों पर भी कृष्ण नाम का असर होने लगा। पूरा नगर कृष्णमय हो गया, कोई राधा का नाम नहीं लेता था। एक दिन कृष्ण उदास भाव से राधा से मिलने जा रहे थे। राधा कृष्ण की प्रतीक्षा कर रही थी।
तभी नारद जी बीच आ गए। कृष्ण के उदास चेहरे को देखकर नारद जी ने पूछा कि प्रभु आप उदास क्यों है। कृष्ण कहने लगे कि राधा ने सभी को कृष्ण नाम रटना सिखा दिया है। कोई राधा नहीं कहता, जबकि मुझे राधा नाम सुनकर प्रसन्नता होती है।
कृष्ण के ऐसे वचन सुनकर राधा की आंखें भर आईं। महल लौटकर राधा ने शुकदेव जी से कहा कि अब से आप राधा-राधा ही जपा कीजिए। उस समय से ही राधा का नाम पहले आता है फिर कृष्ण का।
राधा कृष्ण की तरह सीता का नाम भी राम से पहले लिया जाता है। असल में राम और कृष्ण दोनों ही एक हैं और राधा एवं सीता भी एक हैं। यह हमेशा नित्य और शाश्वत हैं।
क्योंकि यही लक्ष्मी और नारायण रूप से संसार का पालन करते हैं। नारायण लक्ष्मी से अगाध प्रेम करते हैं। यह हमेशा अपने हृदय में बसने वाली राधा का नाम सुनना चाहते हैं। इसलिए ही कृष्ण नाम से पहले राधा नाम लिया जाता है।
===============================================================
जपतो हरिनामानिस्थानेशतगुणाधिक:।
हरे कृष्ण महामंत्र -नाम को जपने वाले की अपेक्षा उच्च स्वर से हरि-नाम का कीर्तन करने वाला अधिक श्रेष्ठ है,
हरिवंशपुराणका कथन है-
वेदेरामायणेचैवपुराणेभारतेतथा।
कलियुग में हरि के नाम, हरि के नाम, हरि के नाम के अतिरिक्त भव-बंधन से मुक्ति प्रदान करने वाला दूसरा
=================================
জানতেন যাদবদের বংশ একদিন অন্তর্কলহের জন্য শেষ হয়ে যাবে | তাই গান্ধারী তাঁর কাজ সহজ করে দিয়েছিলেন | গান্ধার কন্যা সেইসঙ্গে কৃষ্ণকেও অভিশাপ দিয়েছিলেন | যে তিনি আর মাত্র ৩৬ বছর বাঁচবেন | এবং হয়েওছিল তাই | কুরুক্ষেত্র প্রান্তরে অভিশাপ দেওয়ার ৩৬ বছর পরে মারা গিয়েছিলেন কৃষ্ণ | কারণ গান্ধারীর স্থির বিশ্বাস ছিল কৃষ্ণ চাইলেই এই যুদ্ধ আটকাতে পারতেন | অন্যদিকে, দ্বারকায় ক্রমশ ভেঙে পড়ে যদু বংশ | কৃষ্ণের শাসনে যে উচ্চতায় গিয়েছিল তারা, তার চেয়েও বেশি পতন হয় | নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় যদু বংশ | ঋষিদের সঙ্গে পরিহাস করায় এক দলা লোহার জন্ম দেয় কৃষ্ণ-পুত্র শাম্ব | রাজা উগ্রসেনের পরামর্শে সেই পিণ্ড গুঁড়ো করে সমুদ্রে ভাসিয়ে দেয় শাম্বর বন্ধুরা | পুরো ঘটনা লুকিয়ে রাখা হয় কৃষ্ণের কাছ থেকে | বিভিন্ন গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে যাওয়া যদু বংশের অন্তর্কলহে প্রাণ হারান অনেকে | তাঁদের মধ্যে ছিলেন কৃষ্ণ-পুত্র প্রদ্যুম্নও | দ্বারকা এবং যাদবদের এই হাল দেখে বনবাসে চলে যান বলরাম ও কৃষ্ণ | সেখানেই একদিন কৃষ্ণ দেখেন বলরামের দেহ থেকে সাপ বেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে | তিনি বুঝতে পারেন বলরাম প্রয়াণের পরে যাত্রা করেছেন বৈকুণ্ঠের পথে | এদিকে কৃষ্ণ-পুত্র শাম্বর জন্ম দেওয়া সেই লোহার পিণ্ডের কী হল? বহু চেষ্টা করেও সেটা পুরোটা গুঁড়ো করা যায়নি | থেকে গিয়েছিল এক টুকরো লোহা |
সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার পরে তা গিলে নেয় একটি মাছ | সেই মাছ আবার ধরা পড়ে জিরু নামে এক ব্যাধের জালে| মাছের পেট থেকে লোহার খণ্ড পেয়ে তা দিয়ে তিরের ফলা বানায় জিরু | সেই তির নিয়ে সে বনের মধ্যে যায় পশু শিকারে | হঠাৎ তার চোখে পড়ে এক অদ্ভূত পাখি |যার গায়ে আবার কমল-চিহ্ন | লাল টুকটুকে পাখিটিকে তিরবিদ্ধ করে জিরু | কাছে গিয়ে বুঝতে পারে কী হয়ে গেছে | আসলে কোনও পাখি নয়| সেটা ছিল শ্রীকৃষ্ণের পা | ঘাসপাতার আড়ালে তাকেই পাখি বলে ভুল করে জিরু | শ্রীকৃষ্ণের কাছে বারবার ক্ষমা চায় জিরু | কিন্তু কৃষ্ণ তাঁকে বোঝান, এটা কোনও অপরাধ নয় | আসলে এটাই ছিল ভবিতব্য | এই বলে বনের মধ্যে বিষ্ণুর মন্দিরে গিয়ে বিষ্ণু-মূর্তিতে বিলীন হয়ে যান তিনি | এই জিরুরও আলাদা পরিচয় আছে | বলা হয়, পূর্বজন্মে সে ছিল বালি | যাকে কৃষ্ণ নিজের রাম-অবতারে অন্যায়ভাবে ঝোপের আড়াল থেকে লুকিয়ে হত্যা করেছিলেন| কর্ম ফলে পরজন্মে সেই জিরুর হাতেই মৃত্যু হল কৃষ্ণের | সেইসঙ্গে সত্যি হল গান্ধারীর অভিশাপ | যদুবংশ ধ্বংস হল | নিঃসঙ্গ মৃত্যু এসে গ্রাস করল শ্রীকৃষ্ণকে | বলা হয় গান্ধারীর অভিশাপেই সমুদ্র এসে গ্রাস করে দ্বারকা নগরীকে | আজও আরব সাগরের গভীরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে খ্রিস্টপূর্বে বিকশিত হওয়া প্রাচীন এই নগরীর ধ্বংসাবশেষ |
अठारह दिन चले महाभारत के युद्ध में रक्तपात के सिवाय कुछ हासिल नहीं हुआ। इस युद्ध में कौरवों के समस्त कुल का नाश हुआ, साथ ही पाँचों पांडवों को छोड़कर पांडव कुल के अधिकाँश लोग मारे गए। लेकिन इस युद्ध के कारण, युद्ध के पश्चात एक और वंश का खात्मा हो गया वो था ‘श्री कृष्ण जी का यदुवंश’।
यदुवंश के नाश कारण
गांधारी ने दिया था यदुवंश के विनाश का श्राप :
महाभारत युद्ध की समाप्ति के बाद जब युधिष्ठर का राजतिलक हो रहा था तब कौरवों की माता गांधारी ने महाभारत युद्ध के लिए श्रीकृष्ण को दोषी ठहराते हुए श्राप दिया की जिस प्रकार कौरवों के वंश का नाश हुआ है ठीक उसी प्रकार यदुवंश का भी नाश होगा। गांधारी के श्राप से विनाशकाल आने के कारण श्रीकृष्ण द्वारिका लौटकर यदुवंशियों को लेकर प्रयास क्षेत्र में आ गये थे।
यदुवंशी अपने साथ अन्न-भंडार भी ले आये थे। कृष्ण ने ब्राह्मणों को अन्नदान देकर यदुवंशियों को मृत्यु का इंतजार करने का आदेश दिया था। कुछ दिनों बाद महाभारत-युद्ध की चर्चा करते हुए सात्यकि और कृतवर्मा में विवाद हो गया। सात्यकि ने गुस्से में आकर कृतवर्मा का सिर काट दिया। इससे उनमें आपसी युद्ध भड़क उठा और वे समूहों में विभाजित होकर एक-दूसरे का संहार करने लगे।
इस लड़ाई में श्रीकृष्ण के पुत्र प्रद्युम्न और मित्र सात्यकि समेत सभी यदुवंशी मारे गये थे, केवल बब्रु और दारूक ही बचे रह गये थे। यदुवंश के नाश के बाद कृष्ण के ज्येष्ठ भाई बलराम समुद्र तट पर बैठ गए और एकाग्रचित्त होकर परमात्मा में लीन हो गए। इस प्रकार शेषनाग के अवतार बलरामजी ने देह त्यागी और स्वधाम लौट गए।
जानिए कैसे हुई भगवान श्री कृष्ण के शरीर की मृत्यु
बलराम जी के देह त्यागने के बाद जब एक दिन श्रीकृष्ण जी पीपल के नीचे ध्यान की मुद्रा में बैठे हुए थे, तब उस क्षेत्र में एक जरा नाम का बहेलिया आया हुआ था। जरा एक शिकारी था और वह हिरण का शिकार करना चाहता था। जरा को दूर से हिरण के मुख के समान श्रीकृष्ण का तलवा दिखाई दिया। बहेलिए ने बिना कोई विचार किए वहीं से एक तीर छोड़ दिया जो कि श्रीकृष्ण के तलवे में जाकर लगा। जब वह पास गया तो उसने देखा कि श्रीकृष्ण के पैरों में उसने तीर मार दिया है। इसके बाद उसे बहुत पश्चाताप हुआ और वह क्षमायाचना करने लगा। तब श्रीकृष्ण ने बहेलिए से कहा कि जरा तू डर मत, तूने मेरे मन का काम किया है। अब तू मेरी आज्ञा से स्वर्गलोक प्राप्त करेगा।
बहेलिए के जाने के बाद वहां श्रीकृष्ण का सारथी दारुक पहुंच गया। दारुक को देखकर श्रीकृष्ण ने कहा कि वह द्वारिका जाकर सभी को यह बताए कि पूरा यदुवंश नष्ट हो चुका है और बलराम के साथ कृष्ण भी स्वधाम लौट चुके हैं। अत: सभी लोग द्वारिका छोड़ दो, क्योंकि यह नगरी अब जल मग्न होने वाली है। मेरी माता, पिता और सभी प्रियजन इंद्रप्रस्थ को चले जाएं। यह संदेश लेकर दारुक वहां से चला गया।
इसके बाद उस क्षेत्र में सभी देवता और स्वर्ग की अप्सराएं, यक्ष, किन्नर, गंधर्व आदि आए और उन्होंने श्रीकृष्ण की आराधना की। आराधना के बाद श्रीकृष्ण ने अपने नेत्र बंद कर लिए और वे सशरीर ही अपने धाम को लौट गए।
श्रीमद भागवत के अनुसार जब श्रीकृष्ण और बलराम के स्वधाम गमन की सूचना इनके प्रियजनों तक पहुंची तो उन्होंने भी इस दुख से प्राण त्याग दिए। देवकी, रोहिणी, वसुदेव, बलरामजी की पत्नियां, श्रीकृष्ण की पटरानियां आदि सभी ने शरीर त्याग दिए। इसके बाद अर्जुन ने यदुवंश के निमित्त पिण्डदान और श्राद्ध आदि संस्कार किए।
इन संस्कारों के बाद यदुवंश के बचे हुए लोगों को लेकर अर्जुन इंद्रप्रस्थ लौट आए। इसके बाद श्रीकृष्ण के निवास स्थान को छोड़कर शेष द्वारिका समुद्र में डूब गई। श्रीकृष्ण के स्वधाम लौटने की सूचना पाकर सभी पाण्डवों ने भी हिमालय की ओर यात्रा प्रारंभ कर दी थी। इसी यात्रा में ही एक-एक करके पांडव भी शरीर का त्याग करते गए। अंत में युधिष्ठिर सशरीर स्वर्ग पहुंचे थे।
=====================================================
21a>जानिए कौन था यब बहेलिया।
कुछ महान संतो और पौराणिक कहानियों में जिक्र आता है कि यह बहेलिया अपने पुर्वजन्म में महाराज बाली थी जो त्रेतायुग में वानरो के राजा थे। संत लोग यह भी कहते हैं कि प्रभु ने त्रेता में राम के रूप में अवतार लेकर बाली को छुपकर तीर मारा था। कृष्णावतार के समय भगवान ने उसी बाली को जरा नामक बहेलिया बनाया और अपने लिए वैसी ही मृत्यु चुनी, जैसी बाली को दी थी।
यह सभी तथ्य हमने विभिन्न – विभिन्न सनातन संस्कृति से जुडें ब्लाग से लिए हैं।।
=========================================
भगवान कृष्ण ने गीता के माध्यम से संसार को जो शिक्षा दी, वह अनुपम है। वेदों का सार है उपनिषद और उपनिषदों का सार है ब्रह्मसूत्र और ब्रह्मसूत्र का सार है गीता। सार का अर्थ है निचोड़ या रस।
गीता में उन सभी मार्गों की चर्चा की गई है जिन पर चलकर मोक्ष, बुद्धत्व, कैवल्य या समाधि प्राप्त की जा सकती है। दूसरे शब्दों में कहें तो जन्म-मरण से छुटकारा पाया जा सकता है। तीसरे शब्दों में कहें तो खुद के स्वरूप को पहचाना जा सकता है। चौथे शब्दों में कहें तो आत्मज्ञान प्राप्त किया जा सकता है और पांचवें शब्दों में कहें तो ईश्वर को प्राप्त किया जा सकता है।
आओ जानते हैं भगवान श्रीकृष्ण के वे रहस्यमय सूत्र जिन्हें जानकर आपको लगेगा कि सच में यह बिलकुल ही सच है। निश्चित ही उनके ये सूत्र आपके जीवन में बहुत काम आएंगे। जीवन में सफलता चाहते हैं तो गीता के ज्ञान को अपनाएं और निश्चिंत तथा भयमुक्त जीवन पाएं।1=सफलता : भगवान श्रीकृष्ण कहते हैं कि यदि आप लक्ष्य को प्राप्त करने में विफल रहते हैं, तो अपनी रणनीति बदलें, लक्ष्य नहीं। ...इस जीवन में न कुछ खोता है, न व्यर्थ होता है। ...जो इस लोक में अपने काम की सफलता की कामना रखते हैं, वे देवताओं की प्रार्थना करें।2=प्रसन्नता : श्रीकृष्ण कहते हैं कि खुशी मन की एक अवस्था है, जो बाहरी दुनिया से नहीं मिल सकती है। खुश रहने की एक ही कुंजी है इच्छाओं में कमी।3=आत्मविनाश या नर्क के ये 3 द्वार हैं- वासना, क्रोध और लोभ। क्रोध से भ्रम पैदा होता है। भ्रम से बुद्धि व्यग्र होती है। जब बुद्धि व्यग्र होती है, तब तर्क नष्ट हो जाता है। जब तर्क नष्ट होता है, तब व्यक्ति का पतन हो जाता है। ...वह जो सभी इच्छाएं त्याग देता है और 'मैं' और 'मेरा' की लालसा और भावना से मुक्त हो जाता है, उसे शांति प्राप्त होती है।4=विश्वास क्या है? : मनुष्य अपने विश्वास से निर्मित होता है। जैसा वो विश्वास करता है, वैसा वो बन जाता है। ...व्यक्ति जो चाहे बन सकता है यदि वह विश्वास के साथ इच्छित वस्तु पर लगातार चिंतन करे। ...हर व्यक्ति का विश्वास उसकी प्रकृति के अनुसार होता है। विश्वास की शक्ति को पहचानें।5=मित्र और शत्रु दोनों है मन : जो मन को नियंत्रित नहीं करते उनके लिए वह शत्रु के समान कार्य करता है। मन की गतिविधियों, होश, श्वास और भावनाओं के माध्यम से भगवान की शक्ति सदा तुम्हारे साथ है और लगातार तुम्हें बस एक साधन की तरह प्रयोग कर के सभी कार्य कर रही है।
मन अशांत है और उसे नियंत्रित करना कठिन है, लेकिन अभ्यास से इसे वश में किया जा सकता है। ...सर्वोच्च शांति पाने के लिए हमें हमारे कर्मों के सभी परिणाम और लगाव को छोड़ देना चाहिए। ...केवल मन ही किसी का मित्र और शत्रु होता है6=निर्भीक बनो : उससे मत डरो जो वास्तविक नहीं है, न कभी था न कभी होगा। जो वास्तविक है, वो हमेशा था और उसे कभी नष्ट नहीं किया जा सकता। ...प्रबुद्ध व्यक्ति के लिए, गंदगी का ढेर, पत्थर और सोना सभी समान हैं।7=संशय न करो : सदैव संदेह करने वाले व्यक्ति के लिए प्रसन्नता न इस लोक में है, न ही कहीं और। आत्मज्ञान की तलवार से काटकर अपने हृदय से अज्ञान के संदेह को अलग कर दो। अनुशासित रहो। उठो।
संदेह, संशय, दुविधा या द्वंद्व में जीने वाले लोग न तो इस लोक में सुख पाते हैं और न ही परलोक में। उनका जीवन निर्णयहीन, दिशाहीन और भटकाव से भरा रहता है।8=आत्मा न जन्म लेती है और न ही मरती है : जन्म लेने वाले के लिए मृत्यु उतनी ही निश्चित है जितनी कि मृत होने वाले के लिए जन्म लेना। इसलिए जो अपरिहार्य है, उस पर शोक मत करो।
न कोई मरता है और न ही कोई मारता है, सभी निमित्त मात्र हैं...। सभी प्राणी जन्म से पहले बिना शरीर के थे, मरने के उपरांत वे बिना शरीर वाले हो जाएंगे। यह तो बीच में ही शरीर वाले देखे जाते हैं, फिर इनका शोक क्यों करते हो?
यह आत्मा किसी काल में भी न जन्मती है और न मरती है अथवा न यह आत्मा हो करके फिर होने वाली है, क्योंकि यह अजन्मी, नित्य, शाश्वत और पुरातन है। शरीर के नाश होने पर भी यह नष्ट नहीं होती है।
कभी ऐसा समय नहीं था जब मैं, तुम या ये राजा-महाराजा अस्तित्व में नहीं थे, न ही भविष्य में कभी ऐसा होगा कि हमारा अस्तित्व समाप्त हो जाए। ...हे अर्जुन! हम दोनों ने कई जन्म लिए हैं। मुझे याद हैं, लेकिन तुम्हें नहीं।9=कर्मवान बनो : निःसंदेह कोई भी मनुष्य किसी भी काल में क्षणमात्र भी बिना कर्म किए नहीं रहता, क्योंकि सारा मनुष्य समुदाय प्रकृतिजनित गुणों द्वारा परवश हुआ कर्म करने के लिए बाध्य किया जाता है। ...अपने अनिवार्य कार्य करो, क्योंकि वास्तव में कार्य करना निष्क्रियता से बेहतर है।
ज्ञानी व्यक्ति को कर्म के प्रतिफल की अपेक्षा कर रहे अज्ञानी व्यक्ति के दिमाग को अस्थिर नहीं करना चाहिए। ...अप्राकृतिक कर्म बहुत तनाव पैदा करता है। ...किसी और का काम पूर्णता से करने से कहीं अच्छा है कि अपना काम करें, भले ही उसे अपूर्णता से करना पड़े। ...बुद्धिमान व्यक्ति कामुक सुख में आनंद नहीं लेता। ...कर्मयोग वास्तव में एक परम रहस्य है।10=जो मेरे साथ हैं मैं उनके साथ हूं : संपूर्ण ब्रह्मांड मेरे ही अंदर है। मेरी इच्छा से ही यह फिर से प्रकट होता है और अंत में मेरी इच्छा से ही इसका अंत हो जाता है। ...मेरे लिए न कोई घृणित है न प्रिय, किंतु जो व्यक्ति भक्ति के साथ मेरी पूजा करते हैं, वो मेरे साथ हैं और मैं भी उनके साथ हूं। ...बुरे कर्म करने वाले, सबसे नीच व्यक्ति जो राक्षसी प्रवृत्तियों से जुड़े हुए हैं और जिनकी बुद्धि माया ने हर ली है वो मेरी पूजा या मुझे पाने का प्रयास नहीं करते।
हे अर्जुन! कल्पों के अंत में सब भूत मेरी प्रकृति को प्राप्त होते हैं अर्थात प्रकृति में लीन होते हैं और कल्पों के आदि में उनको मैं फिर रचता हूं।
मैं उन्हें ज्ञान देता हूं, जो सदा मुझसे जुड़े रहते हैं और जो मुझसे प्रेम करते हैं।
मैं सभी प्राणियों को समान रूप से देखता हूं, न कोई मुझे कम प्रिय है न अधिक। लेकिन जो मेरी प्रेमपूर्वक आराधना करते हैं वो मेरे भीतर रहते हैं और मैं उनके जीवन में आता हूं।
मेरी कृपा से कोई सभी कर्तव्यों का निर्वाह करते हुए भी बस मेरी शरण में आकर अनंत अविनाशी निवास को प्राप्त करता है। ...हे अर्जुन! केवल भाग्यशाली योद्धा ही ऐसा युद्ध लड़ने का अवसर पाते हैं, जो स्वर्ग के द्वार के समान है।11=ईश्वर के बारे में : भगवान प्रत्येक वस्तु में है और सबके ऊपर भी। ...प्रबुद्ध व्यक्ति सिवाय ईश्वर के किसी और पर निर्भर नहीं करता। ...सभी काम छोड़कर बस भगवान में पूर्ण रूप से समर्पित हो जाओ। मैं तुम्हें सभी पापों से मुक्त कर दूंगा। शोक मत करो।
======================================================================
Comments
Post a Comment